বাবাকে হত্যার পর মরদেহের পাশে সিগারেট হাতে বসে ছেলে, অতঃপর... 

আরটিভি নিউজ

সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫ , ০৩:১৯ পিএম


বাবাকে হত্যার পর মরদেহের পাশে সিগারেট হাতে বসে ছেলে, অতঃপর... 
ছবি: সংগৃহীত

পারিবারিক কলহের জেরে মাদারীপুর জেলার শিবচরে গভীর রাতে ঘুমন্ত বাবাকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে ছেলে। হত্যার পর বাবার মরদেহের পাশে বসে ছিলেন তিনি। পরে ছেলে ফারুক মিয়াকে (২৭) আটক করে পুলিশ। 

বিজ্ঞাপন

রোববার (৯ নভেম্বর) শিবচর উপজেলার বাঁশকান্দি ইউনিয়নের ৭ং ওয়ার্ডের পঞ্চগ্রাম এলাকায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

নিহত মতি মিয়া (৬৫) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলারহাট থানার বড়হাটি গ্রামের বাসিন্দা। কাজের সন্ধানে কয়েক দিন আগে পরিবার নিয়ে মাদারীপুরের শিবচরে এসে একটি ভাড়াবাসায় অবস্থান করছিলেন তিনি। 

বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রোববার বিকেল থেকেই পরিবারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতি মিয়া ও তার ছেলে ফারুকের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে রাত আনুমানিক ১টার দিকে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে ঘুমন্ত অবস্থায় পরিকল্পিতভাবে বাবাকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে ফারুক। এতে ঘটনাস্থলেই মতি মিয়ার মৃত্যু হয়। এ সময় পরিবারের লোকজনের ঘুম গেলে এবং চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। হত্যা করে বাবার মরদেহের পাশে বসেই সিগারেট ধরায় ঘাতক ছেলে। পরে শিবচর থানায় খবর দেয় স্থানীয়রা। সোমবার ভোরে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে পুলিশ। একই সঙ্গে বাবাকে হত্যাকারী পাষণ্ড ছেলেকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

মাদারীপুরের শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কোদাল জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে হত্যাকারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আরটিভি/এএ 

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission