মায়ামিতে আবাসন সাম্রাজ্য গড়ছেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ১০:০৬ এএম


মায়ামিতে আবাসন সাম্রাজ্য গড়ছেন মেসি
ছবি: সংগৃহীত

কাতার বিশ্বকাপের পর পিএসজি ছেড়ে মায়ামিতে যোগ দিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। ধারণা করা হচ্ছে, ক্যারিয়ারের বাকিটা সময় এখানেই থাকবেন তিনি। এর মাঝেই সেখানকার শহর ব্রিকেলের বিলাসবহুল আকাশছোঁয়া ভবনেও দাপুটে বিচরণ করছেন লিওনেল মেসি।

বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি সিপ্রিয়ানি রেসিডেন্স মায়ামিতে চারটি বিলাসবহুল কন্ডোমিনিয়াম (অ্যাপার্টমেন্ট) কিনেছেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি। ৮০ তলার এই টাওয়ার ব্রিকেল শহরের কেন্দ্রস্থলে গড়ে উঠছে। এর মধ্য দিয়ে শহরটির সঙ্গে মেসির সম্পর্ক আরও দৃঢ় হলো।

সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মেসি সিপ্রিয়ানি রেসিডেন্সে শীর্ষ তলায় চারটি ইউনিট কেনার চুক্তি করেছেন। বিলাসবহুল এই প্রকল্পটি বর্তমানে ১৪২০ সাউথ মায়ামি অ্যাভিনিউতে নির্মাণাধীন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসবের মধ্যে একটি আবাসনের মূল্যই প্রায় ৭৫ লাখ ডলার। 

বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন

মাস্ট ক্যাপিটাল নির্মিত এবং ফরচুন ডেভেলপমেন্ট সেলসের একচেটিয়া তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই টাওয়ারটি যুক্তরাষ্ট্রে সিপ্রিয়ানির প্রথম গ্রাউন্ড-আপ আবাসিক প্রকল্প (একেবারে শূন্য থেকে, জমি কিনে ভিত্তি গড়ে নতুন করে আবাসিক ভবন নির্মাণ করা)। ভবনটির নির্মাণকাজ ২০২৮ সালে শেষ হওয়ার কথা।

মেসি যে ভবনটিতে অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছেন, সেখানে এক থেকে চার শয়নকক্ষের মোট ৩৯৭টি অ্যাপার্টমেন্ট থাকবে। যার একেকটির প্রারম্ভিক মূল্য ১৭ লাখ ডলার। মেসির কেনা ইউনিটগুলো তাকে একটি বিশেষ মালিকগোষ্ঠীর অংশ করেছে, যা ‘দ্য কানালেত্তো কালেকশন’ নামে পরিচিত। ভবনের শীর্ষে ১৮টি তলায় মাত্র ছয়টি পেন্টহাউস এবং ৬৮টি অতিবিলাসবহুল আবাসন নিয়ে একটি সীমিত ও বিশেষ আবাসন গড়ে তোলা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মেসির কেনা ইউনিটগুলোর সুনির্দিষ্ট বিন্যাস জানা যায়নি। তবে বিভিন্ন সূত্র বলছে, অন্তত একটি ইউনিটের আয়তন প্রায় ৩,৫০০ বর্গফুট এবং সেখানে চারটি শয়নকক্ষ রয়েছে। সিপ্রিয়ানি টাওয়ার থেকে মায়ামির আকাশ ও বিসকেইন উপসাগরের চারপাশজুড়ে ৩৬০ ডিগ্রি প্যানোরামিক দৃশ্য দেখা যাবে। মেসির মতো তারকার জন্য গোপনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবনটিতে এর নিশ্চয়তা আছে।

এর আগে গত বছর দক্ষিণ ফ্লোরিডায় সানি আইলস বিচে পোরশে ডিজাইন টাওয়ারেও একটি বাড়ি কেনেন মেসি। এভাবে বাড়ি কেনা স্পষ্টভাবেই দীর্ঘমেয়াদে তার ফ্লোরিডায় থাকার ইঙ্গিত দেয়। 

বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী ২০২৮ সাল পর্যন্ত ইন্টার মায়ামিতে থাকবেন মেসি। পাশাপাশি সাম্প্রতিক নানা ঘটনাও ইঙ্গিত দেয়, আর্জেন্টাইন তারকা হয়তো শিগগিরই মায়ামি ছাড়ার পরিকল্পনা করছেন না। বিশেষ করে তাঁর আবাসন প্রকল্পের বাড়ন্ত পোর্টফোলিও এমন ইঙ্গিতই দিচ্ছে।

অ্যাপার্টমেন্টে যেসব সুবিধা আছে

সোর্ট-ধাঁচের দুটি সুইমিং পুল ও সানডেক, শুধু বাসিন্দাদের জন্য রেস্তোরাঁ ও ব্যক্তিগত স্পিকইজি (গোপনধাঁচের লাউঞ্জ বার), সউনা  (উচ্চ তাপমাত্রার ছোট ঘর) ও ট্রিটমেন্ট রুমসহ সমন্বিত স্পা, গলফ সিমুলেট, স্ক্রিনিং রুম, আধুনিক ফিটনেস সেন্টার, পিকলবল কোর্ট এবং ২৪ ঘণ্টা ক্যাটারিং সেবা রয়েছে টাওয়ারে।

বিলাসবহুল এই আবাসনের ইন্টেরিয়র ডিজাইন করেছে ‘১৫০৮ লন্ডন’ ডিজাইন স্টুডিও এবং স্থাপত্য নকশা করেছে খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান ‘আরকিটেকটোনিকা’। মেসির অর্থনৈতিক অবস্থার প্রেক্ষিতে এই বিনিয়োগ তাঁর জীবনধারা ও আর্থিক কৌশলের সঙ্গে বেশ সামঞ্জস্যপূর্ণ।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission