বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬ , ০৮:২৩ পিএম
যখন আপনার চোখের সামনে কাউকে কাঁদতে দেখেন তখন স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিতে পড়ে যান। সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে বলতে থাকেন ‘ভেঙ্গে পড়ো না’, ‘ধৈর্য্য ধরো’, ‘সব ঠিক হয়ে যাবে’ বা ‘শক্ত হও, জীবন এমনই’ ধরনের কথা। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব কথা বেশির ভাগ সময়ই ওই ব্যক্তিকে সাহায্য করে না। বরং মানুষের আবেগকে স্বীকৃতি দেওয়াই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে কী করবেন?
এই মুহূর্তে সঙ্গে সঙ্গে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবেন না। বরং ওই মুহূর্তে তার পাশে থাকুন। অনেক সময় মানুষ সমাধান নয়, কেবল একজন মনোযোগী শ্রোতা চায়।
আপনি বলতে পারেন
এসব বাক্য মানুষকে বোঝায় যে তার অনুভূতিকে আপনি গুরুত্ব আর স্বীকৃতি দিচ্ছেন।
কী বলা উচিত না
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিচের কথাগুলো অনেক সময় উল্টো চাপ তৈরি করতে পারে—
এ ধরনের বাক্য অনিচ্ছাকৃতভাবে অপর পক্ষের অনুভূতিকে ছোট করে দিতে পারে।
নীরবতাও গুরুত্বপূর্ণ
সব সময় কিছু বলতেই হবে, এমন নয়। কখনো কখনো নীরবে পাশে বসে থাকা, চোখে চোখ রাখা বা (যদি সম্পর্ক অনুযায়ী উপযুক্ত হয়) একটি আলতো স্পর্শও অনেক বড় সমর্থন হতে পারে।
প্রশ্ন করার ধরন
খুব বেশি জিজ্ঞাসাবাদ না করে খোলা মনে প্রশ্ন করাও ভালো। এতে অপর ব্যক্তি নিজের মতো করে কথা বলার সুযোগ পান। যেমন—
যদি মানুষটি কথা বলতে না চান
সবাই কান্নার সময় কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। সে ক্ষেত্রে তার সিদ্ধান্তকে সম্মান করুন। বলতে পারেন, ‘ঠিক আছে। যখন কথা বলতে ইচ্ছা করবে, আমি আছি।’
এতে তিনি চাপ বোধ করবেন না।
যদি আপনি কিছুই বুঝতে না পারেন
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিখুঁত কথা বলার চেয়ে আন্তরিক উপস্থিতি বেশি মূল্যবান। এমনকি আপনি যদি শুধু বলেন, ‘আমি ঠিক জানি না কী বলব, কিন্তু আমি তোমার পাশে আছি।’ সেটিও অনেক সময় গভীর সান্ত্বনা দিতে পারে।
এককথায়
কেউ কাঁদলে তার কান্না থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। বরং তার অনুভূতিকে স্বীকৃতি দিন। বিচার না করে শুনুন এবং পাশে থাকুন। মানুষ নিখুঁত পরামর্শ নয়, বরং আন্তরিক সহমর্মিতা মনে রাখে।
সূত্র: টাইম
আরটিভি/এমএম