ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

৫ বছরে আগে রিসোর্টে নিজের ‘মুতা বিয়ে’ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন মামুনুল হক

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ জুন ২০২৬, ০৫:০০ পিএম
খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক । ফাইল ছবি

পাঁচ বছর পর নারায়ণগঞ্জের রয়েল রিসোর্টের বহুল আলোচিত ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ প্রসঙ্গে ব্যাখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তার দাবি, ‘৫০১’ ছিল ফ্যাসিবাদী হাসিনার ব্যর্থ প্রজেক্ট এবং ওই ঘটনার মাধ্যমে তাকে রাজনৈতিকভাবে ধ্বংস করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

শনিবার (২০ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

মামুনুল হক জানান, ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল তিনি তার স্ত্রী জান্নাত আরা (ঝর্ণা) কে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের রয়েল রিসোর্টের ৫০১ নম্বর কক্ষে অবস্থান করছিলেন। সে সময় পুলিশের নেতৃত্বে স্থানীয় আওয়ামী লীগের কর্মী, সাংবাদিক ও অন্যরা সেখানে উপস্থিত হয়ে তাকে ও তার স্ত্রীকে হেনস্তা করে। রিসোর্টের রিসেপশন থেকে জানানো হয় যে পুরো রিসোর্ট পুলিশ ঘিরে ফেলেছে। কক্ষের দরজা খোলার পর অনেকেই জোরপূর্বক কক্ষে প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন ডিভাইসের মাধ্যমে লাইভ সম্প্রচার শুরু করে। এমনকি তাকে এবং তার স্ত্রীকে নানান উপায়ে হেনস্তা করা হয়। পরিস্থিতি থেকে স্ত্রীকে রক্ষা করতে তাকে ওয়াশরুমে রাখেন। পরে নারী পুলিশ সদস্য এসে ওয়াশরুমে প্রবেশ করেন এবং সেখান থেকেও লাইভ সম্প্রচার চালান।

তিনি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি এবং জান্নাত আরা উভয়েই নিজেদের বৈবাহিক সম্পর্কের কথা স্পষ্টভাবে জানান এবং সেটি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিতও হয়। তার দাবি, প্রথমে পুলিশ তার মোবাইল ফোন নিয়ে নেয়। পরে এক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তথ্য যাচাইয়ের জন্য ফোনটি ফেরত দেন এবং পরিচিতজনদের সঙ্গে কথা বলে আশ্বস্ত হন। তবে পরে ডিজিএফআই কর্মকর্তারা এসে তাদের থানায় নেওয়ার নির্দেশ দেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আরও দাবি করেন, রিসোর্টের বাইরে তখন হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়েছিল। তিনি তাদের শান্ত করেন এবং পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, তার ফেসবুক আইডির লাইভ সুবিধা প্রযুক্তিগতভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

জান্নাত আরার সঙ্গে বিয়ে প্রসঙ্গে ফেসবুকে তিনি উল্লেখ করেন, জান্নাত আরা আগে তার ঘনিষ্ঠ সহকর্মী হাফেজ শহিদুল ইসলামের স্ত্রী ছিলেন। তাদের দুটি সন্তান রয়েছে। পরবর্তীতে পারস্পরিক সম্মতিতে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।

তার দাবি, বিবাহবিচ্ছেদের পর জান্নাত আরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং একপর্যায়ে তিনি তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। তবে তিনি আগে থেকেই জানিয়ে দেন যে ইসলাম অনুযায়ী একাধিক স্ত্রীর মধ্যে সমতা রক্ষার যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারবেন না। এরপর জান্নাত আরা সম্মতি দিলে শরিয়ত অনুযায়ী তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয় বলে তিনি দাবি করেন।

বিয়ের পর জান্নাত আরাকে একটি কোরআন শিক্ষাকেন্দ্রে ভর্তি করিয়ে দেন এবং পরে তিনি সেলাই ও নারীদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণমূলক কাজে যুক্ত হন বলেও উল্লেখ করেন মাওলানা মামুনুল হক।

বিয়ে গোপন রাখার কারণ হিসেবে মাওলানা মামুনুল হক বলেন, উপমহাদেশে একাধিক বিয়ে সামাজিকভাবে জটিল বিষয়। তাই প্রথম পরিবারে অস্থিরতা তৈরি করতে চাননি। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় আইনে প্রথম স্ত্রীর অনুমতির বিষয়টিও জটিলতা সৃষ্টি করেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তার দাবি, ইসলামে কাবিন বাধ্যতামূলক নয় এবং তার প্রথম বিয়েতেও কাবিন হয়নি। তবে তার একাধিক বিয়ের বিষয়টি ঘনিষ্ঠজনেরা জানতেন বলে তিনি দাবি করেন।

আরও পড়ুন

রিসোর্টে অন্য নাম ব্যবহারের ব্যাখ্যা

পোস্টে মাওলানা মামুনুল হক জানান, তার পরিচয়পত্রে প্রথম স্ত্রী আমিনা তাইয়েবার নাম ছিল। অন্যদিকে জান্নাত আরার পরিচয়পত্রে তার সাবেক স্বামী শহিদুল ইসলামের নাম ছিল। এ কারণে তারা আলোচনার ভিত্তিতে প্রথম স্ত্রীর নাম ব্যবহার করেছিলেন বলে তিনি দাবি করেন।

প্রথম স্ত্রীকে ফোনে শহিদুল ইসলামের স্ত্রী বলে পরিচয় দেওয়ার বিষয়েও তিনি ব্যাখ্যা দেন। তার ভাষ্য, প্রথম স্ত্রী আগে থেকেই জান্নাত আরাকে শহিদুল ইসলামের স্ত্রী হিসেবে চিনতেন। তাই বিষয়টি শান্তভাবে উপস্থাপনের জন্য তিনি সেই পরিচয় ব্যবহার করেছিলেন।

ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির প্রশ্ন তোলেন, তিনি বা জান্নাত আরা কোনো আইন ভঙ্গ করেছিলেন কি না? তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশ তাদের কক্ষে প্রবেশ করে এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যক্তিগত কল রেকর্ড ফাঁস করা হয়। এসব কর্মকাণ্ডের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

তার দাবি, তিনি রাষ্ট্রীয় আইন কিংবা শরিয়তের আইন কোনোটিই লঙ্ঘন করেননি। তারপরও তাকে লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হয়েছে।

গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ

পোস্টে মামুনুল হক দাবি করেন, রিসোর্ট ঘটনার পর তৎকালীন এনএসআই মহাপরিচালক তার সঙ্গে বৈঠক করেন এবং তাকে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার প্রস্তাব দেন। তবে তিনি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন বলে দাবি করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, জান্নাত আরা, তার বাবা, সাবেক স্বামী ও পরিবারের সদস্যদের ওপর বিভিন্ন ধরনের চাপ প্রয়োগ করা হয়েছিল। জান্নাত আরাকে দীর্ঘ সময় হেফাজতে রাখা হয়েছিল বলেও তিনি দাবি করেন।

আদালত ও সাক্ষ্য প্রসঙ্গে মামুনুল হক বলেন, জান্নাত আরার ছেলে আব্দুর রহমানকে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিতে উৎসাহিত করা হয়েছিল। তবে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তিনি প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরেন বলে দাবি করেন। এতে সংশ্লিষ্টদের পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়ে যায় বলে দাবি করেন তিনি।

‘মুতা বিয়ে’ প্রসঙ্গে ফেসবুকে মামুনুল হক জানান, তার বিরুদ্ধে ‘চুক্তিভিত্তিক বিয়ে’, ‘সাময়িক বিয়ে’ বা ‘মুতা বিয়ে’র যে অভিযোগ প্রচার করা হয়েছিল তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি দাবি করেন, জান্নাত আরার সঙ্গে তার বিয়ে ছিল শরিয়তসম্মত ইসলামি বিয়ে।

জান্নাত আরার বর্তমান অবস্থান প্রসঙ্গে মামুনুল হক জানান, ২০১৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক ছিল। তবে ২০২১ সালের ঘটনার পর বিভিন্ন মনোমালিন্যের কারণে আলোচনার মাধ্যমে ২০২৫ সালের মার্চে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।

তিনি দাবি করেন, বিচ্ছেদের আগ পর্যন্ত এবং নিজের কারাবাসকালেও জান্নাত আরার ভরণপোষণসহ প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিত করেছিলেন।

দীর্ঘ ফেসবুক পোস্টে চরিত্র হননের অভিযোগ তুলে মামুনুল হক দাবি করেন, রাজনৈতিক ও আদর্শগত মতপার্থক্যের কারণে তার বিরুদ্ধে চরিত্রহননের চেষ্টা হয়েছে। আদালতেও তাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তার ভাষ্য, বিভিন্ন সময় তাকে দিয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে কিংবা আল্লামা বাবুনগরীর বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ানোর চেষ্টা করা হলেও তিনি তাতে রাজি হননি।

