ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

শিং ভাঙা পশু কোরবানি দেওয়া কী জায়েজ

আরর্টিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ মে ২০২৬, ০৯:৩২ এএম
ছবি: সংগৃহীত

ঈদুল আজহায় কোরবানির পশু নির্বাচন নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে, শিং ভাঙা বা জন্মগতভাবে শিং না থাকা পশু দিয়ে কি কোরবানি করা যাবে?

ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী কোরবানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা হয়। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন—

“আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্য কোরবানি নির্ধারণ করেছি, যাতে তারা হালাল পশু জবাই করার সময় আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে।” (সুরা হজ, আয়াত : ৩৪)

অন্য আয়াতে বলা হয়েছে—

“আল্লাহর কাছে কোরবানির পশুর গোশত বা রক্ত পৌঁছে না, বরং তাঁর কাছে পৌঁছে তোমাদের তাকওয়া।” (সুরা হজ, আয়াত : ৩৭)

হাদিসে এসেছে, কোরবানি হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর সুন্নত এবং এতে প্রতিটি পশুর পশমের বিনিময়ে নেকি দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন

ইসলামি বিধান অনুযায়ী কোরবানির জন্য নির্ধারিত ছয় ধরনের পশু হলো—উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা। এগুলো ছাড়া অন্য কোনো পশু দিয়ে কোরবানি করা বৈধ নয়।

পশুর বয়সের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট শর্ত রয়েছে—ছাগল, ভেড়া ও দুম্বার বয়স অন্তত এক বছর, গরু ও মহিষের দুই বছর এবং উটের পাঁচ বছর হতে হবে। তবে ভেড়া যদি ছয় মাসের হয় কিন্তু দেখতে এক বছরের মতো হৃষ্টপুষ্ট হয়, তাহলে সেটিও কোরবানির জন্য গ্রহণযোগ্য।

শিং ভাঙা বা শিং না ওঠা পশু কোরবানি বিষয়ে ফিকহবিদরা বলেন, জন্মগতভাবে শিং না থাকা পশু কিংবা শিং ভেঙে যাওয়া পশু দিয়ে কোরবানি করা জায়েজ। কারণ কোরবানির জন্য শিং থাকা শর্ত নয়।

সাহাবি হযরত আলী (রা.)-এর একটি বক্তব্য অনুযায়ী, শিং ভাঙা পশু দিয়ে কোরবানি করতে কোনো সমস্যা নেই।

তবে যদি পশুর শিং এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় যে তা মস্তিষ্ক পর্যন্ত পৌঁছে যায় এবং পশুর স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়, তাহলে সেই পশু কোরবানির জন্য উপযুক্ত হবে না।

অর্থাৎ, শুধু শিং ভাঙা বা শিং না থাকা কোরবানির ক্ষেত্রে বাধা নয়—পশু সুস্থ থাকলেই সেটি কোরবানির জন্য জায়েজ বা গ্রহণযোগ্য।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কন্যাসন্তান নিয়ে কোরআন যা বলেছে
কন্যাসন্তানের জন্মকে অপমান নয়, সুসংবাদ হিসেবে উল্লেখ করেছে কোরআন। মেয়ের প্রতি অবহেলা, উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করা এবং বিয়েতে মতামত উপেক্ষা করার বিষয়ে রয়েছে ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশনা।
কন্যাসন্তান নিয়ে কোরআন যা বলেছে
যেভাবে এলো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ
কালেমার পর ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ হলো নামাজ। নামাজ আদায়ের ব্যাপারে পবিত্র কোরআনে ৮২ বার বলা হয়েছে। তাই দৈনিক  পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ওয়াক্তমতো আদায় করা প্রাপ্তবয়স্ক, বুদ্ধি-জ্ঞানসম্পন্ন নারী ও পুরুষের ফরজ করা হয়েছে। কিন্তু পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কীভাবে এলো সে বিষয়ে জানবো।
যেভাবে এলো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ
মানুষের চোখে ছোট, আল্লাহর কাছে বড় ৭ আমল
মানুষের চোখে সাধারণ মনে হলেও আল্লাহর কাছে মূল্যবান হতে পারে ছোট ছোট কিছু নেক আমল। হাসিমুখে কথা বলা, রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে দেওয়া কিংবা গোপনে কারও জন্য দোয়া করার মতো কাজও হতে পারে সওয়াব অর্জনের মাধ্যম।
মানুষের চোখে ছোট, আল্লাহর কাছে বড় ৭ আমল
আজকের নামাজের সময়সূচি
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ-
আজকের নামাজের সময়সূচি
যেসব অবস্থায় আজানের জবাব দেওয়া নিষেধ
ইসলামে পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের জন্য আজান দেওয়ার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। নামাজের প্রতি আহ্বান জানাতে মুয়াজ্জিন আজান দিয়ে থাকেন।
যেসব অবস্থায় আজানের জবাব দেওয়া নিষেধ
আরও পড়ুন
যেসব পশু দিয়ে কোরবানি কবুল হয় না
কোন পশু কত ভাগে কোরবানি দেওয়া যাবে? জেনে নিন শরিয়তের নিয়ম
গোশতের কেজি বা ওজন মেপে পশু কিনলে কোরবানি জায়েজ হবে?
যেসব পশু দিয়ে কোরবানি করা জায়েজ