ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

ধানের শীষে ভোট চাইলেন জুলাই শহিদ সাগরের বাবা

পঞ্চগড় প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:২৩ পিএম
বক্তব্য রাখছেন জুলাই আন্দোলনে পঞ্চগড়ের শহিদ সাগরের বাবা রবিউল ইসলাম। ছবি: আরটিভি

দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মানুষের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে আনতে হলে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিতে হবে ধানের শীষ প্রতীকে। শহিদদের আত্মত্যাগের প্রকৃত মর্যাদা দিতে জনগণকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে পঞ্চগড়ের শহিদ সাগরের বাবা রবিউল ইসলাম।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের রত্নিবাড়ী বাজারে ধানের শীষের পক্ষে পঞ্চগড়-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমিরের পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

বক্তব্যের শুরুতে তিনি জুলাই আন্দোলনে নিহত সব শহিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, আমার ছেলে সাগর কোনো ব্যক্তি বা দলের জন্য জীবন দেয়নি, সে জীবন দিয়েছে দেশের মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। আজ সেই অধিকার আবার হুমকির মুখে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের মানুষ ভোট দিতে পারছে না, নির্বাচন মানেই এখন আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে হলে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং গণতন্ত্রকামী শক্তির পক্ষে অবস্থান নিতে হবে। যদি শহিদদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি না করতে চাই, তাহলে ধানের শীষেই ভোট দিতে হবে।

আরও পড়ুন

পথসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের শহিদরা আমাদের কাছে একটি ঋণ রেখে গেছেন- গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ঋণ। এই ঋণ শোধ করতে হলে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে। পঞ্চগড়ের মানুষ যদি ধানের শীষে ভোট দেন, তাহলে শহিদদের রক্তের মর্যাদা রক্ষা হবে এবং বাংলাদেশ আবার গণতন্ত্রের পথে ফিরবে।

তিনি আরও বলেন, শহিদ সাগরের মতো তরুণদের আত্মত্যাগ আমাদের লড়াইয়ের শক্তি। এই দেশ আর কোনো ফ্যাসিবাদী শাসন মেনে নেবে না। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।

পথসভায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, ছাত্রসমাজ, সাধারণ মানুষ এবং শহিদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/এমএইচজে/

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
গোপালগঞ্জের সাবেক তিন ইউপি চেয়ারম্যান ঢাকায় গ্রেপ্তার
ঢাকার মতিঝিল এলাকা থেকে গোপালগঞ্জের সাবেক তিন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাদের বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জে একাধিক মামলা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বোড়াশী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম মনির আহমেদ (ননী), গোপীনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি শরীফ আমিনুল হক লাচ্চু এবং জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সুপারুল আলম (টিকে)। গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. হাবীবুল্লাহ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জে একাধিক মামলা রয়েছে। আরটিভি/টিআর
গোপালগঞ্জের সাবেক তিন ইউপি চেয়ারম্যান ঢাকায় গ্রেপ্তার
গ্রাম পুলিশ তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি: জহির উদ্দিন স্বপন
গ্রাম পুলিশ সদস্যদের তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রীর পদমর্যাদা) এম জহির উদ্দিন স্বপন। 
গ্রাম পুলিশ তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি: জহির উদ্দিন স্বপন
সাড়ে চার বছরেও শেষ হয়নি ৪ কোটি টাকার সড়ক
ফরিদপুরের সদরপুরে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি এইচবিবি (হেরিংবোন বন্ড) সড়কের কাজ সাড়ে চার বছরেও শেষ হয়নি। প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ২০২২ সালের এপ্রিলে। কিন্তু এ পর্যন্ত কাজ হয়েছে দুই কিলোমিটারেরও কম। অথচ এরই মধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিল বাবদ তুলে নিয়েছে ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা। দীর্ঘ সময়েও কাজ শেষ না হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পদ্মাবেষ্টিত দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নের বাসিন্দারা। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় ২০২২ সালের ২৬ এপ্রিল সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। ৪ হাজার ৭১২ মিটার দীর্ঘ সড়ক নির্মাণে বরাদ্দ দেওয়া হয় ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৬১ হাজার টাকা। কাজটি পায় এম এস মোল্যা কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ইউনিয়নের নন্দলালপুর ঘাট থেকে শুরু হয়ে সড়কটি ওয়াহেদ মোল্যার কান্দি এলাকার কালা মিয়া শিকদারের দোকান পর্যন্ত বিস্তৃত। সূত্রটি আরও জানায়, সড়কটির প্রায় ১ হাজার ৭০০ মিটার নির্মাণের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা উত্তোলন করেছে। তবে বাকি কাজ দীর্ঘদিন ধরে অসমাপ্ত পড়ে রয়েছে। পদ্মাবেষ্টিত দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নটি যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত দিক থেকে দীর্ঘদিন ধরেই পিছিয়ে। বর্ষা মৌসুমে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়। এতে কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতসহ দৈনন্দিন নানা কাজে ভোগান্তিতে পড়েন বাসিন্দারা। এমন বাস্তবতায় সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও কাজ শেষ না হওয়ায় সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। নন্দলালপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজা মিয়া বলেন, বর্ষা মৌসুমে চরাঞ্চলের অনেক এলাকা পানিতে ডুবে যায়। তখন যোগাযোগের জন্য সড়কটির প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়ে যায়। অথচ বছরের পর বছর ধরে নির্মাণকাজ চললেও তা শেষ হচ্ছে না। দ্রুত কাজ সম্পন্ন না হলে এলাকার মানুষের দুর্ভোগ আরও দীর্ঘায়িত হবে। ওয়াহেদ মোল্যার কান্দি গ্রামের বাসিন্দা আজগর হোসেন বলেন, সড়কটির কাজ শুরু হলে আমরা ভেবেছিলাম, দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যার অবসান হবে। কিন্তু সাড়ে চার বছর পার হয়ে গেলেও কাজ শেষ হয়নি। সামান্য কিছু কাজ করে ফেলে রাখা হয়েছে। বর্ষায় আমাদের দুর্ভোগের শেষ থাকে না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি, দ্রুত সড়কটির নির্মাণকাজ শেষ করা হোক। দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন সরদার বলেন, সড়কটি ইউনিয়নের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে যোগাযোগব্যবস্থা অনেকটাই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। নির্মাণকাজ অসমাপ্ত থাকায় সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম এস মোল্যা কনস্ট্রাকশনের মালিক মো. কামরুজ্জামান টিটুর সঙ্গে এ বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘সড়কটির মোট দৈর্ঘ্য ছিল ৪ হাজার ৭১২ মিটার। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ১০০ মিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। অবশিষ্ট ৩ হাজার ৬০০ মিটারের মধ্যে ২ হাজার ৪০০ মিটার নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এ ছাড়া পুরো সড়কে মাটি ভরাটের কাজ অনেক আগেই সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ সড়কে বছরে মাত্র চার মাস কাজ করা সম্ভব হয়। বাকি সময় পানিতে প্লাবিত থাকায় এবং মালামাল পরিবহনের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় কাজ করা যায় না। বর্ষা শেষ হওয়ায় ইতোমধ্যে কাজ শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দু-এক দিনের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু হবে। আশা করছি, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করতে পারব। এ বিষয়ে তৎকালীন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবু এহসান মিয়া বলেন, আমার দায়িত্ব পালনকালে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়েছিল। প্রকল্পের অগ্রগতি ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র দেখে বিস্তারিত বলা যাবে। বর্তমান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরুনাহার বেগম বলেন, প্রকল্পটির বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। কাজের অগ্রগতি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিল পরিশোধ এবং বাকি কাজের বিষয়ে নথিপত্র যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সড়কটির নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। আরটিভি/টিআর
সাড়ে চার বছরেও শেষ হয়নি ৪ কোটি টাকার সড়ক
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ললিপপ খাওয়ার অপরাধে মাদরাসা ছাত্রীকে মারধর
মাদরাসাতে ললিপপ খাওয়ার অপরাধে শ্রাবন্তী খাতুন নামে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বেত দিয়ে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠেছে। আহত ছাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর মা শারমিন বেগম অভিযুক্ত মাদরাসা সুপারসহ দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানাতে একটি অভিযোগ দিয়েছেন। 
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ললিপপ খাওয়ার অপরাধে মাদরাসা ছাত্রীকে মারধর
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের আরও একটি চালান
কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ঢাকা থেকে পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের আরও একটি চালান। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করে ইউরেনিয়ামবাহী গাড়িবহর।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের আরও একটি চালান