রামিসা হত্যাকাণ্ড নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

আরটিভি নিউজ

বুধবার, ২০ মে ২০২৬ , ০৪:৩৮ পিএম


রামিসা হত্যাকাণ্ড নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ
রামিসা হত্যাকাণ্ড নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী শিশু রামিসা আক্তার (৭) হত্যাকাণ্ডে উত্তাল পুরো দেশ। এর মাঝেই রামিসা হত্যাকাণ্ড কথা বলেছেন  জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ।

বুধবার (২০ মে) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে একটি পোস্ট করেছেন তিনি।

পোস্টে আহমাদুল্লাহ লিখেছেন, সাত বছরের মেয়েও যাদের কাছে নিরাপদ না, মানুষ নয় তারা নরপিশাচ। এইসব নৃশংসতার মাত্রা কমিয়ে আনার একমাত্র সমাধান শরীয়া আইন।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (১৯ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর–১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের ৭ নম্বর সড়কের ৩৯ নম্বর বাড়ির একটি ফ্ল্যাট থেকে রামিসার খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়। শিশুটির মাথা শৌচাগারে এবং শরীরের মূল অংশ খাটের নিচ থেকে পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন

পরে রাত সোয়া ১০টার দিকে পল্লবী থানায় প্রেস ব্রিফিংয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম জানান, সকালে শিশুটির মা তাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খুঁজতে থাকেন। দরজার বাইরে একটি জুতা পড়ে থাকতে দেখে তিনি সন্দেহ করেন এবং পাশের ফ্ল্যাটে যান। দীর্ঘ সময় ডাকাডাকির পর দরজা খোলা হলে স্বপ্না আক্তারকে পাওয়া যায়, তবে সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান।

পুলিশের ধারণা, হত্যার পর মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে খণ্ডিত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে শিশুটির মায়ের উপস্থিতির কারণে পরিকল্পনা সম্পূর্ণ করতে পারেনি আসামিরা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার ও আলামত সংগ্রহ করে।

পুলিশ জানায়, সোহেল রানাকে সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি ও তার স্ত্রী নওগাঁর সিংড়ার বাসিন্দা। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সোহেল রানার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে পূর্বের একটি মামলা রয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানায়, ভিকটিমের সঙ্গে যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করতে আলামত সিআইডিতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার স্বপ্না আক্তার দাবি করেছেন, তিনি ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন এবং ঘটনার বিষয়ে কিছু জানেন না। তবে পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, দরজা না খোলা এবং মূল আসামির পালাতে সহযোগিতা করার মাধ্যমে তিনি অপরাধে সহায়তা করেছেন।

উল্লেখ্য, নিহত রামিসা স্থানীয় একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা একটি রিক্রুটিং এজেন্সিতে চাকরি করেন। পরিবারটি দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ওই এলাকায় বসবাস করছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও ক্ষোভের ছায়া নেমে এসেছে।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission