নতুন ফরম্যাটে প্রথমবার অনুষ্ঠিত ক্লাব বিশ্বকাপ ঘিরে চলমান আলোচনা-সমালোচনার মাঝেই পরবর্তী আসরের আয়োজক দেশ নিয়ে শুরু হয়েছে গুঞ্জন। শোনা যাচ্ছে, ২০২৯ সালের ক্লাব বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হতে পারে লাতিন আমেরিকার ফুটবলমাতানো দেশ ব্রাজিলে।
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার কাছে ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক আগ্রহপত্র জমা দিয়েছে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)। বিষয়টি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও উঠে এসেছে।
নতুন ফরম্যাটের ক্লাব বিশ্বকাপ নিয়ে শুরু থেকেই রয়েছে নানা বিতর্ক। ব্যস্ত মৌসুমে অতিরিক্ত টুর্নামেন্টে খেলোয়াড়দের ওপর শারীরিক ধকল, ইনজুরি সমস্যা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত ম্যাচগুলোতে অনেক ক্ষেত্রেই দর্শক উপস্থিতি কম থাকায় তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়।
তবু ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এই ইভেন্টকে ‘অভূতপূর্ব সাফল্য’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তার দাবি, প্রথম আসর থেকেই ফিফা আয় করেছে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি, যেখানে প্রতিটি ম্যাচ থেকে গড়ে ৩১ মিলিয়ন ডলার রাজস্ব এসেছে। দর্শক উপস্থিতি নিয়েও আশাবাদী ইনফান্তিনো; তাঁর ভাষ্যমতে, গড় দর্শক সংখ্যা ছিল ৪০ হাজার।
সবকিছু মিলিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মধ্যেই ২০২৯ সালের আসর নিয়ে পরিকল্পনা শুরু করেছে ফিফা। ধারণা করা হচ্ছে, ইউরোপিয়ান লিগ এবং কন্টিনেন্টাল টুর্নামেন্টের বিরতিতে আবারও জুন-জুলাই উইন্ডোতে এই আসর আয়োজন করতে চায় সংস্থাটি।
ব্রাজিলের সম্ভাব্য আয়োজক শহরের তালিকায় রয়েছে রিও ডি জেনেইরো, সাও পাওলো এবং বেলো হরিজন্তেযেগুলো ২০১৪ বিশ্বকাপের সময়ই আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম নির্মাণে সফল হয়েছিল। ফুটবল ঐতিহ্য ও দর্শকপ্রিয়তায় সমৃদ্ধ দেশ ব্রাজিলকে আয়োজক হিসেবে পেতে ব্যক্তিগতভাবে আগ্রহী ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোও।
এখন দেখার পালা, এই প্রাথমিক আগ্রহ কতদূর বাস্তবায়িত হয় এবং ব্রাজিল আদৌ পায় কি না ২০২৯ সালের ক্লাব বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার স্বীকৃতি।
আরটিভি/এসকে




