ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

একক ভ্রমণকারীদের পছন্দের তালিকায় এবার এশিয়ার ৩ দেশ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৫ এএম
ছবি: সংগৃহীত

একা ভ্রমণ বা সলো ট্রাভেল এখন বিশ্বজুড়ে ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। স্বাধীনভাবে নতুন জায়গা ঘুরে দেখা, নিজের মতো করে সময় কাটানো এবং ভিন্ন সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ থাকায় অনেকেই বেছে নিচ্ছেন একক ভ্রমণ। অনলাইন ভ্রমণবিষয়ক ম্যাগাজিন ট্রাভেল+লিজার প্রকাশিত বিশ্বের সেরা ২৫টি সলো ট্রাভেল গন্তব্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে এশিয়ার তিনটি দেশ থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও জাপান।

থাইল্যান্ড: সলো ট্রাভেলারদের অন্যতম সেরা গন্তব্য

তালিকায় শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে থাইল্যান্ড। নিরাপত্তা, সাশ্রয়ী ব্যয় এবং সহজ যোগাযোগব্যবস্থার কারণে দেশটি একক ভ্রমণকারীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। ব্যাংককের প্রাণবন্ত স্ট্রিট ফুড, জমজমাট নাইট লাইফ এবং আরামদায়ক স্পা সেন্টার পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।

প্রতি বছর এপ্রিল মাসে অনুষ্ঠিত থাই নববর্ষের ‘সংক্রান’ জল উৎসব দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য অনন্য অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে। এছাড়া ফুকেট, ক্রাবি ও ফি ফি দ্বীপের নীল সমুদ্র, ট্রপিক্যাল সৈকত এবং লং-টেইল বোট ভ্রমণ সলো ট্রাভেলারদের কাছে বিশেষভাবে জনপ্রিয়।

ভিয়েতনাম: অ্যাডভেঞ্চার ও খাবারের অনন্য সমন্বয়

তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে ভিয়েতনাম। প্রকৃতি, ইতিহাস এবং বৈচিত্র্যময় খাবারের জন্য দেশটি একা ভ্রমণকারীদের অন্যতম পছন্দের গন্তব্য।

হা লং বে ও বাই তু লং বে-তে ক্রুজ ভ্রমণ, বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক গুহা শোন ডং-এর গাইডেড ট্যুর এবং হ্যানয়ের হোয়ান কিয়েম হ্রদ ভ্রমণ পর্যটকদের কাছে দারুণ আকর্ষণীয়। ইতিহাসপ্রেমীরা ঘুরে দেখতে পারেন হো চি মিন সিটির কু চি টানেল ও যুদ্ধ জাদুঘর।

অন্যদিকে, হোই আন শহরের থু বোন নদীতে পূর্ণিমার রাতে ভাসমান রঙিন লণ্ঠনের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য পর্যটকদের মুগ্ধ করে। পাশাপাশি বেন থান মার্কেটের ঐতিহ্যবাহী ‘বাং সেও’, ‘ফো’সহ স্থানীয় খাবারের স্বাদও সলো ট্রাভেলারদের ভ্রমণকে করে তোলে আরও স্মরণীয়।

জাপান: নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল ভ্রমণের ঠিকানা

তালিকার ১৫তম স্থানে রয়েছে জাপান। নিরাপদ পরিবেশ, আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা এবং সমৃদ্ধ সংস্কৃতির কারণে দেশটি একক ভ্রমণকারীদের জন্য আদর্শ গন্তব্য হিসেবে বিবেচিত।

রাজধানী টোকিওর গিনজা শপিং এলাকা, টোকিও স্কাইট্রি, ঐতিহাসিক সেনসো-জি মন্দির এবং ঐতিহ্যবাহী উদ্যান পর্যটকদের আকর্ষণ করে। এছাড়া জনপ্রিয় রামেন রেস্টুরেন্টে জাপানের ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ নেওয়াও ভ্রমণের অন্যতম আকর্ষণ।

টোকিও থেকে বুলেট ট্রেনে সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায় ঐতিহ্যবাহী শহর কিয়োটোতে। সেখানে শান্ত মন্দির, চা-চক্র এবং বসন্তকালে চেরি ব্লসমের অপূর্ব সৌন্দর্য উপভোগ করতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকেরা ভিড় জমান।

ভ্রমণ বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপত্তা, সহজ যাতায়াত, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি এবং বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতার কারণে থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও জাপান একক ভ্রমণকারীদের জন্য এশিয়ার সেরা গন্তব্যগুলোর মধ্যে অন্যতম।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রয়াত আত্মাদের স্মরণে আজ ‘অল সোলস ডে’
মৃত্যুর পরও প্রিয়জনের স্মৃতি বেঁচে থাকে হৃদয়ে। তাদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত, ভালোবাসা ও জীবনের নানা গল্প স্মরণ করেই দিন কাটে স্বজনদের।
প্রয়াত আত্মাদের স্মরণে আজ ‘অল সোলস ডে’
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আজ
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আগামীকাল। প্রতিবছর ২ নভেম্বর জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস পালিত হয়।
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আজ
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
সোমবার (২ নভেম্বর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
প্রাণের মাঝে আয়
নস্টালজিয়া খুব খারাপ জিনিস। না চাইতেও এমন সব স্মৃতি মনে পড়ে, যা কখনও আমাদের হাসায়, আবার কখনও বা কাঁদায়। মনে হচ্ছে এইতো সেদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতে পা রাখলাম। প্রথম ক্লাসে অনেকের দেখেছি দাড়ি-গোঁফ ওঠেনি। আবার কেউতো পরিচিতি পর্বে নিজের নাম বলতেও থরথর করে কাঁপছিল। এরপর কতশত দিন একসঙ্গে। কত স্মৃতি বুকের সঞ্চয়ী হিসাবে জমা।
প্রাণের মাঝে আয়
কাজহীন দিবস আজ
সারাদিন কাজের ব্যস্ততা, একের পর এক দায়িত্ব, আর হাতে লম্বা কাজের তালিকা। এই ব্যস্ততার মাঝেই নিজের জন্য একটু সময় বের করার কথা মনে করিয়ে দেয় ‘জিরো টাস্কিং ডে’ বা কাজহীন দিবস। প্রতি বছর নভেম্বর মাসের প্রথম রোববার পালিত হয় দিনটি। এ বছর ১ নভেম্বর এই বিশেষ দিন। দিনটির মূল ভাবনা খুব সহজ- অন্তত একটি দিন নিজের উপর কাজের চাপ না রেখে বিশ্রাম নেওয়া, পছন্দের কাজ করা কিংবা একেবারেই কিছু না করা। বিশেষ করে যেসব দেশে ডে-লাইট সেভিং টাইম বা দিবালোক সাশ্রয়ী সময়ের নিয়ম চালু রয়েছে, সেখানে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়ার ফলে পাওয়া অতিরিক্ত সময়টিকে নিজের জন্য কাজে লাগানোর ধারণা থেকেই এই দিনের প্রচলন। ‘জিরো টাস্কিং ডে’-র ধারণাটি সামনে আনেন লেখক ও জীবনযাপনবিষয়ক পরামর্শদাতা ন্যান্সি ক্রিস্টি। তার উদ্দেশ্য ছিল, মানুষ যেন কাজের তালিকা থেকে একের পর এক দায়িত্ব মেটানোর বাইরে নিজের সঙ্গে সময় কাটানোর গুরুত্বও বোঝে। মানসিক সুস্থতার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে মেন্টাল হেলথ আমেরিকাও দিনটির প্রচারে ভূমিকা রেখেছে। বর্তমান সময়ে একসঙ্গে একাধিক কাজ সামলানো যেন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কাজের চাপ, সময়ের অভাব এবং প্রতিনিয়ত উৎপাদনশীল থাকার তাগিদে অনেকেই বিশ্রাম নিতে অপরাধবোধ করেন। অথচ প্রয়োজনীয় বিরতি মানসিক চাপ কমাতে, সৃজনশীলতা বাড়াতে এবং কাজে মনোযোগ ফেরাতে সাহায্য করতে পারে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম শরীর ও মনকে নতুন করে চাঙা করে। দিনটি পালনের জন্য বিশেষ কোনও আয়োজনের প্রয়োজন নেই। সকালে একটু দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা, পছন্দের বই পড়া, নিরিবিলি হাঁটতে বেরোনো কিংবা কিছুক্ষণ ধ্যান করাসহ যা ভালো লাগে, তা-ই করতে পারেন।  চাইলে বারান্দায় বসে আকাশ দেখতে পারেন, মনের মতো কোনও রান্না করতে পারেন, ছবি আঁকতে পারেন অথবা দুপুরে একটু ঘুমিয়ে নিতে পারেন। এমনকি ফোন ও কাজের বার্তা থেকে দূরে থেকে নিজের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোও হতে পারে উদ্‌যাপনের অংশ। ‘জিরো টাস্কিং ডে’-র আসল শিক্ষা অবশ্য সারাদিন অলসভাবে কাটানো নয়। বরং প্রতিদিনের দায়িত্বের পাশাপাশি বিশ্রাম ও নিজের যত্নের জন্যও সময় রাখা জরুরি সেই কথাই মনে করিয়ে দেয় দিনটি। কারণ, সব সময় কাজের মধ্যে ডুবে থাকাই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হতে পারে না। কখনও কখনও কিছু না করাও নিজের জন্য প্রয়োজনীয়। আরটিভি/এসআর
কাজহীন দিবস আজ
আরও পড়ুন
বাংলাদেশের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা
এশিয়া কাপ আর্চারিতে দ্বিতীয় সোনা জিতল বাংলাদেশ 
যে কারণে দিনে দিনে ছোট হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিয়ের আয়োজন
এশিয়া কাপের সূচি ঘোষণা, বাংলাদেশের ম্যাচ কবে কোথায়