ঢাকার ১১টি ফিলিং স্টেশনে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) থেকে মোটরসাইকেলে জ্বালানি দেওয়ার জন্য ফুয়েল পাস বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।
এতে বলা হয়, আইফোন ব্যবহারকারীরা https://www.fuelpass.gov.bd/ ওয়েবসাইট থেকে ফুয়েল পাস রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন এবং কিউআর কোড জেনারেট করতে পারবেন। কিউআর কোড পাওয়ার পর সেটির স্ক্রিনশট নিয়ে ফোনে সেইভ করে রাখতে পারবেন অথবা প্রিন্ট নিয়ে সঙ্গে রাখতে পারবেন। এই কিউআর কোড ফিলিং স্টেশনে স্ক্যান করে জ্বালানি নেওয়া যাবে।
তবে যাদের এনড্রয়েড ফোন নেই, তারাও https://www.fuelpass.gov.bd/ ওয়েবসাইট থেকে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে কিউআর কোড জেনারেট করে তা প্রিন্ট করে (প্রয়োজনে লেমিনেটিং করে) সঙ্গে রাখতে পারেন। এই কিউআর কোড ফিলিং স্টেশনে স্ক্যান করে জ্বালানি নেয়া যাবে।
ব্যক্তিগত গাড়ি রেজিস্ট্রেশনের জন্য ‘ঘ’ সিরিজ উন্মুক্ত করা হয়েছে। ‘ঘ’ সিরিজের সব গাড়ি ফুয়েল পাসেরেজিস্ট্রেশনের জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। অন্যান্য সিরিজ এরই মধ্যে রেজিস্ট্রেশনের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।
আগামী ২৮ এপ্রিল থেকে ঢাকার ১১টি ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলে জ্বালানি দেওয়ার জন্য ফুয়েল পাস বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ফিলিং স্টেশনগুলো হচ্ছে-করিম এন্ড সন্স, শাপলা চত্ত্বর, ঢাকা; ইউরেকা এন্টারপ্রাইজ (ফিলিং ষ্টেশন), মহাখালী, ঢাকা; মাসুদ হাসান ফিলিং স্টেশন, এয়ারপোর্ট, উত্তরা, ঢাকা; মেসার্স সততা এন্ড কোম্পানি, ৪৩৯, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা; মেসার্স দিগন্ত ফিলিং স্টেশন, সেকশন-১৪, ইব্রাহিমপুর, মিরপুর, ঢাকা; মেসার্স কামাল ট্রেডিং এজেন্সী, ৮০, শহিদ তাজউদ্দিন আহম্মেদ স্মরনি, তেজগাও, ঢাকা ; মেসার্স এস.পি, ফিলিং স্টেশন লিমিটেড, গাবতলী, মিরপুর, ঢাকা; সিটি ফিলিং স্টেশন, তেজগাও ঢাকা-মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড; সেবা গ্রীন ফিলিং স্টেশন, উত্তরা-মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড; স্যাম এসোসিয়েটস, মিরপুর-০২-মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড; সুমাত্রা ফিলিং স্টেশন-কালশী রোড, মিরপুর।
এর আগে, গত ৯ এপ্রিল জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছিল, দেশব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও আধুনিক করতে এবং ফিলিং স্টেশনগুলোতে শৃঙ্খলা আনতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) কিউআর কোড ভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ নামে একটি অ্যাপ পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছে। অ্যাপটি প্রাথমিকভাবে মোটরসাইকেল মালিক বা চালকদের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে পাইলটিং করা হয়।




