রাজধানীর মুগদার মান্ডায় পরকীয়া প্রেমিকার হাতে খুন হওয়া সৌদি প্রবাসী মোকাররমের আট টুকরো করা মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবু রায়হান মোকাররমের চাচাতো ভাই রিফাতের কাছে মরদেহ বুঝিয়ে দেন।
এ ঘটনায় প্রধান আসামি হেলেনা বেগম ও তার ১৩ বছর বয়সী মেয়েকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৩। তবে পরকীয়া প্রেমিকা তাসলিমা আক্তার ওরফে হাসনা এখনও পলাতক রয়েছেন।
গত ১৪ মে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন মোকাররম। এরপর গতকাল রোববার (১৭ মে) মান্ডার প্রথম গলির আব্দুল করিম রোডের ২৬০/১ নম্বর 'শাহনাজ ভিলা'র বেজমেন্ট থেকে মরদেহের সাতটি অংশ উদ্ধার করা হয়। তবে মাথা তখনও পাওয়া যায়নি। পরে রোববার রাত আড়াইটার দিকে বাসার পাশের ময়লার স্তূপ থেকে মাথাটি উদ্ধার করেন পুলিশ।
নিহত মোকাররমের চাচাতো ভাই রিফাত বলেন, আমার ভাই দীর্ঘদিন সৌদি আরবে ছিলেন। দেশে এসে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। তার মরদেহ পুলিশের কাছ থেকে বুঝে পেয়েছি। গ্রামে নিয়ে জানাজার পর মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
মোকাররমের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলায়। তার বাবার নাম সোহরাব মিয়া। তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলে রেখে গেছেন।
র্যাব জানিয়েছে, পরকীয়া প্রেমিকা তাসলিমা আক্তার ওরফে হাসনা (৩১) তার বান্ধবী হেলেনা বেগম (৪০) এবং হেলেনার ১৩ বছর বয়সী মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে মোকাররমকে হত্যা করে মরদেহ আট টুকরো করেন। হত্যাকাণ্ডের পর টুকরো করা মরদেহ পলিথিনে ভরে বিভিন্ন স্থানে ফেলে রাখা হয়। এ ঘটনায় হেলেনা বেগম ও তার মেয়েকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বাড়ি নরসিংদী সদর উপজেলার নন্দরামপুর এলাকায়।
আরটিভি/এসএস




