এক পরিবারের ৫ জনকে কোপাল ছাব্বির, নেপথ্যে কী

আরটিভি নিউজ 

শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫ , ০৬:৫০ পিএম


এক পরিবারের ৫ জনকে কুপালো ছাব্বির, নেপথ্যে কি
ছবি: সংগৃহীত

যশোরের মনিরামপুরে চাঁদা না পেয়ে এক পরিবারের পাঁচজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় মিন্টু হোসেন (৪০) নামের এক ভ্যানচালকের মৃত্যু হয়েছে। ছাব্বির হোসেন ওরফে বড় ছাব্বিরের নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) দিবাগত মধ্যরাতে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মনিরামপুর সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহত মিন্টু উপজেলার হাকোবা গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে। 

বিজ্ঞাপন

হামলার শিকার মিন্টুর দুই ভাই সেন্টু ও পিকুল বর্তমানে যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তাদের মধ্যে সেন্টুর অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ঘটনায় নিহত মিন্টুর মা আমেনা বেগম বাদী হয়ে মনিরামপুর থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ফারুক ও ছোট সাব্বির নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। মূল হোতা বড় সাব্বির এখনো পলাতক।

হামলার শিকার পিকুল হোসেন জানান, তাদের ভাই সেন্টুর চা দোকানে হাকোবা এলাকার সাব্বির এসে পাঁচ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় সাব্বির সেন্টুর চোখে আঙুল ঢুকিয়ে দিতে গেলে তারা বাধা দেন। তখন সাব্বির চলে গিয়ে দলবল নিয়ে এসে তাদের তিন ভাইকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে।

বিজ্ঞাপন

মিন্টুর বাবা আব্দুল আজিজ বলেন, দুই বছর আগে তার মেঝ ছেলে সেন্টুর ভ্যান চুরি হয়ে গেলে হাকোবা ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ আজিম নতুন ভ্যান কেনার জন্য তাদের পাঁচ হাজার টাকা সহায়তা দেন। তখন আজিম বলেছিলেন, এই টাকা ফেরত দিতে হবে না। কিন্তু গত এক মাস ধরে হাকোবা এলাকার সাব্বির সেই টাকা তাদের কাছে দাবি করছিল। তারা কাউন্সিলর আজিমকে সঙ্গে নিয়ে আসতে বললেও সাব্বির তাকে কখনো সঙ্গে আনতে পারেনি।

তিনি আরও বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে সাব্বির আবারও তার ছেলের চা দোকানে এসে টাকা চায়। টাকা না পেয়ে নানা হুমকি-ধমকি দিলে তারা বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সাব্বির ৫-৬ জন সঙ্গী নিয়ে এসে তাদের তিন ছেলেসহ স্বামী-স্ত্রীর ওপর হামলা চালায়। পরে পুলিশ আসার পর হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় তাদের পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

বিজ্ঞাপন

মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান জানান, নিহত মিন্টুর মা চারজনের নাম উল্লেখ ও দুজনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ এরই মধ্যে ছোট সাব্বির ও ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে। প্রধান আসামিকে ধরতে অভিযান চলছে।

আরটিভি/এএএ-টি

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission