ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

বিড়ালের মতো মিউ মিউ করল গাঙচিল, অতঃপর...

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ জুন ২০২৬, ১২:১৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

তুরস্কে গাঙচিলের এক অদ্ভুত ও চমকপ্রদ আচরণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, কিছু গাঙচিল বিড়ালের মতো ‘মিউ মিউ’ শব্দ করে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে এবং পরে সেই সুযোগে বিড়ালের খাবার সংগ্রহ করছে।

স্থানীয় সূত্র ও ভাইরাল ভিডিও অনুযায়ী, তুরস্কের রাস্তায় পথবিড়াল ও বুনো বিড়ালের জন্য স্বয়ংক্রিয় খাবার বিতরণ যন্ত্র (ভেন্ডিং মেশিন) বসানো রয়েছে। এসব মেশিনে টাকা দেওয়া বা কখনো প্লাস্টিক বোতলসহ পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্য ফেলার মাধ্যমে বিড়ালের খাবার বের হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকটি গাঙচিল ওই মেশিনের আশপাশে ঘোরাঘুরি করছে। এর মধ্যে একটি গাঙচিল হুবহু বিড়ালের মতো ‘মিউ মিউ’ শব্দ করছে। স্থানীয়দের ধারণা, পাখিগুলো মানুষের সহানুভূতি কাজে লাগিয়ে বিড়ালের উপস্থিতির ধারণা তৈরি করে এবং সেই সুযোগে খাবার পাওয়ার চেষ্টা করছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা ঘটনাটিকে হাস্যকর ও অবাক করা বলে মন্তব্য করেছেন। কেউ কেউ এটিকে গাঙচিলের “অতিরিক্ত বুদ্ধিমত্তা” বলেও উল্লেখ করেছেন।

আরও পড়ুন

পাখিবিদদের মতে, গাঙচিলের আচরণ নতুন নয়। তারা সুযোগসন্ধানী ও পরিবেশ অনুযায়ী দ্রুত শিখে খাবার সংগ্রহ করতে সক্ষম। আগে বিভিন্ন গবেষণায়ও দেখা গেছে, গাঙচিল নানা ধরনের ডাক ও কৌশল ব্যবহার করে যোগাযোগ ও খাদ্য সংগ্রহ করতে পারে। তবে বিড়ালের ডাক নকল করে খাবার পাওয়ার এই আচরণ তুলনামূলকভাবে ব্যতিক্রম হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি গাঙচিলের অভিযোজন ক্ষমতা ও পরিবেশ থেকে শেখার সক্ষমতারই আরেকটি উদাহরণ, যেখানে তারা মানুষের তৈরি ব্যবস্থাকেও নিজেদের সুবিধায় ব্যবহার করতে শিখছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রয়াত আত্মাদের স্মরণে আজ ‘অল সোলস ডে’
মৃত্যুর পরও প্রিয়জনের স্মৃতি বেঁচে থাকে হৃদয়ে। তাদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত, ভালোবাসা ও জীবনের নানা গল্প স্মরণ করেই দিন কাটে স্বজনদের।
প্রয়াত আত্মাদের স্মরণে আজ ‘অল সোলস ডে’
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আজ
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আগামীকাল। প্রতিবছর ২ নভেম্বর জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস পালিত হয়।
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আজ
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
সোমবার (২ নভেম্বর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
প্রাণের মাঝে আয়
নস্টালজিয়া খুব খারাপ জিনিস। না চাইতেও এমন সব স্মৃতি মনে পড়ে, যা কখনও আমাদের হাসায়, আবার কখনও বা কাঁদায়। মনে হচ্ছে এইতো সেদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতে পা রাখলাম। প্রথম ক্লাসে অনেকের দেখেছি দাড়ি-গোঁফ ওঠেনি। আবার কেউতো পরিচিতি পর্বে নিজের নাম বলতেও থরথর করে কাঁপছিল। এরপর কতশত দিন একসঙ্গে। কত স্মৃতি বুকের সঞ্চয়ী হিসাবে জমা।
প্রাণের মাঝে আয়
কাজহীন দিবস আজ
সারাদিন কাজের ব্যস্ততা, একের পর এক দায়িত্ব, আর হাতে লম্বা কাজের তালিকা। এই ব্যস্ততার মাঝেই নিজের জন্য একটু সময় বের করার কথা মনে করিয়ে দেয় ‘জিরো টাস্কিং ডে’ বা কাজহীন দিবস। প্রতি বছর নভেম্বর মাসের প্রথম রোববার পালিত হয় দিনটি। এ বছর ১ নভেম্বর এই বিশেষ দিন। দিনটির মূল ভাবনা খুব সহজ- অন্তত একটি দিন নিজের উপর কাজের চাপ না রেখে বিশ্রাম নেওয়া, পছন্দের কাজ করা কিংবা একেবারেই কিছু না করা। বিশেষ করে যেসব দেশে ডে-লাইট সেভিং টাইম বা দিবালোক সাশ্রয়ী সময়ের নিয়ম চালু রয়েছে, সেখানে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়ার ফলে পাওয়া অতিরিক্ত সময়টিকে নিজের জন্য কাজে লাগানোর ধারণা থেকেই এই দিনের প্রচলন। ‘জিরো টাস্কিং ডে’-র ধারণাটি সামনে আনেন লেখক ও জীবনযাপনবিষয়ক পরামর্শদাতা ন্যান্সি ক্রিস্টি। তার উদ্দেশ্য ছিল, মানুষ যেন কাজের তালিকা থেকে একের পর এক দায়িত্ব মেটানোর বাইরে নিজের সঙ্গে সময় কাটানোর গুরুত্বও বোঝে। মানসিক সুস্থতার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে মেন্টাল হেলথ আমেরিকাও দিনটির প্রচারে ভূমিকা রেখেছে। বর্তমান সময়ে একসঙ্গে একাধিক কাজ সামলানো যেন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কাজের চাপ, সময়ের অভাব এবং প্রতিনিয়ত উৎপাদনশীল থাকার তাগিদে অনেকেই বিশ্রাম নিতে অপরাধবোধ করেন। অথচ প্রয়োজনীয় বিরতি মানসিক চাপ কমাতে, সৃজনশীলতা বাড়াতে এবং কাজে মনোযোগ ফেরাতে সাহায্য করতে পারে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম শরীর ও মনকে নতুন করে চাঙা করে। দিনটি পালনের জন্য বিশেষ কোনও আয়োজনের প্রয়োজন নেই। সকালে একটু দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা, পছন্দের বই পড়া, নিরিবিলি হাঁটতে বেরোনো কিংবা কিছুক্ষণ ধ্যান করাসহ যা ভালো লাগে, তা-ই করতে পারেন।  চাইলে বারান্দায় বসে আকাশ দেখতে পারেন, মনের মতো কোনও রান্না করতে পারেন, ছবি আঁকতে পারেন অথবা দুপুরে একটু ঘুমিয়ে নিতে পারেন। এমনকি ফোন ও কাজের বার্তা থেকে দূরে থেকে নিজের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোও হতে পারে উদ্‌যাপনের অংশ। ‘জিরো টাস্কিং ডে’-র আসল শিক্ষা অবশ্য সারাদিন অলসভাবে কাটানো নয়। বরং প্রতিদিনের দায়িত্বের পাশাপাশি বিশ্রাম ও নিজের যত্নের জন্যও সময় রাখা জরুরি সেই কথাই মনে করিয়ে দেয় দিনটি। কারণ, সব সময় কাজের মধ্যে ডুবে থাকাই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হতে পারে না। কখনও কখনও কিছু না করাও নিজের জন্য প্রয়োজনীয়। আরটিভি/এসআর
কাজহীন দিবস আজ
আরও পড়ুন
বলেশ্বর নদীতে ভেসে এলো বিরল প্রজাতির গাঙচিল