বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের চেহারা যেমন বদলায়, তেমনি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গেরও পরিবর্তন ঘটে। তবে একটি বিষয় সারাজীবন একই থেকে যায় সেটি হলো আঙুলের ছাপ বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের আঙুলের ছাপ একটুও বদলায় না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আঙুলের ছাপের নকশা বা রেখাগুলো ত্বকের গভীর স্তরে গঠিত হয়। ত্বকের উপরের স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হলেও গভীর স্তরে কোনো পরিবর্তন ঘটে না। ফলে ত্বকের ওপরের অংশে কাটা বা ছেঁড়া হলেও নির্দিষ্ট সময় পর আগের নকশা অনুযায়ী নতুন ত্বক তৈরি হয়। এ কারণেই আঙুলের ছাপ অপরিবর্তিত থাকে।
আঙুলের ছাপকে মানুষের অনন্য পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। আধুনিক যুগে এটি অপরাধ তদন্ত, পরিচয় নিশ্চিতকরণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে মোবাইল ফোন, ব্যাংকিং, পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্রে নিরাপত্তার জন্যও ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহার করা হয়।
বিজ্ঞানীরা বলেন, পৃথিবীতে দুইজন মানুষের আঙুলের ছাপ কখনোই এক নয়। এ কারণেই আঙুলের ছাপ আজও ব্যক্তিগত পরিচয়ের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
আরটিভি/এসকে





