ঢাকা শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

ইতিহাস গড়লো বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ, ভেঙে গেল ব্রাজিলের রেকর্ড

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৬, ০৪:২১ এএম
ছবি: কোলাজ আরটিভি

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ মানেই একদিকে স্নায়ুর চাপ, অন্যদিকে বাড়তি আকর্ষণ। এছাড়া রয়েছে ইতিহাসের নতুন পাতা খোলার উন্মাদনা। মেক্সিকো সিটির আসতেকা স্টেডিয়ামে ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচটিও এর ব্যতিক্রম নয়।

তবে দক্ষিণ আফ্রিকার স্পেপেলো সিথোলের জন্য এই ইতিহাস শুধুই হতাশার ও আক্ষেপের। ৩২ বছরের পুরোনো এক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডে নাম লিখিয়ে মাঠ ছেড়েছেন এই প্রোটিয়া ডিফেন্ডার।

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে কোনো খেলোয়াড়ের লাল কার্ড দেখার ঘটনা দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় পর আবার দেখল বিশ্ব ফুটবল। সর্বশেষ ১৯৯৪ সালের ১৬ জুন জার্মানির বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে লাল কার্ড দেখেছিলেন বলিভিয়ার মার্কো এচেভেরি। ঠিক ৩২ বছর পর আজ আসতেকায় সেই তিক্ত স্মৃতির পুনরাবৃত্তি ঘটালেন সিথোলে।

ম্যাচের ৫০ মিনিটে মেক্সিকান মিডফিল্ডার গুতিরেসকে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন তিনি। মাঝমাঠ থেকে উড়ে আসা একটি থ্রু বল ধরে দ্রুতগতিতে ডি-বক্সের দিকে ছুটে যাচ্ছিলেন গুতিরেস। তাকে আটকাতে গিয়ে বক্সের ঠিক বাইরে ফাউল করে বসেন সিথোলে। প্রথমার্ধেও মেক্সিকোর গোলের সময় বল নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়ে বড় ভুল করেছিলেন তিনি, আর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই তার এই লাল কার্ড প্রোটিয়াদের ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় পুরোপুরি জল ঢেলে দেয়।

শেষ পর্যন্ত মেক্সিকো সিটিতে ৩ লাল কার্ডের ম্যাচে আজ দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২–০ গোলে হারায় মেক্সিকো। ৯ মিনিটে হুলিয়ান কিনিয়োনেসের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকেরা। ৬৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রাউল হিমিনেজ। আর প্রথম ম্যাচেই ৩ লাল কার্ড দেখে ফেলল ২০২৬ বিশ্বকাপ।

ব্রাজিলের এক যুগের রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস

১২ বছর আগে সাও পাওলোতে মার্সেলোর আত্মঘাতী গোলে স্তব্ধ হয়েছিল ব্রাজিল। এতদিন সেই ঘটনাটিই ছিল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচের দ্রুততম গোলের রেকর্ড হিসেবে অজেয়। কিন্তু আজটেকার মঞ্চে এসে সেই এক যুগের আধিপত্য গুঁড়িয়ে দিলেন হুলিয়ান কুইনোনাস। মার্সেলোর সেই আত্মঘাতী গোলের স্মৃতি পেছনে ফেলে কুইনোনেস এখন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচের ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলকের নাম—দ্রুততম গোলদাতা।

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মেক্সিকোর হয়ে গোল করতে মোটেও সময় নেননি হুলিয়ান কুইনোনেস। ম্যাচের ৮ মিনিটেই তার নির্ভুল এক স্ট্রাইকে মেক্সিকো এগিয়ে যায় ১-০ ব্যবধানে। বিশ্বকাপের বর্তমান আসরের দ্রুততম গোলের রেকর্ডটি কুইনোনেস নিজের নামের পাশে লিখিয়ে নিলেও, ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসের দ্রুততম গোলের রেকর্ডের সিংহাসনটি কিন্তু এখনও অনেক দূরের পথ। মেক্সিকান এই উইঙ্গারের গোলটি বর্তমান টুর্নামেন্টে দারুণ শুরুর বার্তা দিলেও, বিশ্বকাপের সর্বকালের দ্রুততম গোলের অনন্য রেকর্ডটি এখনো অক্ষত রয়েছে।

কুইনোনাসের এই অর্জনে পেছনে পড়ে গেল ২০১৪ বিশ্বকাপের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ১২ বছর আগে ব্রাজিলের সাও পাওলোতে আয়োজক ব্রাজিলের বিপক্ষে ক্রোয়েশিয়ার গোলটি ছিল এতদিন এই তালিকায় সবার ওপরে; যদিও সেই গোলটি এসেছিল ব্রাজিলের তারকা মার্সেলোর আত্মঘাতী গোল থেকে। সেই রেকর্ড ভেঙে আজতেকার গর্জনে কুইনোনেস নিজের নাম লেখালেন ইতিহাসের পাতায়।

কুইনোনেসের এই গোলটি এবারের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচের দ্রুততম হতে পারে, তবে বিশ্বকাপের সর্বকালের ইতিহাসের দ্রুততম গোলের রেকর্ডের তুলনায় এটি বেশ পিছিয়েই আছে। কুইনোনাসের গোলটি আসতে প্রায় ৭ মিনিট ৪৯ সেকেন্ড দেরি হয়ে গেছে!

বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্রুততম গোলের অবিসংবাদিত রেকর্ডটি এখনও তুরস্কের স্ট্রাইকার হাকান শুকুরের দখলে। ২০০২ বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে খেলার বাঁশি বাজার মাত্র ১১ সেকেন্ডের মাথায় গোল করে তিনি এক মহাকাব্যিক রেকর্ড গড়েছিলেন। সেই রেকর্ডের ধারেকাছে পৌঁছানো যেকোনো ফুটবলারের জন্যই এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। আপাতত, হাকান শুকুরের সেই মাইলফলকটি তাই ধরাছোঁয়ার বাইরেই থাকছে।

আরও পড়ুন

সৌদি প্রো লিগে দুর্দান্ত এক মৌসুম কাটিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলের আঙিনায় পা রাখা কুইনোনেস যেন থামতেই জানেন না। ২৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড চলতি ২০২৫-২৬ মৌসুমে নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। লিগে সর্বোচ্চ ৩৩টি গোল করে নিজের জাত চিনিয়েছেন তিনি। এমনকি লিগের শেষ সপ্তাহেও হ্যাটট্রিক করে নিজের ছন্দের জানান দিয়েছেন স্পষ্টভাবে। সৌদি লিগের সেই ছন্দের ধারাবাহিকতা কুইনোনেস বজায় রেখেছেন মেক্সিকোর জার্সি গায়েও।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বাংলাদেশের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা
প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনে সব খেলা তো আর দেখতে পারবেন না। একটু বেছে নিতে হবে আপনার সময় ও পছন্দ অনুযায়ী। নিশ্চয়ই লাইভ বা সরাসরি খেলা দেখতেই আর সবার মতো আপনারও আগ্রহ বেশি।
বাংলাদেশের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা
জিমন্যাস্টিক্স ও তায়কোয়ান্দোর ভেন্যু আলাদা করার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) ‍পুরাতন ভবনের জিমনেশিয়াম ব্যবহার করছে বাংলাদেশ জিমন্যাস্টিক্স ফেডারেশন ও বাংলাদেশ তায়কোয়ান্দো ফেডারেশন। এই দুই ফেডারশনের জন্য পৃথক করার ঘোষণা দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল। তিনি জানান, পুরাতন ভবনের জিমনেশিয়াম জিমন্যাস্টিক্স পুরোপুরি ব্যবহার করবে এবং তায়কোয়ান্দোকে কমলাপুর স্টেডিয়ামে স্থানান্তর করা হবে। এ ছাড়া এনএসসির পুরোনো ভবন ও সুইমিং পুলের জায়গায় একটি বহুতল সমন্বিত স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে জিমন্যাস্টিকস, ব্যাডমিন্টন, ভলিবল, বাস্কেটবল ও টেবিল টেনিসসহ সব ইনডোর খেলার জন্য পৃথক আধুনিক অবকাঠামো বরাদ্দ দেওয়া হবে বলে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, সারা দেশে খেলার মাঠের সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  তিনি বলেন, ইতিমধ্যে ৪,৫৯৯টি ইউনিয়নে একটি করে মাঠ তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ১,০০০টি ইউনিয়নে ১,০০০টি মাঠ খেলার উপযোগী করার বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খেলাধুলাকে রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্রীড়াঙ্গন দল-মতনির্বিশেষে সবাইকে এক সূত্রে গেঁথে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে উদ্বুদ্ধ করে।  জিমন্যাস্টিক্সে ক্ষুদে অ্যাথলেটদের দারুণ নৈপুণ্য দেখে মুগ্ধ প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, তরুণ অ্যাথলেটদের বছরব্যাপী মানসম্মত অনুশীলনের সুযোগ দেওয়া গেলে এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথ গেমস কিংবা অলিম্পিকের মতো বৈশ্বিক আসর থেকেও পদক জয় করা সম্ভব হবে। এবারের আন্তঃস্কুল জিমন্যাস্টিক প্রতিযোগিতায় ৫৪টি স্কুলের ২২২ জন জিমন্যাস্ট অংশ নিচ্ছে। তাদের মধ্যে ১১৮ জন বালক ও ১০৪ জন বালিকা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জিমন্যাস্টিক্স ফেডারেশনের সভাপতি মোহাম্মদ মোস্তফা কামালসহ ফেডারেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা। আরটিভি/এসআর
জিমন্যাস্টিক্স ও তায়কোয়ান্দোর ভেন্যু আলাদা করার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর
রাফিনিয়াকে নিয়ে বড় দুঃসংবাদ দিলো বার্সেলোনা
চলতি মৌসুমে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন রাফিনিয়া। তবে সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ইনজুরিতে পড়েছিলেন তিনি। এ জন্য ভারত ম্যাচ না খেলেই বার্সেলোনায় ফিরেছিলেন। এবার এই ব্রাজিলিয়ান ফুটবলারকে মিস করতে যাচ্ছে কাতালান ক্লাবটি। কোচ হান্সি ফ্লিক নিশ্চিত করলেন, কাতালান জায়ান্টরা পরের দুটি ম্যাচে ব্রাজিলিয়ান তারকাকে পাবে না। শনিবার গেতাফের বিপক্ষে লা লিগা ও মঙ্গলবার গ্যালাতাসারেইর বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলতে পারবেন না তিনি।  গত ২৯ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচে চোট পান রাফিনিয়া। ৪-২ গোলে সেলেসাওদের জেতা ম্যাচে হাফটাইমে তাকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হয়। পরে দলের ট্রেনিং ক্যাম্প থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেন রাফিনিয়া। ভারতের বিপক্ষে ৪-০ গোলে জেতা ম্যাচে ছিলেন না তিনি। ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন জানায়, স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ডান ঊরুর পেছনে পেশির টিস্যুতে হালকা ফোলা দেখা গেছে। ম্যাচের আগের দিন শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলনে ফ্লিক জানালেন, পূর্বসতর্কতা হিসেবে রাফিনিয়াকে আপাতত বাইরে রাখা হচ্ছে। ছবিতে কিছু একটা দেখা যাচ্ছে, কিন্তু এটা বড় ইনজুরি নয়। বার্সেলোনা প্রথম সাত ম্যাচ জিতে লা লিগায় পাঁচ পয়েন্টে এগিয়ে থেকে শীর্ষে অবস্থান করছে। আগামী ২৫ অক্টোবর প্রথম এল ক্লাসিকো। রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে সেই ম্যাচেই রাফিনিয়াকে পাওয়ার আশা।  ফ্লিকের বিশ্বাস, ২৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডের সেরে ওঠার প্রক্রিয়া ভালোভাবে শেষ হবে এবং গতবারের মতো দীর্ঘদিনের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হবে না তাকে। আরটিভি/এসআর
