ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

রাস্তা দিয়ে চললেই চার্জ হবে গাড়ি!

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ মে ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

জ্বালানিসাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব হওয়ায় বিশ্বজুড়ে এখন বৈদ্যুতিক গাড়ির জয়জয়কার। কিন্তু দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে গেলেই চালকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে—'মাঝপথে চার্জ শেষ হয়ে যাবে না তো?' চার্জিং স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকার ঝক্কিও কম নয়। তবে প্রযুক্তির কল্যাণে এই সীমাবদ্ধতা এখন কাটতে শুরু করেছে। কেননা স্মার্টফোনের ওয়্যারলেস চার্জিংয়ের মতো এখন আস্ত একটি গাড়ি চলন্ত অবস্থায় রাস্তা থেকেই চার্জ হচ্ছে—এমন দৃশ্য আর সায়েন্স ফিকশন মুভির অংশ নয় বরং বাস্তবে পরিণত হয়েছে। ফ্রান্সের প্যারিস থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের ডেট্রয়েট পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন ব্যস্ততম হাইওয়ে এখন রূপান্তরিত হচ্ছে একেকটি ‘স্মার্ট এনার্জি করিডোরে’।

বিশেষজ্ঞরা এই নতুন উদ্ভাবনকে বৈদ্যুতিক গাড়ি বিপ্লবের 'দ্বিতীয় ধাপ' হিসেবে দেখছেন। এই প্রযুক্তির মূলে রয়েছে ‘ইন্ডাকটিভ চার্জিং’ ব্যবস্থা, যেখানে রাস্তার পিচের কয়েক ইঞ্চি নিচে বসানো থাকে বিশেষ কপার কয়েল। এই কয়েলগুলো বিদ্যুৎ গ্রিডের সাথে যুক্ত থেকে ‘ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স’ পদ্ধতিতে তার ছাড়াই সরাসরি গাড়ির ব্যাটারিতে শক্তি পাঠাতে সক্ষম। এটি এতটাই নিরাপদ যে রাস্তায় মানুষ বা প্রাণী থাকলেও বৈদ্যুতিক শকের কোনো ভয় নেই। তবে এই উচ্চাভিলাষী প্রকল্পের ভবিষ্যৎ কতটা সুদূরপ্রসারী, তা নিয়ে বর্তমানে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

আরও পড়ুন

বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ‘ওয়্যারলেস চার্জিং সড়ক’ বা ইলেকট্রিক রোড সিস্টেম (ইআরএস) বাস্তবায়নে বিভিন্ন অঞ্চল ভিন্ন ভিন্ন কৌশলে নেতৃত্ব দিচ্ছে। এই প্রযুক্তির প্রাথমিক ধারণা কয়েক দশক পুরোনো হলেও সুইডেন বর্তমানে এর স্থায়ী সমাধানের প্রধান পথিকৃৎ হিসেবে কাজ করছে। তারা ২০২৫-২৬ সালের মধ্যে তাদের ই২০ মোটরওয়েকে বিশ্বের প্রথম স্থায়ী চার্জিং সড়কে রূপান্তরের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। দেশটির দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হলো ২০৩৫ সালের মধ্যে ৩ হাজার কিমি রাস্তা বিদ্যুতায়িত করা। এছাড়া ফ্রান্সের প্যারিসে এ১০ হাইওয়েতে ১.৫ কিমি দীর্ঘ উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন চার্জিং প্রকল্প এবং জার্মানিতে বাণিজ্যিক বাস রুট নিয়ে কাজ চলছে।

এছাড়া উত্তর আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের ডেট্রয়েট শহরে প্রথম পাবলিক ওয়্যারলেস চার্জিং রাস্তা চালু হয়েছে এবং ইন্ডিয়ানা ও পেনসিলভেনিয়াতেও একই ধরনের পাইলট প্রকল্প চলমান রয়েছে। এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল তাদের পাবলিক বাস সার্ভিসের জন্য একটি সফল ও বিরতিহীন মডেল তৈরি করেছে। এছাড়াও এশিয়ায় চীন তাদের হাইওয়েতে সোলার প্যানেল যুক্ত চার্জিং সড়ক এবং দক্ষিণ কোরিয়া তাদের নিজস্ব 'অনলাইন ইলেকট্রিক ভেহিকেল' (ওএলইভি) প্রযুক্তির আরও উন্নয়ন ঘটাচ্ছে। এসব বৈশ্বিক প্রচেষ্টার মূল লক্ষ্য হলো বৈদ্যুতিক গাড়ির রেঞ্জ অ্যাংজাইটি দূর করে একটি টেকসই যাতায়াত ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

মূলত, সড়কে ব্যাটারি রিচার্জের এই বৈপ্লবিক প্রযুক্তির ভবিষ্যৎত তিনটি প্রধান স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এটি ব্যাপকভাবে কার্যকর হলে গাড়ির ব্যাটারির আকার ৫০ শতাংশ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। যা যানবাহনের ওজন কমিয়ে জ্বালানি দক্ষতা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেবে। এর ফলে ব্যাটারি উৎপাদন খরচ কমবে এবং বৈদ্যুতিক গাড়ির দাম সাধারণ পেট্রোল চালিত গাড়ির সমান বা তারও নিচে নেমে আসবে।

তবে ব্যক্তিগত গাড়ির চেয়েও পণ্যবাহী ট্রাক এবং পাবলিক বাসের ক্ষেত্রে এই প্রকল্পের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি বলে মনে করেন অনেক বিশেষজ্ঞ। মালবাহী ট্রাকগুলোকে চার্জ দেওয়ার জন্য আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না, যা বিশ্বজুড়ে লজিস্টিক খরচ কমিয়ে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়া ভবিষ্যতের স্মার্ট শহরগুলোতে ট্রাফিক সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় বাস বা ট্যাক্সি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চার্জ হবে। এমনকি চালকবিহীন রোবোট্যাক্সির জন্য এটি হবে এক জাদুকরী সমাধান, কারণ তাদের প্লাগ লাগিয়ে চার্জ দেওয়ার জন্য তখন আর মানুষের প্রয়োজন হবে না। সব মিলিয়ে এই প্রযুক্তি যাতায়াত ব্যবস্থাকে একটি বিশাল পাওয়ার ব্যাংকে পরিণত করার সম্ভাবনা রাখে।

তবে এই বৈপ্লবিক প্রযুক্তির বাস্তবায়নের পথে বেশ কিছু কঠিন চ্যালেঞ্জ বা বাধাও রয়েছে। প্রথমত, সাধারণ হাইওয়ে তৈরির তুলনায় ওয়্যারলেস চার্জিং রাস্তা তৈরি করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল; প্রতি কিলোমিটার রাস্তা বিদ্যুতায়িত করতে গড়ে ১০ থেকে ১৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়। দ্বিতীয়ত, বর্তমানে বিভিন্ন কোম্পানি নিজস্ব প্রযুক্তিতে চার্জিং কয়েল তৈরি করায় কোনো বৈশ্বিক মানদণ্ড নেই, যা মোবাইল ফোনের টাইপ-সি চার্জারের মতো সর্বজনীন হওয়া প্রয়োজন। এছাড়া একসাথে অনেক গাড়ি চার্জ নিলে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়াও রাস্তার নিচে বসানো কয়েলগুলো মেরামত করা অত্যন্ত জটিল এবং আবহাওয়া ও ভারী যানবাহনের চাপে এগুলোর স্থায়িত্ব নিয়ে এখনো দীর্ঘমেয়াদী পরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে।

