সন্তানের সাফল্যে আরটিভি গর্বিত সম্মাননা পেলেন ৫ বাবা
‘বাদশা বাবর কাঁদিয়া ফিরিছে, নিদ নাহি চোখে তার/ পুত্র তাহার হুমায়ুন বুঝি বাঁচে না এবার আর!/ চারিধারে তার ঘনায়ে আসিছে মরণ-অন্ধকার।/...মরিল বাবর– না, না ভুল কথা, মৃত্যু কে তারে কয়?/ মরিয়া বাবর অমর হয়েছে, নাহি তার কোন ক্ষয়,/ পিতৃস্নেহের কাছে হইয়াছে মরণের পরাজয়!’
‘জীবন বিনিময়’ কবিতায় গোলাম মোস্তফা তুলে ধরেছেন সন্তানের প্রতি বাবার ভালোবাসার হৃদয়স্পর্শী চিত্র। যেখানে সন্তানের রোগমুক্তির আশায় নিজের জীবন উৎসর্গ করেন বাবা। মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট বাবর সন্তানের প্রতি ভালোবাসার এক অনন্য উদাহরণ হয়ে আছেন।
একজন বাবাকে সন্তানের সাফল্যের জন্য জীবনের অনেক কিছু ত্যাগ করতে হয়। আর সেইসব বাবাদের সম্মান জানাতে আরটিভির আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘গর্বিত বাবা সম্মাননা’ প্রদান অনুষ্ঠান। এবারের বিশ্ব বাবা দিবসে পাঁচ গর্বিত বাবাকে সম্মাননা দিয়েছে আরটিভি।
রোববার (১৬ জুন) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া স্টুডিওতে জমকালো আয়োজনে নিটল টাটার সৌজন্যে ৫ জন বাবার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে এ সম্মাননা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশ বরেণ্য ব্যক্তিবর্গসহ শোবিজ অঙ্গনের অনেক তারকা।
অনষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আরটিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সৈয়দ আশিক রহমান। এরপর একে একে অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা বক্তব্য প্রদান করেন।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, বাবারাই সন্তানদেরকে মানুষের মতো মানুষ করার জন্য জীবনযুদ্ধে লড়াই করে যান। মায়েরা ঘরে থেকে সেই লড়াইকে এগিয়ে নিয়ে যান। ঈদ উৎসবসহ সকল ক্ষেত্রে দেখা যায় সন্তানদের আবদার মিটাতে গিয়ে বাবা নিজের জন্য নতুন জামা বা জুতাটাও কেনা হয় না। একজন ভালো বাবা সন্তানের জন্য সবচেয়ে বড় সম্পদ। আরটিভি আজ যে সম্মাননা জানাচ্ছে এতে করে সমাজে ভালো এবং সফল মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধিতে প্রেরণা হয়ে থাকবে।
এ সময় প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সৈয়দ আশিক রহমান তার বাবাকে স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, বাবা হচ্ছে সন্তানের কাছে আয়নার মতো, যেখানে প্রতিফলিত হয় তার আদর্শ, বিবেক ও ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি। জীবনসংগ্রামের এক অকুতোভয় সৈনিক তিনি। সব ধরণের হতাশা আর কষ্ট ভুলে দিন শেষে মুচকি হেসে সন্তানদের বুকে জড়িয়ে ধরতে পারেন শুধু বাবারাই। সমাজে বাবাদের অসীম অবদান ও ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় আরটিভি আজ এমন ৫জন বাবার হাতে ‘নিটল টাটা আরটিভি গর্বিত বাবা সম্মাননা ২০২৪’ পদক তুলে দিতে যাচ্ছে যারা সকল প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে নিজের সন্তানকে মানুষের মতো মানুষ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাদের এই সম্মাননা প্রাপ্তি অন্য বাবাদের জন্য অনুপ্রেরণা হবে বলে আমার বিশ্বাস।
এ সময় নিটল টাটার সৌজন্যে আরটিভির গর্বিত বাবাদের সম্মাননা দেওয়ার এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
নিটল নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান আব্দুল মাতলুব আহমাদ বলেন, ছোটবেলায় আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ গল্পটি যখন থেকে মনে জায়গা পেল, তখন থেকে ভাবতাম আমিও যদি আশ্চর্য প্রদীপটি পেতাম, তাহলে কতই না ভালো হতো! কিন্তু আস্তে আস্তে উপলব্ধি করি, রূপকথার সে গল্পে তো মাত্র তিনটি ইচ্ছা পূরণ করা সম্ভব। অথচ বাস্তব জীবনে যত ইচ্ছা, স্বপ্ন-আবদার আছে, নিজে কষ্ট করে হলেও সন্তানের হাতের কাছে এনে দিচ্ছে যে মানুষ, তিনি তো বাবা। বাবার জীবনের একমাত্র লক্ষ্যই যেন সন্তানের মুখে হাসি ফোঁটানো। বাবার জন্য ভালোবাসা।
এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিডেট-এর ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (কমার্শিয়াল) কাজী আমিরুল হক শিবলী বলেন, আমরা সবাই জানি, পরিবারের প্রধান হিসেবে বাবার অবদান অস্বীকার করা যায় না। বাবা এমন একজন মানুষ যার মন সর্বদা অস্থির থাকে পরিবারের খরচ জোগান দেওয়ার জন্য। যিনি সন্তানের খাদ্য, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা ও লেখাপড়া নিয়ে বেশি চিন্তিত তিনিই আমাদের বাবা। প্রতিটি বাবাই নিজের জীবনের সর্বোচ্চ চেষ্টাটুকু করে যান সন্তানকে মানুষের মতো মানুষ করে অনেক বড় করতে।
সম্মাননা প্রাপ্ত বাবারা বলেন, সন্তানদের জন্য আমরা যা করেছি তা আমাদের দায়িত্ববোধ ও ভালোবাসা থেকেই করেছি কিন্তু আরটিভি আমাদেরকে যে সম্মাননা দিলো তার আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। সন্তনের সফলতার চেয়ে বড় কোন আনন্দ নেই। আমাদের এ সম্মাননা প্রাপ্তির পেছনে আজও সন্তানরাই বড় শক্তি।
আরটিভি ‘গর্বিত বাবা সম্মাননা-২০২৪’ পাওয়া বাবারা হচ্ছেন- ডা. মারিয়া সুলতানা ও ইঞ্জিনিয়ার জাহিদ হাসানের বাবা কুদ্দুস আলী, সহকারী জর্জ তানিয়া আক্তারের বাবা আব্দুর রেজ্জাক, ফুটবলার মনিকা চাকমার বাবা বিন্দু চাকমা, মেডিকেল ছাত্র রমজান আলীর বাবা নুর মোহাম্মদ, কণ্ঠশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমার বাবা ফজলুল হক।
অনুষ্ঠানে গর্বিত বাবাদের হাতে অ্যাওয়ার্ড তুলে দিয়েছেন ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম এবং উত্তরীয় পরিয়ে দেন বিশেষ অতিথিরা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সংগীতশিল্পী জনাব লিনু বিল্লাহ, সংগীত ব্যাক্তিত্ব জনাব মো. খুরশিদ আলম, অভিনয় শিল্পী জনাব আহসানুল হক মিনু, বিশিষ্ট বাউল সংগীতশিল্পী জনাব শফি মন্ডল, অভিনয়শিল্পী ও উপস্থাপক শান্তা ইসলাম, সংগীত শিল্পী আলম আরা মিনু প্রমুখ।
বিশ্বের সব বাবাদের সম্মান জানাতে প্রতিবছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার পালন করা হয় ‘বিশ্ব বাবা দিবস’। দিবসটি ঘিরে নানাভাবে শুভেচ্ছা জানায় আরটিভি। বাবা দিবসে বিশ্বের সব বাবাদের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা জানান আরটিভির নির্বাহী কর্মকর্তা।
আরটিভি-এসএমসি মনিমিক্স প্রেরণা পদক পেলেন যারা
শিশু-কিশোর-কিশোরী এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতিসহ সার্বিক উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখায় আরটিভি এসএমসি মনিমিক্স প্রেরণা পদক-২০২৩ পেয়েছেন তিন ব্যক্তি ও দুই প্রতিষ্ঠান।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) রাজধানীতে বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া স্টুডিওতে এক জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে পদকপ্রাপ্তদের সম্মাননা স্মারক প্রদান ও উত্তরীয় পরিয়ে দেওয়া হয়। কাজের এমন স্বীকৃতি দেওয়ায় আরটিভির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন পদকপ্রাপ্তরা।
পুরো আয়োজনটি আরটিভির পর্দায় শুক্রবার (২৪ মে) বিকেল সাড়ে ৫টায় প্রচার করা হয়। ২০১৮ সাল থেকে প্রতিবছর ‘আরটিভি এসএমসি মনিমিক্স প্রেরণা পদক’ দেওয়া হচ্ছে। এবার ষষ্ঠ বারের মতো এই সম্মাননা দেওয়া হলো।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন ইউএসএআইডি/বাংলাদেশ এর মিশন ডিরেক্টর রিড এশলিম্যান, আরটিভির চেয়ারম্যান মোরশেদ আলম এমপি, ভাইস চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হুমায়ুন কবির বাবলু, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমানসহ আরও অনেকে।
আরটিভির কর্তাব্যক্তিরা বলেন, বৈচিত্র্যপূর্ণ সব অনুষ্ঠান নিয়ে কাজ করে আরটিভি। এটি তারই ধারাবাহিকতা। কাজের স্বীকৃতি দিলে মানুষ অনুপ্রেরণা পায়। শুরু থেকেই প্রেরণা পদকের পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছে এসএমসি। এমন কাজের সঙ্গে থাকতে পেরে গর্বিত তারাও।
অতিথিরা বলেন, সবসময় ভালো কাজের স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। সে কাজটিই করে যাচ্ছে আরটিভি। পদকপ্রাপ্তরা দেশ গড়ার কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তারা।
এ বছর মোট তিনজন ব্যক্তি ও দুই প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছে আরটিভি-এসএমসি মনিমিক্স প্রেরণা পদক। অদম্য কিশোরী ক্যাটাগরিতে জাহ্নবি রহমান, শিশুসাহিত্য ক্যাটাগরিতে পলাশ মাহবুব, মেধাবী কিশোর ক্যাটাগরিতে মো. মাইনুল ইসলাম পদক পেয়েছেন, শিক্ষা বিস্তার ক্যাটাগরিতে কমরেড রতন সেন কলেজিয়েট গার্লস স্কুলের পক্ষে পদক গ্রহণ করেন সভাপতি এস এম রোমিও হোসেন পিয়াস এবং শিশু-কিশোর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ক্যাটাগরিতে রঙমহলের পক্ষে পদক নেন প্রতিষ্ঠাতা আলভী শেখ।
অনুষ্ঠানে সম্মাননা প্রদানের ফাঁকে ফাঁকে শিশু-কিশোর ও শিল্পীদের অংশগ্রহণে সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করা হয়।
২৬ জনের পরিবার থেকে যেভাবে সন্তানদের পড়ালেখা করিয়েছেন নাজমিন হক
বিজ্ঞান ও আইসিটিতে রাষ্ট্রীয় শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষক আফরীনা হক। তার কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্প্রতি তার মা মিসেস নাজমিন হক পেয়েছেন ‘আরটিভি স্বপ্নজয়ী মা সম্মাননা ২০২৪’।
রোববার (১২ মে) বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে আরটিভির পক্ষ থেকে তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
এ সময় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে নাজমিন হক বলেন, অনেক আনন্দ লাগছে। দোয়া রইলো আরটিভির জন্য। কোনোদিন ভাবতেও পারিনি মেয়ের জন্য আমাকে এখানে আসতে হবে।
মায়ের সম্মাননা প্রাপ্তি নিয়ে শিক্ষিকা আফরীনা হক বলেন, আমার মা ১৫ বছর বয়সে ঢাকা এসেছিলেন তার বোনের বাসায় বেড়াতে। সেখান থেকে পছন্দ হয়ে তার বিয়ে হয়। আমাদের পরিবারে তখন সদস্য সংখ্যা ছিল ২৬ জনের ওপরে। তো ওই রকম একটা জায়গা থেকে (গ্রাম থেকে) এসে এতো বড় পরিবারের দায়িত্ব নেওয়াটা সোজা কথা ছিল না।
তিনি আরও বলেন, আমাদের জন্য মা যে ত্যাগটা করেছেন তা বলে শেষ করা যাবে না। একটা পর্যায়ে আমাদের পড়ালেখা করতে অনেক সমস্যা হতো, যেহেতু এতগুলো মানুষ। তখন তিনি বাসার কাছেই আরেকটি বাসা ভাড়া নেন এবং আমাদের দুই ভাই-বোনের পড়ালেখার ব্যবস্থা করে দেন।
আফরীনা হক বলেন, আমি এই মঞ্চে মাকে ধন্যবাদ দিতে চাই এত কষ্ট সহ্য করে আমাদেরকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য।
বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে আরটিভি দ্বিতীয় বারের মতো আয়োজন করে ‘আরটিভি স্বপ্নজয়ী মা সম্মাননা ২০২৪’। সেখানে সম্মাননা পেয়েছেন বৈমানিক সামিহা তাসনিম’র মা মিসেস শাহনাজ খানম।
রোববার (১২ মে) বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে আরটিভির পক্ষ থেকে তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
এ সময় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে শাহনাজ খানম বলেন, একটা মেয়ে হিসেবে বৈমানিক হওয়াটা সহজ ছিল না। জার্নিটা অনেক কঠিন ছিল। সেটাতে আমার স্বামী সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করেছেন। তারপরে আমি।
তিনি আরও বলেন, ছোটবেলা থেকেই মেয়ের ইচ্ছা ছিল বৈমানিক হওয়ার। সেটাকে আমরা এগিয়ে নিয়ে গিয়েছি। শত প্রতিবন্ধকতার মাঝেও চেয়েছি ও স্বপ্নটা পূরণ করুক। সামনে এগিয়ে যাক। আল্লাহর ওপর ভরসা করে সেটাই করেছি।
শাহনাজ খানম বলেন, মা হিসেবে এই মঞ্চে দাঁড়াবো সেটা কখনো ভাবিনি। বা কখনো এখানে আসতে পারবো, এটাও চিন্তা করিনি। এজন্য সর্বপ্রথম মহান সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ জানাই। তারপর যারা এই সম্মাননার আয়োজন করেছেন, আমাকে এবং আমার মেয়েকে এখানে নিয়ে এসেছেন সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
মায়ের সম্মাননা প্রাপ্তি নিয়ে বৈমানিক সামিহা তাসনিম বলেন, এই মুহূর্তটা আমার জন্য সত্যিই অনেক গর্বের ও সম্মানের। আর আমার জন্য আমার মাকে আজকে সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে, এটা আমার জন্য মনে হয় জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া।
তিনি আরও বলেন, পুরুষতান্ত্রিক সমাজে মেয়ে হিসেবে এগিয়ে যাওয়া, নিজেকে প্রতিটি ধাপে প্রমাণ করা, আসলে এই সাহসটা কিন্তু আমি আমার মায়ের কাছ থেকে পেয়েছি। হ্যাঁ, অবশ্যই আর্থিক কিংবা অনুপ্রেরণার জায়গা থেকে আমার বাবাও সমান কৃতিত্ব পান।
সবশেষে সামিহা বলেন, আজ আমার এই পর্যন্ত আসার পেছনে পুরো কৃতিত্বই মায়ের।
আরও পড়ুন
লাইনচ্যুত পঞ্চগড় এক্সপ্রেসের ৬ বগি, মধ্যরাতে ভোগান্তিতে যাত্রীরা