লিভারের জটিলতাসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগে শেষ পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার। তার অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ক্রীড়াঙ্গনে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াসহ দেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোর্শেদদের মতো ক্রীড়াবিদরা।
জামাল লিখেছেন, আমাদের কিংবদন্তি ফুটবলার মোহাম্মদ কায়সার হামিদের মেয়ে কারিনা কায়সারের মৃত্যুতে কায়সার পরিবারের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা ও প্রার্থনা রইলো। অনুগ্রহ করে তাদের জন্য দোয়া করবেন।
এদিকে নিয়াজ মোর্শেদ বলেছেন, কারিনা খুবই প্রাণবন্ত ছিল। হঠাৎ এত দ্রুত অসুস্থ হয়ে লাইফ সাপোর্টে চলে গেলো। শুনলাম বিদেশে চিকিৎসায় কিছুটা উন্নতিও হয়েছিল। এরই মধ্যে আমাদের সবাইকে ছেড়ে চলে গেলো। আমার নিজেরই খুব কষ্ট লাগছে। কারিনার পরিবারের জন্য এই শোক কাটিয়ে ওঠা খুবই কঠিন।
মূলত, কারিনা জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকা খেলোয়াড় কায়সার হামিদের মেয়ে এবং কিংবদন্তি দাবাড়ু রানী হামিদের নাতনি। সেই সূত্রে দেশের ক্রীড়াঙ্গনেও কারিনার পরিচিতি ছিল ব্যাপক।
কারিনার দাদা কর্নেল (অব.) এম এ হামিদ ছিলেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। দেশে হ্যান্ডবলের প্রসারে তার অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। কারিনার ছোট চাচা ববি হামিদও হ্যান্ডবল খেলেছেন।
এছাড়া স্কোয়াশের উন্নয়নে কাজ করেছেন কায়সার হামিদের আরেক ভাই সোহেল হামিদ, যিনি এই ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
আরটিভি/এসআর