এদিকে,কয়েক বছর আগে বাংলাদেশেও বৈদ্যুতিক চার্জিং স্টেশনের যুগে প্রবেশ করছে। তবে শুরুতেই সৃষ্টি হয়েছে নানা জটিলতা। কোনও কোনও প্রতিষ্ঠান চার্জিং স্টেশন তৈরি করে বসে থাকলেও পর্যাপ্ত গাড়ি পাচ্ছে না। কোনোটির আবার এখনও সার্ভিস চার্জ ঠিক হয়নি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের তরফ থেকে দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ি প্রচলনের চেষ্টা চলছে। তবে দেশে পর্যাপ্ত চার্জিং স্টেশন না থাকায় সাধারণ মানুষ বৈদ্যুতিক গাড়ি কেনায় খুব আগ্রহ দেখাচ্ছে না। ফলে বিশ্বজুড়ে যখন চলন্ত রাস্তায় চার্জের প্রযুক্তি নিয়ে তোড়জোড় চলছে, তখন বাংলাদেশে প্রাথমিক অবকাঠামো নিশ্চিত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এআই কনটেন্ট শনাক্তের উদ্যোগ জোরদার করছে টিকটক
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি কনটেন্ট চেনা, বোঝা এবং দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহারের জন্য বিশেষ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ‘টিকটক’।
এআই কনটেন্ট শনাক্তের উদ্যোগ জোরদার করছে টিকটক
স্টারলিংকের প্রথম মাসের ফ্রি মোবাইল সেবা, চালু করবেন যেভাবে
মোবাইল টাওয়ারের নেটওয়ার্কের বাইরে থেকেও যোগাযোগের সুযোগ দিতে আসছে স্যাটেলাইটভিত্তিক মোবাইল সেবা। বাংলালিংক গ্রাহকদের জন্য স্টারলিংক প্রযুক্তির এ সুবিধা দুর্গম পাহাড়, উপকূল, সমুদ্র ও নেটওয়ার্কবিহীন এলাকায় যোগাযোগের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। এ সেবার প্রথম মাসে নির্দিষ্ট ইন্টারনেট ও মিশ্র বান্ডেল প্যাকের সঙ্গে বিনা মূল্যে স্যাটেলাইট সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। যেভাবে চালু করবেন সেবা এ সেবা ব্যবহারের জন্য আলাদা স্যাটেলাইট ফোন, ডিশ, অ্যান্টেনা কিংবা বিশেষ কোনো যন্ত্র কেনার প্রয়োজন নেই। তবে শুধু ফোরজি ফোন ও বাংলালিংক সিম থাকলেই সেবাটি ব্যবহার করা যাবে না। এ জন্য ফোনের সামঞ্জস্য, স্যাটেলাইট কাভারেজ এবং সংশ্লিষ্ট নম্বরে সেবাটির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। সেবাটি নিজের নম্বরে চালু আছে কি না, তা জানতে বাংলালিংকের মাইবিএল (MyBL) অ্যাপ ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রয়োজনে যোগাযোগ করা যাবে অপারেটরের গ্রাহকসেবায়। পাশাপাশি ফোনের সফটওয়্যার হালনাগাদ রাখা এবং ফোরজি সুবিধা সক্রিয় আছে কি না, তা পরীক্ষা করতে হবে। আলাদা অ্যাপ ইনস্টল করতে হবে? স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য আলাদা অ্যাপ ইনস্টল করে জটিল সেটআপ করার প্রয়োজন নেই। তবে ফোনটি এ প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে এবং অপারেটরের নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে। কখন স্যাটেলাইটের সঙ্গে যুক্ত হবে ফোন? প্রচলিত মোবাইল টাওয়ারের কাভারেজের বাইরে চলে গেলে উপযুক্ত ফোন স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে খোলা আকাশের নিচে থাকা সুবিধাজনক। ভবন, পাহাড় বা অন্য কোনো বড় বাধা সংযোগে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে নেটওয়ার্কের বাইরে গেলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্যাটেলাইট সংযোগ পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। ফোনের মডেল, ব্যবহারকারীর অবস্থান, স্যাটেলাইট কাভারেজ ও অপারেটরের নির্ধারিত শর্তের ওপর সেবাটি নির্ভর করবে। প্রথম মাসে ফ্রি, এরপর কী? বাংলালিংকের ঘোষিত অফার অনুযায়ী, সেবা চালুর প্রথম মাসে নির্দিষ্ট ইন্টারনেট বা মিশ্র বান্ডেল প্যাকের সঙ্গে অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই স্যাটেলাইট সুবিধা ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। দ্বিতীয় মাস থেকে নির্দিষ্ট মাসিক ইন্টারনেট ও মিশ্র বান্ডেল প্যাকের সঙ্গেও এ সুবিধা পাওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কে ব্যবহারের জন্য প্রতি মাসে পাঁচটি বিনা মূল্যের এসএমএস দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে। তবে কোন কোন প্যাকে এ সুবিধা পাওয়া যাবে, অফারটি পেতে অতিরিক্ত শর্ত রয়েছে কি না এবং সুবিধা গণনার তারিখ কী এসব তথ্য