ঢাকা শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

জুমার দিনের ৬ আমলে মিলবে অশেষ রহমত ও ফজিলত

আরর্টিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম
জুমার দিনের ৬ আমলে মিলবে আল্লাহর বিশেষ রহমত । ছবি: সংগৃহীত

ইসলামে জুমার দিনকে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন বলা হয়েছে। মুসলমানদের জন্য এটি একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ দিন। কোরআন ও হাদিসে জুমার দিনের গুরুত্ব, ফজিলত ও বিভিন্ন আমলের কথা বর্ণিত হয়েছে।

হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আগের জাতিগুলো জুমার দিনের মর্যাদা জানতে পারেনি। ইহুদিরা শনিবার এবং খ্রিস্টানরা রবিবারকে বিশেষ দিন হিসেবে গ্রহণ করেছে। এরপর আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মতকে জুমার দিনের মর্যাদা দান করেছেন।
(সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৮৫৬)

জুমার দিন শ্রেষ্ঠ হওয়ার কারণ

হযরত আবু লুবাবা বিন আবদুল মুনজির (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, জুমার দিনের বিশেষ পাঁচটি বিষয় রয়েছে—

১. এ দিন আল্লাহ তাআলা প্রথম মানব হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করেছেন।
২. এ দিনই তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছে।
৩. এ দিনই তার মৃত্যু হয়েছে।
৪. জুমার দিনে এমন একটি সময় রয়েছে, যখন বান্দা আল্লাহর কাছে দোয়া করলে তা কবুল করা হয়, যদি সে হারাম কিছু না চায়।
৫. এ দিনই কিয়ামত সংঘটিত হবে।
(সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৮৯৫)

জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৬ আমল

১. জুমার নামাজ আদায় করা

জুমার দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো জুমার নামাজ আদায় করা। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন—

“পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমা এবং এক রমজান থেকে পরবর্তী রমজানের মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহ মুছে দেয়, যদি বড় গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা হয়।”
(সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৩৩)

২. জুমার দিন গোসল করা

জুমার দিন উত্তমভাবে গোসল করা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা এবং ভালো পোশাক পরিধান করা সুন্নত আমল। হজরত আউস বিন আউস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন—

“যে ব্যক্তি জুমার দিন ভালোভাবে গোসল করে, দ্রুত মসজিদে যায় এবং মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনে, তার প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে এক বছরের রোজা ও নামাজের সওয়াব দেওয়া হয়।”
(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৩৪৫)

৩. আগে আগে মসজিদে যাওয়া

জুমার নামাজের জন্য আগে মসজিদে যাওয়ার বিশেষ ফজিলত রয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন—

যে ব্যক্তি প্রথমে মসজিদে যায়, সে যেন একটি উট কোরবানি করার সওয়াব পায়। এরপর যারা আসে তারা যথাক্রমে গরু, ছাগল, মুরগি ও ডিম সদকার মতো সওয়াব লাভ করে।
(সহিহ বুখারি, হাদিস: ৮৪১)

৪. জুমার দিনে বেশি বেশি দোয়া করা

জুমার দিনে এমন একটি বিশেষ সময় রয়েছে, যখন বান্দার দোয়া কবুল হয়। হজরত জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন—

“জুমার দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, কোনো মুসলিম তখন আল্লাহর কাছে ভালো কিছু চাইলে আল্লাহ তাকে তা দান করেন।”
(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১০৪৮)

৫. সুরা কাহাফ পাঠ করা

জুমার দিনের অন্যতম আমল হলো সুরা কাহাফ তিলাওয়াত করা। হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন—

“যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহাফ পড়বে, তার জন্য দুই জুমার মধ্যবর্তী সময় আলোয় আলোকিত থাকবে।”
(আল মুসতাদরাক, ২/৩৯৯)

৬. বেশি বেশি দরুদ পড়া

জুমার দিনে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠের ফজিলত রয়েছে।

হজরত আউস বিন আউস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন—

“জুমার দিন তোমরা আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো। কারণ তোমাদের দরুদ আমার কাছে পেশ করা হয়।”
(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১০৪৭)

জুমার দিনের আরও কিছু আমল

হাদিস অনুযায়ী জুমার দিনে নখ কাটা, শরীর পরিষ্কার করা, সুগন্ধি ব্যবহার করা, উত্তম পোশাক পরা, মসজিদে গিয়ে খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং খুতবার সময় চুপ থাকা উত্তম আমল।

আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে জুমার নামাজের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন—

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا نُودِيَ لِلصَّلَاةِ مِنْ يَوْمِ الْجُمُعَةِ فَاسْعَوْا إِلَىٰ ذِكْرِ اللَّهِ وَذَرُوا الْبَيْعَ ۚ ذَٰلِكُمْ خَيْرٌ لَكُمْ إِنْ كُنْتُمْ تَعْلَمُونَ

উচ্চারণ: ইয়া আইয়ুহাল্লাজিনা আমানু ইজা নুদিয়া লিস সালাতি মিন ইয়াওমিল জুমুআতি ফাসআউ ইলা জিকরিল্লাহি ওয়া জারুল বাইআ, জালিকুম খাইরুল্লাকুম ইন কুনতুম তালামুন।

অর্থ: “হে মুমিনগণ! জুমার দিনে যখন নামাজের জন্য আহ্বান করা হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত হও এবং বেচাকেনা ছেড়ে দাও। এটি তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা জানতে।”
(সুরা জুমা, আয়াত: ৯)

তাই জুমার দিনের মর্যাদা বুঝে নামাজ, দোয়া, কোরআন তিলাওয়াত ও অন্যান্য নেক আমলের মাধ্যমে দিনটি কাটানো উচিত।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজকের নামাজের সময়সূচি
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ-
আজকের নামাজের সময়সূচি
মসজিদুল হারামে এক ইমামের পেছনে নামাজের প্রচলনের ১০০ বছর পূর্ণ
সৌদি আরবের পবিত্র মসজিদুল হারামে একজন ইমামের নেতৃত্বে এক জামাতে নামাজ আদায়ের প্রচলনের ১০০ বছর পূর্ণ হয়েছে।
মসজিদুল হারামে এক ইমামের পেছনে নামাজের প্রচলনের ১০০ বছর পূর্ণ
ভালো মৃত্যুর ১৩ আলামত
মৃত্যু অবধারিত এ বিশ্বাস সব ধর্মের মানুষের মধ্যেই রয়েছে। তবে কেউই অপ্রত্যাশিত মৃত্যু কামনা করেন না। প্রত্যেক মুমিনের আকাঙ্ক্ষা, তার মৃত্যু যেন ইমানি অবস্থায় এবং ভালোভাবে হয়। কারণ, জীবনের শেষ সময়টি আল্লাহ তাআলার কাছে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘শেষ আমলই গ্রহণযোগ্য।’ (ইবনে হিব্বান: ৩৪০) অন্য এক হাদিসে তিনি (সা.) সাহাবিদের জানিয়েছেন, ‘আল্লাহ যদি কোনো বান্দার কল্যাণ চান, তখন তাকে (ভালো) কাজে লাগান।’ সাহাবায়ে কেরাম জানতে চাইলেন, কীভাবে আল্লাহ বান্দাকে (ভালো) কাজে লাগান? উত্তরে তিনি (সা.) বলেন, ‘মৃত্যুর আগে তাকে ভালো কাজ করার তাওফিক দেন।’ (তিরমিজি: ২১৪২) ফকিহদের মতে, হাদিসে ভালো মৃত্যুর বেশ কিছু আলামতের কথা উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যে কিছু লক্ষণ কেবল মৃত্যুপথযাত্রী ব্যক্তি নিজেই উপলব্ধি করতে পারেন। আবার কিছু লক্ষণ অন্য মানুষের পক্ষেও দেখা বা বোঝা সম্ভব। ভালো মৃত্যুর ১৩টি আলামত তুলে ধরা হলো মৃত্যুর সময় কালেমা পাঠ করা নবীজি (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তির শেষ কথা হবে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’, তিনি জান্নাতে প্রবেশ করবেন। (আবু দাউদ: ৩১১৬) মৃত্যুর সময় কপাল ঘেমে যাওয়া কোনো ইমানদার ব্যক্তির মৃত্যুর সময় তার কপাল ঘেমে গেলে, এটিকে সুন্দর মৃত্যুর একটি আলামত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে কারও কপাল না ঘামলে তাকে জাহান্নামি মনে করা যাবে না। (নাসাঈ: ১৮২৮)  জুমার রাতে বা দিনে মৃত্যুবরণ করা নবীজি (সা.) বলেছেন, কোনো মুসলিম বৃহস্পতিবার সূর্যাস্তের পর থেকে শুক্রবার সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে মৃত্যুবরণ করলে আশা করা যায়, আল্লাহ তাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করবেন। (তিরমিজি: ১০৭৪)  শহীদ হিসেবে মৃত্যুবরণ করা রাসুলুল্লাহ (সা.) সাহাবিদের প্রশ্ন করেছিলেন, ‘তোমরা তোমাদের মধ্যকার কাদেরকে শহীদ বলে গণ্য করো?’ তাঁরা উত্তর দিয়েছিলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে জীবন দেয় সে তো শহীদ।’ তখন নবীজি (সা.) বললেন, ‘তবে তা আমার উম্মাতের শহীদের সংখ্যা অতি অল্প হবে।’ সাহাবিরা জানতে চাইলেন, ‘তাহলে তারা কারা হে আল্লাহর রাসুল?’ মহানবী (সা.) বললেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর রাহে (জিহাদে) নিহত হয়, সে শহীদ। যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে (সৎকাজে) বের হয়ে রাস্তায় মারা যায়, সেও শহীদ। যে ব্যক্তি প্লেগ রোগে মারা যায়, সেও শহীদ এবং যে ব্যক্তি পেট খারাপের রোগে মারা যায়, সেও শহীদ।’ (মুসলিম: ৪৮৩৫) কোনো কিছু ধসে পড়ে মৃত্যু রাসুল (সা.) বলেছেন, তাঁর উম্মতের কোনো ব্যক্তি দেয়াল কিংবা অন্য কোনো কিছু ধসে তার ওপর পড়ে মারা গেলে আল্লাহ তাকে শাহাদাতের মর্যাদা দান করেন। (বোখারি: ৬৫২)  গর্ভবতী অবস্থায় নারীর মৃত্যু রাসুল (সা.) বলেছেন, তাঁর উম্মতের কোনো নারী গর্ভে সন্তান থাকা অবস্থায় অথবা সন্তান প্রসবের সময় মারা গেলে আল্লাহ তাকে শাহাদাতের মর্যাদা দান করেন। (ইবনে মাজা: ২৮০৩) বিষফোড়ার কারণে মৃত্যু নবীজি (সা.) বলেছেন, তাঁর উম্মতের কেউ বিষফোড়ার আঘাতে মারা গেলে আল্লাহ তাকে শাহাদাতের মর্যাদা দান করেন। (নাসাঈ: ১৮৪৬) আগুনে পুড়ে মৃত্যু বিশ্বনবী (সা.) বলেছেন, তাঁর উম্মতের কোনো ব্যক্তি আগুনে পুড়ে মারা গেলে আল্লাহ তাকে শাহাদাতের মর্যাদা দান করেন। (নাসাঈ: ১৮৪৬) নিজের সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে মৃত্যু রাসুল (সা.) বলেছেন, তাঁর উম্মতের কেউ নিজের সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে মারা গেলে আল্লাহ তাকে শাহাদাতের মর্যাদা দান করেন। (বোখারি: ২৮৪০) দ্বীন রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হওয়া রাসুল (সা.) বলেছেন, ইসলাম রক্ষা করতে গিয়ে তাঁর উম্মতের কেউ নিহত হলে আল্লাহ তাকে শাহাদাতের মর্যাদা দান করেন। (নাসাঈ: ৪০৯৫) জুলুম প্রতিহত করতে গিয়ে মৃত্যু রাসুল (সা.) বলেছেন, জুলুম প্রতিহত করতে গিয়ে তাঁর উম্মতের কেউ নিহত হলে আল্লাহ তাকে শাহাদাতের মর্যাদা দান করেন। (নাসাঈ: ৪০৯৬) আল্লাহর পথে প্রহরীর দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মৃত্যু রাসুল (সা.) বলেছেন, আল্লাহর পথে পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব পালনকালে কেউ মারা গেলে আল্লাহ তাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করবেন। কেয়ামত পর্যন্ত তার আমলও বাড়তে থাকবে। (তিরমিজি: ১৬৬৫) সদকা করার পরপরই মৃত্যু রাসুল (সা.) বলেছেন, কোনো ব্যক্তি সদকা করার কিছুক্ষণ পর মারা গেলে আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। একইভাবে, কেউ নফল রোজা রাখা অবস্থায় মারা গেলেও আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করবেন। (মুসনাদে আহমদ: ২৩৩৭২) আরটিভি/এসআর
ভালো মৃত্যুর ১৩ আলামত
আজকের নামাজের সময়সূচি
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম একটি হলো নামাজ। পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে এটি দ্বিতীয়। সে কারণে নামাজ নির্দিষ্ট সময়ে আদায় করা জরুরি। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ- জোহর- ১১:৪৬ মিনিট আসর- ০৩:৪৪ মিনিট মাগরিব- ০৫:২৮ মিনিট এশা- ০৬:৪২ মিনিট ফজর (আগামীকাল)- ০৪:৪৬ মিনিট উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগের সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, সেগুলো হলো- যোগ করতে হবে: খুলনা: ০৩ মিনিট রাজশাহী: ০৭ মিনিট রংপুর: ০৮ মিনিট বরিশাল: ০১ মিনিট বিয়োগ করতে হবে: চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট সিলেট: ০৬ মিনিট আরটিভি/টিআর
আজকের নামাজের সময়সূচি
স্ত্রী থাকার পরেও কি শ্যালিকাকে বিয়ে করা যাবে?
ইসলামে স্ত্রীর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল থাকা অবস্থায় তার আপন বোনকে বিয়ে করা সম্পূর্ণ হারাম। একই সময়ে দুই বোনকে একজন পুরুষের বিবাহবন্ধনে রাখা ইসলামী শরিয়তে নিষিদ্ধ। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।
স্ত্রী থাকার পরেও কি শ্যালিকাকে বিয়ে করা যাবে?
আরও পড়ুন
জুমার দিন বেশি সওয়াব পেতে যে আমলগুলো করবেন
জুমার দিনে যে ১০ আমলে মিলবে বিশেষ সওয়াব
জুমার দিনে বেশি দরুদ পড়লে মিলবে বিশেষ রহমত
জুমার দিনের যে আমলে মিলবে বড় সওয়াব