রাফিনিয়াকে নিয়ে বড় দুঃসংবাদ দিলো বার্সেলোনা
চতুর্থ শ্রেণি থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে খেলাধুলার বই: আমিনুল হক
পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলাকে শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশ করে নতুন প্রজন্মকে সুস্থ, মাদকমুক্ত ও শৃঙ্খলাপূর্ণ হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যক্রমে ‘খেলাধুলা’ নামে নতুন বই যুক্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর মিরপুর বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজে ঢাকা-১৬ আসনের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জীবনের লক্ষ্য এখনই নির্ধারণ করতে হবে। সেই লক্ষ্য অর্জনে পড়াশোনার কোনো বিকল্প নেই। তবে সুস্থ শরীর ও সুস্থ জাতি গঠনে খেলাধুলাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বইয়ে খেলাধুলার উপকারিতা, পুষ্টি এবং সুস্থ থাকার জন্য প্রয়োজনীয় খাবার সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা জানতে পারবে।’ পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও শিক্ষকদের আবাসনের ব্যবস্থা করার উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, পল্লবী ও রূপনগরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে ইতোমধ্যে ডিও লেটার দেওয়া হয়েছে। শিক্ষকদের জন্য পৃথক আবাসনের ব্যবস্থা করতে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পরিহার করে ঐক্যবদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে আমিনুল হক বলেন, বিগত ১৭ বছরের ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি কেউ চায় না। শিক্ষার্থীদের জন্য সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষক, অভিভাবক, সরকার ও সমাজের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। অনুষ্ঠানে মিরপুর বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল খোশনবিশের সভাপতিত্বে ঢাকা-১৬ আসনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্ষদের সভাপতি মইনুল হক মঈন, এমডিসি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সভাপতি হাফিজুর রহমান সরকারসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর
চতুর্থ শ্রেণি থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে খেলাধুলার বই: আমিনুল হক
প্রথম দিন / আফগানদের দুর্দান্ত কামব্যাক, ট্রিপল সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের স্বস্তি
আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে প্রথমদিনের শুরুটা দুর্দান্ত ভালো করলেও শেষ বিকেলে খেই হারিয়েছে বাংলাদেশ দল। ২২১ রাতে ৩ উইকেট হারানোর পর শেষ ৯৬ রান তুলতে ৫ উইকেট হারিয়েছে টাইগাররা। এতে নিজেদের খেলায় ফিরিয়ে আফগানরা। প্রথম দিন শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩১৭ রান। এতে তাইজুল ৪ রান ও ১১ রানে অপরাজিত রয়েছেন নাঈম হাসান। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। এটি নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ।  যেখানে স্পিনার নাঈম হাসানের পাশাপাশি অভিজ্ঞ তাইজুল ইসলাম ও মেহেদি হাসান মিরাজ এবং দুই পেসার হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেনকে নিয়ে শান্ত’র দল একাদশ সাজিয়েছে।  শুরু থেকেই তানজিদের আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিংয়ের সামনে তটস্থ ছিল আফগানিস্তানের বোলিং লাইনআপ। শুরুতে সাদমানের কিছু অনিয়ন্ত্রিত শট ছাড়া তাদের স্বস্তির বলতে কিছু ছিল না। তানজিদ আউট হলেও বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির সেশন উপহার দিয়েছেন। দ্বিতীয় সেশনেও দুর্দান্ত ব্যাট করতে থাকেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে সাদমান ও মুমিনুল মিলে তোলেন ৬০ রান। ব্যক্তিগত ফিফটি পূরণের পর ৬৭ আউট হন সাদমান। ব্যাট হাতে ইতিবাচক ক্রিকেট খেলছিলেন মুমিনুল হক ও দলনেতা নামজুল হোসেন শান্ত। কিন্তু দুজনের কেউই ফিফটি পূরণ করতে পারেননি। ইয়ামিন আহমেদজাইয়ের বলে আউট হওয়ার আগে ৩৯ রান করেন মুমিনুল। আর কায়েস আহমেদের করা বলে রহমানুল্লাহর হাতে ক্যাচ তুলে দেন শান্ত। আউট হওয়ার আগে ২৯ রান করেন তিনি। এরপর দ্রুত সাজঘরে ফেরেন মুশফিকুর রহিমও। ৭ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। এরপর মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন লিটন। মিরাজ ২৪ রানে বোল্ড আউট হলেও ৮৭ বলে ফিফটি তুলে নেন লিটন। ফিফটির পর মাত্র ৩ রান যোগ করতেই সাজঘরে ফেরেন তিনি।  আর লিটনের বিদায়ের পর মাত্র ২ রান করে হাসান মাহমুদ আউট হন। এতে ৮ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তবে শেষ দিকে তাইজুলের ৪ ও নাঈমের অপরাজিত ১১ রানে ভর করে ৩১৭ রান তুলে প্রথম দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ দল। আফগানিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট শিকার করেন মোহাম্মদ সালিম। এ ছাড়াও ইয়ামিন আহমাদজাই- ইসমাত আলম দুটি করে এবং ১ উইকেট শিকার করেন কাইস আহমেদ। আরটিভি/এসআর ‎  
আফগানদের দুর্দান্ত কামব্যাক, ট্রিপল সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের স্বস্তি