১৯৭১ সালে যারা বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছিল, আজ তারা প্রতিপক্ষ হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে যারা বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছিল, আজ তারা প্রতিপক্ষ হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। প্রেসিডেন্ট জিয়া তাদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু সাধারণ ক্ষমার ঘোষণার সম্মান তারা রাখতে পারেননি। তারা স্বাধীনতার সময় মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়ি পাকিস্তানি হানাদারদের দেখিয়ে দিয়ে তাদের ওপর অত্যাচার, নির্যাতন, গণহত্যা এবং বুদ্ধিজীবী হত্যা করেছে, এমনকি মা-বোনদের ওপরও নির্যাতন চালিয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ২ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে গণসংযোগকালে পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, জিয়া পরিবারের একজন প্রেসিডেন্ট ছিলেন, একজন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ১২ ফেব্রুয়ারি যদি আরেকজন প্রধানমন্ত্রী হন, তাহলে বিশ্বের ইতিহাসে এটি বিরল ঘটনা হবে। এটি নতুন ইতিহাস ও নতুন দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। জিয়া পরিবার এ দেশের মানুষের কাছে কত প্রিয়, কত সম্পর্কিত, বন্ধন-বন্ধুত্ব কত গভীর- তা তাদের জনদরদি শাসনব্যবস্থা দেখলেই বোঝা যায়।
তিনি বলেন, আজ প্রেসিডেন্ট জিয়া নেই, বেগম খালেদা জিয়াও নেই। তারা নির্যাতিত ছিলেন, আবার সম্মানিতও ছিলেন। তারেক রহমান তাদের জ্যেষ্ঠ সন্তান। দীর্ঘদিন নির্যাতনের শিকার হয়ে তিনি নির্বাসিত ছিলেন। বাংলাদেশে আসার পর লাখ লাখ মানুষের সামনে ১৫ মিনিট বক্তব্য দিয়েছেন। আল্লাহর সাহায্য চেয়েছেন, মায়ের জন্য দোয়া চেয়েছেন এবং হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ন্যায়পরায়ণতার আলোকে কীভাবে দেশের ও মানুষের সেবা করবেন, সে জন্য দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন। আজ তিনি মায়ের মতো, বাবার মতো গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। প্রেসিডেন্ট জিয়া যেভাবে গণমানুষের নেতা হিসেবে গ্রামে গ্রামে ঘুরেছেন, তিনিও বাবার মতো, মায়ের মতো গ্রামে গ্রামে ঘুরছেন এবং মানুষের দোরগোড়ায় আছেন।
তিনি আরও বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি যদি আমরা সবাই মিলে ধানের শীষে ভোট দিই, তাহলে তারেক রহমান দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন, ইনশাআল্লাহ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আমরা ১২ ফেব্রুয়ারি একটি সুযোগ পেয়েছি। এই সুযোগ আমরা আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়েই তৈরি করেছি। এই দিনটি জাতির সামনে আনার ক্ষেত্রে জনগণ সবচেয়ে বেশি অত্যাচারিত ও নির্যাতিত হয়েছে। এর চেয়েও বেশি অত্যাচারিত ও নির্যাতিত হয়েছে জিয়া পরিবার।
এ সময় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, সদস্য নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, আবুল হাশেম, লক্ষ্মীপুর পৌর বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম লিটন, সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন ও বিএনপি নেতা ইমতিয়াজ আনাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আরটিভি/এমএইচজে





