ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কার মধ্যেই নতুন লঘুচাপের আভাস, যা জানা গেল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর ২০২৫, ০১:৪৮ পিএম
প্রতীকী ছবি

সুস্পষ্ট একটি লঘুচাপ অবস্থান করছে দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায়। অচিরেই ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপে রূপ নিচ্ছে এটি। বুধবার (২৬ নভেম্বর) অথবা বৃহস্পতিবারের (২৭ নভেম্বর) মধ্যেই গভীর নিম্নচাপটি রূপ নিতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে। সম্ভাব্য এই ঘূর্ণিঝড়টির নাম দেওয়া হয়েছে ‘সেনিয়ার’ যার অর্থ সিংহ।

ঘূর্ণিঝড়ের এই আশঙ্কার মধ্যেই আরেকটি নতুন লঘুচাপের আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন শ্রীলঙ্কা উপকূলীয় এলাকায় নতুন এ লঘুচাপটি সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত সবশেষ বিজ্ঞপ্তি থেকে নতুন এ লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস পাওয়া গেছে।

এদিকে বাংলাদেশ ও ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২২ নভেম্বর) যে লঘুচাপ তৈরি হয়েছে, তা আরও ঘনীভূত হয়ে মালাক্কা প্রণালী ও সংলগ্ন আন্দামান সাগরের উপরে সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হতে যাচ্ছে। সেটি আরও পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ জানায়, সোমবারই (২৪ নভেম্বর) দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন দক্ষিণ আন্দামান সাগরের উপরে গভীর নিম্নচাপ তৈরি হতে পারে। পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় সেটি আরও পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে পরিণত হতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে। তবে, ঘূর্ণিঝড়টি কোথায় আঘাত হানবে, তা এই মুহূর্তেই বলা যাচ্ছে না। আপাতত আন্দামানে প্রবল ঝড়-বৃষ্টির সর্তকতা রয়েছে।

আরও পড়ুন

ভারতীয় আবহাওয়াবিদ সন্দীপ পট্টনায়ক জানিয়েছেন, সমুদ্রের উপরিভাগের ক্ষেত্রফল বড় হওয়ায় এবং প্রশান্ত মহাসাগর থেকে শক্তিশালী বাতাসের স্রোত আসায় আবহাওয়া অনুকূল রয়েছে, যার ফলে দুর্বল নিম্নচাপটি তীব্র হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। যেহেতু শীতল বাতাসের প্রভাব কেটে গেছে, তাই এটির আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে সম্ভাব্য এই ঘূর্ণিঝড় নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশের বেসরকারি সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিমও (বিডব্লিউওটি)।

সংস্থাটির মতে, বর্তমানে সাগরে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ২৫ থেকে ২৭ নভেম্বরের মধ্যে গভীর নিম্নচাপ এবং পরে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে এর সম্ভাব্য নাম হতে পারে ‘সেনিয়ার’। এরপর ২৮ থেকে ২৯ নভেম্বর নাগাদ এটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে মধ্য ও পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে পৌঁছাতে পারে এবং তখন শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সংগত পরিবেশ বজায় থাকলে ঘূর্ণিঝড়টি দিক পরিবর্তন করে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে। সর্বশেষ পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে, ১-২ ডিসেম্বরের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে বাংলাদেশ উপকূলের মধ্যে কোনো অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে। তবে, এটি সুগঠিত হওয়ার আগে আঘাতের সুনির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। আরও কয়েক দিন পর্যবেক্ষণের পর এ বিষয়ে নিশ্চিত ধারণা পাওয়া যাবে।

আবহাওয়ার এই সিস্টেমটি ২১ নভেম্বর থেকে আগামী ২ বা ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তবে, বিশেষ করে ২৬ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে এর তীব্রতা বৃদ্ধির সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে।

এটির প্রভাবে আগামী ২৫ নভেম্বর সন্ধ্যা থেকে দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগরে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটারে পৌঁছাতে পারে। ২৬ নভেম্বর বাতাসের গতিবেগ বেড়ে ৬০ থেকে ৭০ এমনকি ৮০ কিলোমিটারের বেশি হতে পারে। আর ২৭ নভেম্বর বাতাসের গতিবেগ ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শীত নিয়ে আরও বড় দুঃসংবাদ
হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে দেশ। আগামী পাঁচ দিনের শুরুর দিকে শীত আরও তীব্র হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) এই তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির। তিনি জানিয়েছেন, আগামীকাল (বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি) সকাল ৯টার মধ্যে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং দুপুর পর্যন্ত তা কোথাও কোথাও অব্যাহত থাকতে পারে।  আরও পড়ুন সূর্যের দেখা কবে মিলবে, জানাল আবহাওয়া অফিস ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দেশের মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলাসহ খুলনা ও বরিশাল বিভাগের উপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে, দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি আরও প্রবল থাকতে পারে। পরবর্তী কয়েক দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২ জানুয়ারি) থেকে রোববার (৪ জানুয়ারি) পর্যন্ত সারা দেশে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে এবং কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা অব্যাহত থাকবে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হাড় কাঁপানো শীতে সাধারণ মানুষ শীতের তীব্রতা অনুভব করছেন। বিশেষ করে ঘন কুয়াশা এবং তীব্র শৈত্যপ্রবাহে যাতায়াত ও দৈনন্দিন কাজকর্মে অসুবিধা দেখা দিতে পারে। আরটিভি/এসআর
শীত নিয়ে আরও বড় দুঃসংবাদ
যেসব জেলায় রাতেই ‘কনকন’ সক্রিয় হতে পারে
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ ‘কনকন’ সক্রিয় হয়েছে। রাতে আরও ৩০-এর বেশি জেলায় সক্রিয় হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে বিডব্লিউওটি জানায়, দেশে সক্রিয় হয়েছে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ ‘কনকন’। আজ রাতে আরও অনেক জেলায় এটি সক্রিয় হতে পারে। যেসব জেলায় ‘কনকন’ সক্রিয় হতে পারে  চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁ, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, নাটোর, পাবনা, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, কুষ্টিয়া, যশোর, নড়াইল, খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ, মাদারীপুর, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও এর আশপাশের কিছু স্থানে আজ (বুধবার) রাতেই মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ সক্রিয় হতে পারে। বিডব্লিউওটি আরও জানায়, রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টার মধ্যে এসব জেলা ও এর আশপাশের কিছু স্থানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি নেমে আসতে পারে। এমনকি দু-একটি স্থানে কিছু সময়ের জন্য তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও নামতে পারে।  আরটিভি/আরএ
যেসব জেলায় রাতেই ‘কনকন’ সক্রিয় হতে পারে
নতুন বছরের প্রথমদিনে যেমন থাকবে আবহাওয়া
আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই শুরু হতে যাচ্ছে নতুন বছর ২০২৬ সাল। ইতোমধ্যে হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে দেশ। বর্তমানে দেশের ২১ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ। নতুন বছরের শুরুতেও তীব্র শীত অনুভূত করবে সাধারণ মানুষ। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  আবহাওয়া অফিস জানায়, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৯টার মধ্যে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকতে পারে।  আরও পড়ুন ঢাকায় সূর্য উঠবে কবে, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। সংস্থাটি জানায়, দেশের মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলাসহ খুলনা ও বরিশাল বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধানের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং কোথাও কোথাও তা অব্যাহত থাকতে পারে।  এ ছাড়া সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। সারাদেশে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি বিরাজমান থাকতে পারে। আরও জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা দুপুর পর্যন্ত কোথাও কোথাও অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে।  এ ছাড়া সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। সারাদেশে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি বিরাজমান থাকতে পারে। আরটিভি/এসআর
নতুন বছরের প্রথমদিনে যেমন থাকবে আবহাওয়া
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা গোপালগঞ্জে
হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে দেশ। গোপালগঞ্জে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এই মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।  বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ এবং কুয়াশায় দৃষ্টিসীমা ২০০ মিটার। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবু সুফিয়ান। তিনি বলেন, গোপালগঞ্জে বুধবার সকাল ৬টায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৭.৫°সেলসিয়াস। বাতাসে আর্দ্রতা ৯৭%! কুয়াশাচ্ছন্ন আকাশ, দৃষ্টিসীমা ২০০ মিটার। আরও দুই থেকে তিন দিনের মতো জেলায় এমন আবহাওয়া থাকতে পারে। আরও পড়ুন ঢাকায় তীব্র শীতের কারণ জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর এদিন জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, জেলাজুড়ে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে জনপদ। বিভিন্ন স্থানে আগুন জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছে অনেকেই। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নদী তীরবর্তী মানুষেরাসহ নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষ।  তারপরেও জীবিকার তাগিদে হাড়কাঁপানো শীতকে উপেক্ষা করে খুব সকালে কাজের সন্ধানে রাস্তায় বের হচ্ছেন খেটে খাওয়া অনেকেই। হাসপাতালে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। গোপালগঞ্জ শহরের রিকশাচালক আব্দুল মজিদ বলেন, হিমেল হাওয়ায় রিকশা চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। তীব্র শিতের কারণে অনেকেই বাসা থেকে বের হচ্ছে না। এজন্য আমাদের আয় অনেকটা কমে গেছে। সদরের রঘুনাথপুর ইউনিয়নের কৃষক অবনি মন্ডল বলেন, তীব্র শিতের কারণে আমরা জমিতে যেতে পারছি না। বর্তমানে ইরি ধানের সময়, কাজেরও অনেকচাপ। তারপরেও আমরা শিতের কারণে জমিতে যেতে চাচ্ছি না। এদিকে শিতের কানে শ্রমিক ও পাচ্ছি না। আরটিভি/এসআর
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা গোপালগঞ্জে
শীত নিয়ে সারাদেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ
রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে আগামী পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। যেখানে সারাদেশে রাতের এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি বিরাজমান থাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু করে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার জন্য এই পূর্বাভাসের তথ্য জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান। পূর্বাভাস অনুযায়ী, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঘন কুয়াশার কারণে দেশের কোথাও কোথাও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকতে পারে।  আরও পড়ুন ঢাকায় তীব্র শীতের কারণ জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর এতে আরও বলা হয়, ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। এ ছাড়া সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা দুপুর পর্যন্ত কোথাও কোথাও অব্যাহত থাকতে পারে।  এতে বলা হয়, ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, আগামী ১, ২ ও ৩ জানুয়ারি অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশের মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা দুপুর পর্যন্ত কোথাও কোথাও অব্যাহত থাকতে পারে। সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তবে ২ ও ৩ জানুয়ারি সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্ধিত ৫ দিনের শেষের দিকে রাত ও দিনের তাপমাত্রা কমতে পারে। আরটিভি/এসআর
শীত নিয়ে সারাদেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ
আরও পড়ুন
বঙ্গোপসাগরে কেন এত ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড় হয়
ঘূর্ণিঝড়-বন্যায় বিপর্যস্ত শ্রীলঙ্কায় সহায়তা পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ
ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহ নিয়ে সবশেষ যা জানা গেল
ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ নিয়ে ১১ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তি