বাংলালিংকের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা থেকে যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন। স্যাটেলাইট সংযোগে কী করা যাবে? প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের বাইরে সীমিত যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করাই এ সেবার মূল উদ্দেশ্য। দুর্গম এলাকা, সমুদ্র, উপকূল কিংবা দুর্যোগের সময় প্রচলিত নেটওয়ার্ক অকার্যকর হয়ে পড়লে এ প্রযুক্তি কাজে আসতে পারে। স্যাটেলাইট সংযোগের মাধ্যমে মেসেজিং, অবস্থানভিত্তিক কিছু সুবিধা এবং নির্দিষ্ট অ্যাপ ব্যবহারের সুযোগ থাকতে পারে। তবে সব অ্যাপ বা অনলাইন সেবা এতে কাজ করবে না। প্রচলিত ফোরজি বা ফাইভজি ইন্টারনেটের মতো উচ্চগতির সংযোগও আশা করা ঠিক হবে না। ডিশ বা অ্যান্টেনা বসানোর প্রয়োজন নেই প্রচলিত স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের সঙ্গে ডাইরেক্ট-টু-সেল প্রযুক্তির পার্থক্য রয়েছে। সাধারণ স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য অনেক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট স্থানে ডিশ বা অ্যান্টেনা বসাতে হয়। কিন্তু ডাইরেক্ট-টু-সেল প্রযুক্তিতে সামঞ্জস্যপূর্ণ মোবাইল ফোন সরাসরি স্যাটেলাইটের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। ফলে বাড়ি বা অফিসে আলাদা ডিশ বসানোর প্রয়োজন হয় না। তবে ফোনের সামঞ্জস্য এবং অপারেটরের সেবার আওতাভুক্ত হওয়া জরুরি। অন্য অপারেটরের গ্রাহকেরা কি পাবেন? বাংলাদেশে সেবাটি বাংলালিংক গ্রাহকদের জন্য চালুর কথা বলা হয়েছে। অন্য অপারেটরের গ্রাহকেরা একই সুবিধা পাবেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য ছাড়া সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না। অর্থাৎ, শুধু ফোরজি ফোন থাকলেই স্টারলিংকভিত্তিক এ সেবা ব্যবহার করা যাবে না। প্রয়োজন হবে সামঞ্জস্যপূর্ণ ফোন, উপযুক্ত সিম এবং সংশ্লিষ্ট নম্বরে সেবাটির প্রাপ্যতা। সংযোগ না পেলে করণীয় ফোনে ফোরজি সুবিধা থাকা সত্ত্বেও স্যাটেলাইট সংযোগ না পেলে প্রথমে ফোনের সফটওয়্যার ও নেটওয়ার্ক সেটিংস পরীক্ষা করতে হবে। এরপর মাইবিএল অ্যাপে সেবাটি নম্বরে চালু আছে কি না, তা দেখতে হবে। এসব পরীক্ষা করার পরও সংযোগ না পেলে বাংলালিংকের গ্রাহকসেবায় যোগাযোগ করে ফোনের সামঞ্জস্য, নম্বরের যোগ্যতা, কাভারেজ এবং অফারের শর্ত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়াই ভালো। আরটিভি/এসকে
স্টারলিংকের প্রথম মাসের ফ্রি মোবাইল সেবা, চালু করবেন যেভাবে
হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচারে বিপাকে পড়তে পারেন পুরোনো ফোনের ব্যবহারকারীরা
নিরাপত্তা জোরদার করতে নতুন ফিচার নিয়ে কাজ করছে জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ। এ ফিচার চালু হলে পুরোনো অপারেটিং সিস্টেমে চলা স্মার্টফোনে অ্যাপটিতে লগইন করতে সমস্যায় পড়তে পারেন ব্যবহারকারীরা।
হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচারে বিপাকে পড়তে পারেন পুরোনো ফোনের ব্যবহারকারীরা
মোবাইল পকেটে রাখলে কি শুক্রাণুর ক্ষতি হয়, গবেষণা যা বলছে 
মোবাইল ফোন এখন দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যোগাযোগ থেকে শুরু করে কাজ ও বিনোদন সব ক্ষেত্রেই বেড়েছে এর ব্যবহার।
মোবাইল পকেটে রাখলে কি শুক্রাণুর ক্ষতি হয়, গবেষণা যা বলছে 
নিজের ছবি দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে স্টিকার তৈরি করবেন যেভাবে
বন্ধুদের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে কথোপকথন আরও মজার করে তুলতে ব্যবহার করা যায় নিজের ছবি দিয়ে তৈরি স্টিকার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের সহায়তায় সহজেই পছন্দের ছবি থেকে স্টিকার তৈরি করে তা হোয়াটসঅ্যাপে যুক্ত করা সম্ভব।
নিজের ছবি দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে স্টিকার তৈরি করবেন যেভাবে
আরও পড়ুন
দেশেই চীনের বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরির অনুমোদন পেল রানার
রেকর্ড মূল্যে বিক্রি হলো ফেরারির প্রথম বৈদ্যুতিক গাড়ি
বাজেট ২০২৬-২৭: বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানিতে কর ছাড়ের প্রস্তাব