উন্নয়নের নামে স্বৈরনীতি মানেনি বাংলাদেশের মানুষ (ভিডিও)

রাকিব হাসান

মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫ , ১০:০৫ এএম


উন্নয়নের নামে বিগত সরকারের গণতন্ত্র ত্যাগের রাজনীতিকে বাংলাদেশিরা প্রত্যাখান করেছে বলে মনে করেন, সাবেক মার্কিন কূটনীতিক জন এফ ড্যানিলোভিচ। আর সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির বলছেন, জুলাই পরবর্তী সময়ে টেকসই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে। নিজ স্বার্থ বজায় রেখে, ইন্দো প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি, বেল্ট এন্ড রোড ইনেসিয়েটিভের মতো উদ্যেগে যুক্ত হয়ে শক্তিশালী অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা। 

বিজ্ঞাপন

দীর্ঘ ১৬ বছর দুঃশাসনের পর, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট ক্ষমতা ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। পরে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা নিয়ে রাষ্ট্রের সংস্কারসহ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে জাতীয় নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় ঘোষণা করে। এ অবস্থায় আগামীতে টেকসই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হলে বহিবিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বাড়বে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির।  

আরও পড়ুন

২০০৭ থেকে ২০১১ মেয়াদে থাকা বাংলাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অফ মিশন জন এফ ড্যানিলোভিচের মতে, বিগত সরকারের গণতন্ত্র ত্যাগের বিষয়টি ভালোভাবে নেওয়নি বাংলাদেশিরা। তিনি মনে করেন, নিজ স্বার্থ বজায় রেখে অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি। 

বিজ্ঞাপন

তৃতীয় কোনো পক্ষকে ক্ষতির কারণ না করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিয়ে সকলের সঙ্গে কাজ করতে পারি বলছেন সাবেক রাষ্ট্রদূত।

ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলের কৌশলগত সেতুবন্ধন হিসাবে বিশ্ব রাজনীতিতে বাংলাদেশের গুরুত্ব বাড়ছে। এ অঞ্চলের মূল অংশীদার হিসাবে দেশটিকে আখ্যায়িত করেছে ইইউ। ভৌগোলিক অবস্থার কারণে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, এমনকি রাশিয়ার মতো শক্তিশালী দেশগুলো চায় বাংলাদেশকে পাশে পেতে। 

বিজ্ঞাপন

আরটিভি/আরএ

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission