সিরাজগঞ্জ থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ড. এম এ মুহিতকে নিয়ে এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা প্রবল। জিয়াউর রহমান সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ছেলে হিসেবে পরিচিত ড. মুহিত এবার তারেক রহমান সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বলে তার নাম আলোচনায় রয়েছে। তার বাবা মতিন জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন। চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এম এ মতিন ৫ বারের মতো জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন। বাবার আসনে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হলেন ছেলে ড. এম এ মুহিত।
বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে জনস্বাস্থ্য এবং অনগ্রসর জনগোষ্ঠী নিয়ে তিনি আগে থেকেই যুক্ত। শুধু দেশে নয় বৈশ্বিক নেটওয়ার্কেও তিনি এসব কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। একাধিক সূত্র বলছে, সমাজকল্যাণ অথবা স্বাস্থ্য এ দুই মন্ত্রণালয়ে যেকোনো একটিতে দেখা যেতে পারে ড. এম এ মুহিতকে।
১৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। এরপরই মন্ত্রীত্ব বণ্টন। এরই মধ্যে মন্ত্রী পদে সম্ভাব্য নামগুলো আলোচনায় এসেছে।
ড . এম এ মুহিত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একজন স্বীকৃত গবেষক। তিনি লন্ডনের বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে এমএসসি এবং লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্ববিখ্যাত সব জার্নালে তার ১৩০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে এবং তিনি ৩০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
ড. এম এ মুহিতের স্বাস্থ্য ও জনসেবা কার্যক্রম আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিস্তৃত। তিনি CSF Global-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাংলাদেশ ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং নেপালে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এছাড়া, তিনি GLM-CPR নেটওয়ার্কের অন্যতম নীতিনির্ধারক হিসেবে বিশ্বের ২৮টি দেশের ৮০টিরও বেশি সংস্থার নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ড. মুহিত ‘প্রফেসর মতিন আই কেয়ার সিস্টেম’এর মাধ্যমে ১১টি আধুনিক চক্ষু হাসপাতাল এবং শাহজাদপুরে একটি মা ও শিশু হাসপাতাল গড়ে তুলেছেন। তার প্রতিষ্ঠিত এই কেন্দ্রগুলো হাজার হাজার মানুষের অন্ধত্ব দূরীকরণ ও মা-শিশুর চিকিৎসায় বিশেষ ভূমিকা রাখছে।
আরটিভি/এসকে




