ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে সর্বশেষ অবস্থানে থাকা সান মারিনো ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের ইউরোপীয় বাছাইপর্বে সাত ম্যাচেই হেরে গেছে। গ্রুপ ‘এইচ’-এর তলানিতে থাকা এই দলটির খেলার পারফরম্যান্স যে কতটা বাজে, তা স্পষ্ট। তবুও, ৪৮ দলের বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা এখনও টিকে আছে।
এই বিস্ময়কর পরিস্থিতির পেছনে মূল কারণ হলো ২০২৪-২৫ সালের নেশনস লিগে সান মারিনোর চমকপ্রদ সাফল্য। নেশনস লিগে গ্রুপ ডি১-এ শীর্ষে থেকে দলটি টুর্নামেন্ট শেষ করেছিল। এই অর্জনই তাদের ২০২৬ বিশ্বকাপের প্লে-অফে অংশগ্রহণের সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
২০২৬ বিশ্বকাপে ইউরোপ থেকে ১৬টি দেশ অংশ নেবে। বাছাইপর্বের ১২টি গ্রুপের চ্যাম্পিয়নরা সরাসরি মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে। বাকি কিছু দল প্লে-অফে অংশ নেবে, যেখানে নেশনস লিগের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া কিন্তু বাছাইপর্বে শীর্ষ দুইয়ে না থাকা দলগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
নেশনস লিগের ১৪টি গ্রুপ চ্যাম্পিয়নের মধ্যে সান মারিনো এবং মলদোভা এখনো প্লে-অফের দৌড়ে নেই। সান মারিনোর প্লে-অফে যাওয়ার সম্ভাবনা রক্ষা করতে হলে ওয়েলস, রোমানিয়া, সুইডেন এবং নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের মধ্যে অন্তত দুটি দলকে তাদের বাছাইপর্ব গ্রুপে শীর্ষ দুইয়ে থাকা আবশ্যক।
বিশেষ পরিস্থিতি হল, রোমানিয়াকে সান মারিনোর বিপক্ষে শেষ ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয় পেতে হবে, এবং গোল ব্যবধানও উন্নত করতে হতে পারে। অন্যদিকে, সুইডেনের শীর্ষ দুইয়ে ওঠার সম্ভাবনা গাণিতিকভাবে কম হলেও পুরোপুরি শেষ নয়। তাই ওয়েলস, নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড ও রোমানিয়ার পারফরম্যান্সই নির্ধারণ করবে সান মারিনোর ২০২৬ বিশ্বকাপের প্লে-অফের স্বপ্ন বাঁচবে কি না।
আরটিভি/এসকে
