চলতি বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে হেরে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। যা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা চলছে। এর মাঝেই ৩০ সেকেন্ডে ১৯৫ বার চুম্বন করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে ব্রাজিলের নাম লিখিয়েছেন রেনাতো বায়মা গাইয়া এবং তার প্রেমিকা নাইরা রবার্টা রিবেইরো ডি মারিন্স।
তাদের এই কীর্তির ভিডিও এখন রীতিমতো আগুন ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ৩২ বছর বয়সী রেনাতো পেশায় একজন ডাক্তার। তবে গিনেস রেকর্ডের জগতে তিনি নতুন নন। এর আগেও দ্রুততম সময়ে বই উল্টানো বা পা ঘোরানোর মতো একাধিক রেকর্ড তার ঝুলিতে রয়েছে।
রেনাতো জানিয়েছেন, তিনি এডিএইচডি (ADHD)-তে আক্রান্ত। নিজের এই সীমাবদ্ধতাকে জয় করে তিনি বিশ্বকে দেখাতে চান যে, অদম্য ইচ্ছা থাকলে যে কোনো লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। তিনি একজন অস্থিমজ্জা দাতাও। নিজের রেকর্ডগুলোর মাধ্যমে অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে চান তিনি।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, রেনাতো অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে তার প্রেমিকার গালে চুমু খেয়ে চলেছেন। পুরো সময়টিতে নাইরা হাসিমুখে সঙ্গ দিয়েছেন। ৩০ সেকেন্ডের মাথায় তাদের চুম্বনের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৯৫-এ। এই অনন্য রেকর্ড গড়ার পর তারা এখন নতুন লক্ষ্য স্থির করেছেন।
তাদের পরবর্তী টার্গেট হলো এক মিনিটে সর্বোচ্চ চুম্বনের বিশ্বরেকর্ড ভাঙা, যা বর্তমানে এক জাপানি দম্পতির দখলে (৬০ সেকেন্ডে ২৭৭টি চুম্বন)।
সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। নেটিজেনদের একাংশ দম্পতির উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন, কেউ কেউ আবার মশকরা করতেও ছাড়েননি।
একজন ব্যবহারকারী মজার ছলে লিখেছেন, এই চ্যালেঞ্জের জন্য মানুষের ঠোঁট নয়, পাখির ঠোঁট দরকার ছিল! আবার কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, এত দ্রুত হাসাটাও তো একটা বিশ্ব রেকর্ড হওয়া উচিত।
অনেকের মতে, এটি চুম্বনের চেয়েও বেশি কিছু দ্রুত ফিসফিসের মতো মনে হয়েছে। তবে ট্রোল বা প্রশংসা যাই হোক না কেন, এই ব্রাজিলিয়ান দম্পতি যে এখন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের অন্যতম চর্চিত মুখ, তা বলাই বাহুল্য। তাদের এই অদ্ভূত অথচ রোমান্টিক কাণ্ড ভাইরাল হওয়ার দৌড়ে সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।
আরটিভি/এসআর




