দুইদিনে চার দফা ভূমিকম্প হলেও বরিশাল নগরীতে তেমন ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে রোববার (২৩ নভেম্বর) সকালে দেখা যায় নগরীর বেলতলা এলাকায় দুটি ভবন একটি অপরটির ওপর হেলে পড়েছে। স্থানীয়রা পাঁচতলা ভবনটি পাশের নবনির্মিত চারতলা ভবনের ওপর হেলে পড়েছে দাবি করলেও পাচঁতলা ভবনের মালিকের দাবি তার ভবন ঠিকই আছে, বরং পাশেরটিই হেলে পড়েছে।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা বলছেন, পরিদর্শনের পর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।
হেলে পড়া ভবনের মালিক মোতালেব মিয়া বলেন, ভবনটির পশ্চিম পাশে কোনো সমস্যা নেই। পূর্ব দিকের অংশটি নতুন ভবনের সঙ্গে লেগে আছে। সিটি করপোরেশনের অনুমোদন অনুযায়ী চারতলা নকশা ছিল, তবে এক পাশে একটি ইউনিট পাঁচতলা করা হয়েছে। আমাদের ভবন নয়, নতুন ভবনটিই হেলে পড়েছে।
প্রবাসী জহির হাওলাদারের ছেলে ফাখের হাওলাদার দাবি করেন, রোববার সন্ধ্যায় দেখি পাশের ভবনটির ওপর থেকে হেলে আমাদের ভবনের ওপর এসে পড়েছে। এতে আমাদের সেইফটি ট্যাংকের পাইপ ভেঙে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা শুভ বলেন, হেলে পড়া ভবনের প্রতিটি তলায় ভাড়াটিয়ারা বসবাস করছেন। পাশের নতুন ভবনটির নির্মাণকাজ চলছে। নিচতলায় শুধু প্রবাসীর পরিবার থাকে।
এ বিষয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের স্থপতি সাইদুর রহমান বলেন, বেলতলায় ভবন হেলে পড়ার খবর পেয়েছি। বিষয়টি যাচাই করা হচ্ছে।
সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী বলেন, ভূমিকম্পে বরিশাল মহানগরীতে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। হেলে পড়া ভবনটি পরিদর্শন করে প্রকৃত অবস্থা জানা যাবে।
এ বিষয়ে বিকালে বরিশাল সদর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার রবিউল আল আমিন বলেন, বিষয়টি আমাদের কেউ জানায়নি। এখনি ঘটনাস্থলে যাবো। গিয়ে বলতে পারবো কি কারণে হেলে পড়েছে। কোনটি হেলে পড়েছে।
আরটিভি/এমএ




