ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে নিহত দুবাই প্রবাসী আহম্মেদ আলীর মরদেহ ঢাকায় পৌঁছেছে।সোমবার (৯ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ পৌঁছায়।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের সহযোগিতায় আহমেদ আলীর মরদেহ দুবাই থেকে ঢাকায় আনা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
ছালেহ আহমেদের বাড়ি মৌলভীবাজারের বড়লেখায়। তিনি বড়লেখা পৌরসভার গাজিটেকা (বাঁশতলা) গ্রামের মৃত সবর আলীর ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান শহরে বসবাস করে আসছিলেন ছালেহ আহমেদ। সেখানে তিনি পানির গাড়ি চালাতেন। সম্প্রতি ইরানের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তিনি নিহত হন।
এর আগে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান শহরে নিহত হন সালেহ আহমদ। তিনি বড়লেখা পৌরসভার গাজিটেকা গ্রামের মৃত সবর আলীর ছেলে।
স্বজনরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি আজমান শহরে বসবাস করছিলেন এবং সেখানে পানির গাড়ি চালাতেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় তিনি নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে পানির গাড়ি চালানোর সময় চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরানের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র শহরটিতে আঘাত হানে। এতে সালেহ আহমদসহ আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হন।
পরে আহতদের স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা সালেহ আহমদকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত সালেহ আহমদের পরিবারে স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
আরটিভি/এসকে





