ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

সামর্থ্যবান স্বামী-স্ত্রীর পৃথক কোরবানি দেওয়া কী ওয়াজিব

আরর্টিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৬, ০৯:১২ এএম
ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে অনেকের মনে প্রশ্ন—সামর্থ্যবান স্বামী-স্ত্রীর কোরবানি কি একসঙ্গে হবে, নাকি আলাদা আলাদা করতে হবে? ইসলামি শরিয়তের ব্যাখ্যায় এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।

শরিয়ত অনুযায়ী, প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক, জ্ঞানসম্পন্ন ও মুকিম মুসলমানের ওপর কোরবানি ওয়াজিব হয়, যদি তিনি নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হন। ১০ জিলহজের ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কারও কাছে প্রয়োজনের অতিরিক্ত সাড়ে সাত তোলা সোনা বা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপা কিংবা তার সমমূল্যের নগদ অর্থ বা সম্পদ থাকলে তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব হয়ে যায়। বর্তমানে রুপার মূল্যকে মানদণ্ড হিসেবে ধরা হয়।

স্বামী-স্ত্রী উভয়েই যদি আলাদাভাবে নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হন, তবে তাদের ওপর পৃথকভাবে কোরবানি করা ওয়াজিব। একে অপরের কোরবানি দিয়ে দিলে তা উভয়ের জন্য যথেষ্ট হবে না।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন—

“সুতরাং তোমার রবের উদ্দেশ্যে নামাজ আদায় করো এবং কোরবানি করো।” (সূরা কাউসার: ২)

এই নির্দেশ প্রত্যেক সামর্থ্যবান ব্যক্তির জন্য আলাদাভাবে প্রযোজ্য বলে ফিকহের ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

অনেক সময় দেখা যায়, স্ত্রীর কাছে নগদ টাকা না থাকলেও সোনা বা রুপার অলংকার থাকে। যদি এসব মিলিয়ে তার সম্পদের মূল্য নিসাব পরিমাণ হয়, তাহলে তার ওপরও কোরবানি ওয়াজিব হয়ে যায়।

কোরবানি আদায়ের ক্ষেত্রে স্বামী ও স্ত্রী চাইলে আলাদা দুটি পশু কোরবানি দিতে পারেন। আবার বড় পশু যেমন গরু বা উটে সর্বোচ্চ সাতজন শরিক হতে পারেন। সে ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী আলাদা দুটি অংশ নিয়ে একই পশুতে শরিক হয়েও কোরবানি আদায় করতে পারেন।

তবে শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, কোরবানি মূলত যার সম্পদ, তার ওপরই ওয়াজিব। তাই স্ত্রী সামর্থ্যবান হলে স্বামী যদি নিজের অর্থ দিয়ে স্ত্রীর পক্ষ থেকে কোরবানি আদায় করেন, তবে স্ত্রীর অনুমতি থাকলে তা বৈধ হবে এবং স্ত্রীর কোরবানি আদায় হিসেবে গণ্য হবে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রাজশাহীতে আরটিভির ১৭তম জাতীয় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার অডিশন অনুষ্ঠিত
পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে ১৪ বছর বয়সী হাফেজদের অংশগ্রহণে শুরু হয়েছে আরটিভির ১৭তম জাতীয় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা ‘জিপিএইচ ইস্পাত আলোকিত কোরআন-২০২৭’, পাওয়ার্ড বাই আরএফএল পাইপ অ্যান্ড ফিটিংস-এর রাজশাহী জোনের অডিশন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাজশাহীর রওজাতুস সালেহীন মসজিদ ও মাদ্রাসা কমপ্লেক্সে অডিশন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই বিভিন্ন মাদ্রাসা থেকে পবিত্র কোরআনের হাফেজরা সেখানে সমবেত হন। অংশগ্রহণকারী প্রায় শতাধিক প্রতিযোগীকে দিনভর বিভিন্নভাবে যাচাই-বাছাই শেষে বিচারকেরা সেখান থেকে প্রাথমিকভাবে ১০ জন হাফেজকে বাছাই করে নেন। এ সময় বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাফেজ ক্বারি গোলাম রাব্বি, হাফেজ মাওলানা ইকবাল হোসাইন ও হাফেজ মাওলানা আল আমিন। আরটিভি/টিআর
রাজশাহীতে আরটিভির ১৭তম জাতীয় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার অডিশন অনুষ্ঠিত
চুপ থাকার ৫ উপকারিতা ও ফজিলত
ইসলামে জিহ্বার হেফাজতকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় ও অসংযত কথাবার্তা থেকে বিরত থাকা একজন মুমিনের গুরুত্বপূর্ণ চারিত্রিক গুণ।
চুপ থাকার ৫ উপকারিতা ও ফজিলত
২০২৭ সালে দুই দিন মহাঅষ্টমী, জেনে নিন দুর্গাপূজার দিনক্ষণ
বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসবের এবারের উৎসব। তবে দেবীকে বিদায় জানানোর পর এই মুহূর্তে ভক্তদের মনে প্রশ্ন আগামী বছর আবার কবে আসবেন দেবী দুর্গা?
২০২৭ সালে দুই দিন মহাঅষ্টমী, জেনে নিন দুর্গাপূজার দিনক্ষণ
আজকের নামাজের সময়সূচি
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ-
আজকের নামাজের সময়সূচি
ভক্তের চোখের জলে দেবীদুর্গার বিসর্জনযাত্রা
পূজা, আনন্দ আর মিলনমেলার শেষে শুরু হয়েছে বিদায়ের পালা। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। চারদিকে শঙ্খনাদ, উলুধ্বনি, ঢাকের বাদ্য আর ভক্তদের ‘বলো দুগ্গা মাই কি জয়’ ধ্বনির মধ্য দিয়ে আনন্দ ও বিষাদের মিশ্র অনুভূতিতে শুরু হয়েছে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জনের বর্ণাঢ্য বিজয়া শোভাযাত্রা। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির (পলাশী মোড়) থেকে এ যাত্রা শুরু হয়। রাজধানীর বিভিন্ন মণ্ডপ থেকে আসা প্রতিমা নিয়ে জগন্নাথ হল, দোয়েল চত্বর, গুলিস্তান মোড়, নবাবপুর রোড ও রায়সাহেব বাজার হয়ে বুড়িগঙ্গার ওয়াইজঘাটে গিয়ে এই শোভাযাত্রা শেষ হওয়ার কথা। রাত ১০টার মধ্যে শোভাযাত্রা গন্তব্যে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। হিন্দু ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, মহালয়ার দিন ‘কন্যারূপে’ মর্ত্যে আসা দেবী দুর্গা টানা পাঁচ দিনের পূজার পর দশমীর দিন পিতৃগৃহ ছেড়ে কৈলাসে স্বামীগৃহে ফিরে যান। অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে দেবীর এই বিজয়ের কারণে দিনটি ‘শুভ বিজয়া’ হিসেবে উদযাপিত হলেও বিদায়বেলায় ভক্তদের হৃদয় বিষাদে আপ্লুত হয়। এদিন সকালে বিজয়া দশমীর শাস্ত্রীয় আনুষ্ঠানিকতা এবং দুপুরে সধবা নারীদের সিঁদুর খেলার মধ্য দিয়ে বিদায়পর্ব শুরু হয়। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে সকাল ৭টায় দশমীর বিহিত পূজা শুরু হয়। সকাল ৯টায় দর্পণ বিসর্জনের মাধ্যমে পূজার শাস্ত্রীয় সমাপ্তি ঘটে। এরপর সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে বিজয়া দশমীর অন্যতম প্রধান আকর্ষণ—সিঁদুর খেলা। স্বামীর দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ কামনায় সধবা নারীরা দেবীর চরণে সিঁদুর নিবেদন করেন। এরপর তারা একে অপরের কপালে ও গালে সিঁদুর মেখে উল্লাসে মেতে ওঠেন। বিদায়বেলায় মণ্ডপে আসা ভক্ত ও কারিগরদের চোখেমুখে ছিল বিষাদের ছায়া। পুরান ঢাকার ওয়ারীর বাসিন্দা কারিগর চন্দন চন্দ্র দাস বলেন, মা দুর্গা আমাদের আরাধ্য দেবী। জগতের সব শক্তির উৎস তিনি। আজ আবার ধরাধাম থেকে তিনি মৃন্ময়ী থেকে চিন্ময়ীতে চলে যাবেন। জগতের অশুভ শক্তি বিনাশ হোক— এই প্রার্থনা নিয়েই মাকে বিদায় জানাচ্ছি। লালবাগের বাসিন্দা শ্রাবণী দাস গত বছরের চেয়ে এবার বেশি আনন্দ করেছেন জানিয়ে বলেন, আজ একটু কষ্ট হচ্ছে। আবার এক বছর পর মায়ের সঙ্গে দেখা হবে। তবে ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে এবার সিঁদুর খেলায় অংশ নিতে না পারার আক্ষেপও ঝরে তার কণ্ঠে। শিক্ষক সীমা রানী পাল এবারই প্রথম ট্রাকে করে বিসর্জন শোভাযাত্রায় অংশ নিচ্ছেন। শহর ও গ্রামের পূজার পার্থক্য টানতে গিয়ে তিনি বলেন, শহরে উৎসবটা সবার হয়ে যায়। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি মুসলিম সহকর্মী ও তাদের সন্তানদেরও রাতে পূজা দেখতে আসতে দেখা যায়। এ কারণে শহরে সম্প্রীতির মেলবন্ধনটা বেশি। ঢাকেশ্বরীর ব্যতিক্রমী বিসর্জন দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে। তবে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের বিসর্জনে রয়েছে নিজস্ব ঐতিহ্য। এখানকার মূল প্রতিমাটি বিসর্জন দেওয়া হয় না। এ বিষয়ে শুভাশিষ কুমার বিশ্বাস সাধন বলেন, ঢাকেশ্বরী মন্দিরে দেবী দুর্গা স্বয়ং অধিষ্ঠিত। মন্দির প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ঐতিহ্য রয়েছে, এই প্রতিমা আমরা এক বছর সংরক্ষণ করি। পরবর্তী পূজার আগে বিসর্জন দেওয়া হয়। এবার প্রতীকী হিসেবে সপ্তমী পূজার দিন প্রতিষ্ঠা করা কলাবউ বা কলাগাছটি বিসর্জন দেওয়া হবে। এ বছর রাজধানীর বিভিন্ন মণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জনের জন্য বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদের মোট ১১টি ঘাট নির্ধারণ করা হয়েছে। এবার ঢাকা মহানগরে ২৫৮টিসহ সারা দেশে মোট ৩৩ হাজার ৮৫১টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আরটিভি/এমএ মালয়েশিয়ায় অবৈধ বিদেশিদের ধরতে এবার সেনা মোতায়েনের প্রস্তাব সংসদে এস এ সৌরভ মালয়েশিয়া প্রতিনিধি  মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের আটক করে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে দেশজুড়ে বড় ধরনের অভিযান চালানোর প্রস্তাব দিয়েছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্য দাতুক ড. রাদজি জিদিন। এ কাজে ইমিগ্রেশন বিভাগের পাশাপাশি সেনাবাহিনীসহ সরকারের বিভিন্ন সংস্থাকে যুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। আজ ১৯ অক্টোবর সোমবার কুয়ালালামপুরে মালয়েশিয়ার সংসদে ২০২৭ সালের জাতীয় বাজেট নিয়ে আলোচনার সময় তিনি এ প্রস্তাব দেন। রাদজি জিদিন পেরিকাতান ন্যাশনাল জোটের পুত্রাজায়া আসনের সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন। ইমিগ্রেশন বিভাগের জনবল পর্যাপ্ত না হলে সরকারের অন্যান্য সংস্থার সহায়তা নেওয়া যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে সেনাসদস্যদেরও অভিযানে যুক্ত করার প্রস্তাব দেন তিনি। রাদজি জিদিন আরও বলেন, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে, যাতে অবৈধ পথে বিদেশিদের প্রবেশ বন্ধ করা যায়। পাশাপাশি বিদেশি কর্মী নিয়োগের শর্ত আরও কঠোর করা এবং ইমিগ্রেশন আটককেন্দ্রে থাকা অবৈধ অভিবাসীদের দ্রুত নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি  
ভক্তের চোখের জলে দেবীদুর্গার বিসর্জনযাত্রা
আরও পড়ুন
বিয়ের আগে হবু স্বামী-স্ত্রীর ফোনালাপ কি জায়েজ?
৮১৭ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ স্বামী-স্ত্রী ধরা
ঘাস কাটার মেশিনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
গোসল করতে গিয়ে আর ফেরা হলো না স্বামী-স্ত্রীর