পোস্টের একটি বড় অংশে মামুনুল হক হজরত আয়েশা (রা.)-এর বিরুদ্ধে অপবাদ রটনার ঐতিহাসিক প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তিনি বলেন, কুৎসা রটনাকারীদের কথা বলে সত্যকে আড়াল করা যায় না। তবে তিনি স্পষ্ট করেন যে নিজের সঙ্গে হযরত আয়েশা (রা.)-এর কোনও তুলনা করছেন না, বরং ঘটনাটি থেকে অনুপ্রেরণা নিচ্ছেন।

মাওলানা মামুনুল হক দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে প্রচারণা ছিল তৎকালীন সরকারের বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রকল্পের অংশ। তিনি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অতীতে পরিচালিত চরিত্রহননের প্রচারণার উদাহরণও টানেন। একই সঙ্গে রাজনৈতিক মতভিন্নতার কারণে ইসলামপন্থি কিছু ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন।

পোস্টের এক পর্যায়ে পবিত্র কোরআনের সূরা আল ইমরানের ৬১ নম্বর আয়াত উদ্ধৃত করে তিনি ‘মুবাহালা’র আহ্বান জানান। তিনি বলেন, তার বক্তব্যকে মিথ্যা প্রমাণ করতে চাইলে যে কেউ তার সঙ্গে এ ধরনের চ্যালেঞ্জে অংশ নিতে পারেন।

