খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগীর সংখ্যা ৫০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৫৫ লাখ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। একই সঙ্গে কর্মসূচির মেয়াদ পাঁচ মাস থেকে বাড়িয়ে ৬ মাসে উন্নীত করা হয়েছে। আগামী ১৭ আগস্ট থেকে এই কর্মসূচি কার্যকর হবে।
সোমবার (১১ আগস্ট) বিকেলে মানিকগঞ্জ সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রতি পরিবার মাসে ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি চাল পাবে।
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের সততা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। এ জন্য ওএমএস ডিলারদের যাচাই-বাছাই করে তালিকা প্রণয়ন, উপকারভোগীদের সঠিকভাবে নির্বাচন, উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় খাদ্য নিয়ন্ত্রকের সমন্বয়ে তালিকা হালনাগাদ এবং নির্ধারিত সময়ে চাল সংগ্রহ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।
আলী ইমাম মজুমদার আরও বলেন, আপদকালীন খাদ্য মজুদ গড়ে তোলা, প্রান্তিক কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং জেলার খাদ্য গুদামগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
কর্মসূচির সুষ্ঠু বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লা, পুলিশ সুপার মোছাম্মৎ ইয়াছমিন খাতুন, ঢাকা অঞ্চলের খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুরাইয়া খাতুন, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোশাররফ হোসেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন আলী ইমাম মজুমদার।
সভায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
আরটিভি/এমকে