‘৫০১’ কে বিজয়ের প্রতীক ঘোষণা

মামুনুল হক জানান, ‘৫০১ তার কাছে কোনও নেতিবাচক বিষয় নয়। বরং এটি তার ভাষায় ‌‌‘ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার দোসরদের পরাজয়ের দলিল। ৫০১ কে তারা বিজয়ের প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করছেন এবং ভবিষ্যতে এটি উদযাপন করবেন। যেখানে এ প্রসঙ্গ উত্থাপিত হবে, সেখানে ‘৫০১’-এর বার্তা পৌঁছে দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পলাতক ফ্যাসিস্টরা দেশকে অশান্তের চেষ্টা করছে, এতে বাতাস দিচ্ছে গুপ্তরা: রিজভী
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, পলাতক ফ্যাসিস্টরা বাইরে থেকে দেশকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে, আর এতে বাতাস দিচ্ছে দেশের ভেতরে থাকা গুপ্ত ও সুপ্তরা। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। রিজভী বলেন, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে দাবি করে সড়কে নেমেছে একটি পক্ষ। কিন্তু পৃথিবীর অনেক দেশেই সংকট চলছে। বিরোধীদলের যারা বড় বড় কথা বলছেন, তাদের খবরের কাগজ পড়া উচিত। বিরোধী দল এখন যেভাবে নির্বিঘ্নে কথা বলছে, এটা ১৭ বছর করা যায়নি। জামায়াত এক হাজার গাড়ি নিয়ে লং মার্চ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‌এত জ্বালানি অপচয় না করলে রাষ্ট্রের সাশ্রয় হতো। জনগণ এসব বোঝে।  রিজভী বলেন, এত সংকটের পরেও সরকার জনগণকে সর্বোচ্চ দিচ্ছে। তারেক রহমানের সরকার অর্থনীতির উন্নতির দিকে যাচ্ছে। বর্তমান সরকার সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের চেষ্টা করছে।  আরটিভি/এসআর  
পলাতক ফ্যাসিস্টরা দেশকে অশান্তের চেষ্টা করছে, এতে বাতাস দিচ্ছে গুপ্তরা: রিজভী
‘ভিডিও ভাইরালের’ হুমকি দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না সেই এনসিপি নেতার 
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কলেজছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গাজীপুরের কালীগঞ্জে জাহিদ মুন্সি (২৬) নামে এক এনসিপি নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) কালীগঞ্জ থানা পুলিশ এই সংবাদ নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তার কালীগঞ্জ পৌরসভার মুনসেফপুর গ্রামের জাকির মিস্ত্রির ছেলে। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব ছিলেন। মামলা হওয়ার পর দল থেকে তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। মামলা সূত্রে জানা গেছে, চার মাস আগে কালীগঞ্জ পৌরসভার মুনসেফপুর গ্রামের জাকির মিস্ত্রির ছেলে জাহিদ মুন্সির দোকানে ঘড়ি কিনতে গিয়ে জাহিদের সঙ্গে পরিচয় হয় ভুক্তভোগী নারীর। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে একটি গেস্ট হাউসে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন জাহিদ। এসময় ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিওধারণ করে রাখেন তিনি। পরে ওই ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাকে মিরের বাজারের একটি গেস্ট হাউস, বিভিন্ন হোটেল, রিসোর্ট ও সরকারি শ্রমিক কলেজের পেছনে রেলওয়ে স্টেশনের পরিত্যক্ত স্টাফ কোয়ার্টারসহ অন্যান্য স্থানে নিয়ে গিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এরপর ওই কলেজছাত্রী জাহিদকে বারবার বিয়ের জন্য চাপ দিলে তাকে মারধর করেন তিনি। পরে ওই নারী বড় বোনকে সঙ্গে নিয়ে জাহিদ মুন্সির বাড়িতে গিয়ে জানতে পারেন জাহিদ একাধিক বিয়ে করেছেন এবং তার একটি সন্তানও রয়েছে। পরে ভুক্তভোগীর বড় বোন বাদী হয়ে ১২ সেপ্টেম্বর কালীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ বিষয়ে জানতে জাহিদের সঙ্গে মোবাইলে ও বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি। জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির গাজীপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক এম এম শোয়াইব বলেন, এনসিপির গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার যুগ্ম সদস্যসচিব জাহিদ মুন্সির (২৬) বিরুদ্ধে দলীয় নীতি, আদর্শ ও নৈতিকতার পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের গুরুতর অভিযোগ পাওয়ায় তাকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব সাংগঠনিক দায়িত্ব ও পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, আসামি জাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আরটিভি/এসএস
‘ভিডিও ভাইরালের’ হুমকি দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না সেই এনসিপি নেতার 
জামায়াত-শিবিরের লাগাম টেনে না ধরলে হাসিনার থেকেও ভয়ংকর হবে: রাশেদ খাঁন
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, ছাত্রলীগের ভয়ে যারা একসময় গুপ্ত ছিল, কেউ কেউ ছাত্রলীগ হয়ে বেঁচে ছিল, তারা কীভাবে ছাত্রদলকে কুত্তার মতো পিটিয়ে রাজশাহী ছাড়া করতে চায়-এ প্রশ্নের জবাব দিতে হবে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি। পোস্টে তিনি বলেন, ছাত্রদল রাজপথে না থাকলে তো ছাত্রলীগ জামায়াত-শিবিরকে পিটিয়ে আবারও গুপ্ত বানিয়ে দিবে, এই বাস্তবতা কেন এরা বুঝতে চায় না? রাশেদ খাঁন আরও বলেন, এরা বিরোধীদল হয়েই কুত্তার মতো পিটিয়ে সরকারি দলের লোকজনকে এলাকা ছাড়া করতে চায়, ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে কি করবে, তা নিশ্চয়ই অননুমেয় না? জামায়াত-শিবির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিরোধীদল হয়েই জামায়াত-শিবির মজলুম থেকে জালিম হয়ে গেছে। সুতরাং জামায়াত জালিমের পরিণতি আওয়ামী জালিমের মতোই হবে! তিনি আরও বলেন, বাস্তবিক অর্থে, এদেরকে কাঁচুমাচু করে দেশ পরিচালনার সুযোগ নেই। এরা শেখ হাসিনার পথ ধরেছে। শেখ হাসিনা যেমন বলেছিলো, বিএনপিকে ১ দিনও শান্তিতে দেশ চালাতে দিবে না। এরাও সেই পথ অনুসরণ করছে। রাশেদ খাঁন বলেন, সুতরাং জামায়াত-শিবিরের লাগাম টেনে না ধরলে এরা শেখ হাসিনার থেকেও ভয়ংকর হয়ে উঠবে। আরটিভি/এসকে
জামায়াত-শিবিরের লাগাম টেনে না ধরলে হাসিনার থেকেও ভয়ংকর হবে: রাশেদ খাঁন
ছাত্রদলকে ‘কুত্তার মতো পেটানোর’ হুমকি শিবির নেতার
ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেলে ছাত্রদলের প্রত্যেক নেতা–কর্মীকে ‘কুত্তার মতো পিটিয়ে’ রাজশাহী ছাড়া করার হুমকি দিয়েছেন মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইমরান নাজির।
ছাত্রদলকে ‘কুত্তার মতো পেটানোর’ হুমকি শিবির নেতার
বেপরোয়া ছাত্রশিবিরকে মুখে ও হাতে লাগাম লাগানোর পরামর্শ দিচ্ছি: নাছির
বেপরোয়া ছাত্রশিবিরকে মুখে ও হাতে লাগাম লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির।
405363
আরও পড়ুন
ইরানে খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন এনসিপি-জামায়াত-খেলাফত মজলিসের প্রতিনিধিদল
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা 
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
ভোট দিলেন মামুনুল হক