গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোকলেছুর রহমানকে টেন্ডার ছাড়াই একটি সেতু ভেঙে নিজের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোকলেছুর রহমান মন্ডলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি।
মোকলেছুর রহমান উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ওই ইউনিয়নের বজরা হলদিয়া গ্রামের মৃত নুরুল হক মণ্ডলের ছেলে।
এ বিষয়ে ইউএনও ঈফফাত জাহান বলেন, ওই চেয়ারম্যান টেন্ডার ছাড়াই পুরোনো সেতু ভেঙে ইট ও লোহা তার বাড়িতে নিয়ে গেছেন। বিষয়টি আমরাও জানি না। আপনাদের মাধ্যমে জানলাম। আইনগতভাবে কাজটি উনি ঠিক করেননি। সে কারণে তাকে এ নোটিশ করা হয়েছে। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে এ জবাব চাওয়া হয়েছে। জবাব সন্তোষজনক না হলে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ হবে ওই ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।
শোকজ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ইউপি চেয়ারম্যান মোকলেছুর রহমান বলেন, বিষয়টি সবাই জানেন। তা ছাড়া তছরুপও করি না। যাতে করে না হারায় সে কারণে বাড়িতে রেখেছি। ইউএনও স্যার এখন পরিষদে রাখতে বলেছেন। সে কারণে মালামালগুলো ইউনিয়ন পরিষদে রাখা হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, চেয়ারম্যান মাসখানেক আগে এখানে আসেন। সঙ্গে কয়েকজন লোকও ছিলেন।
উল্লেখ্য, ওই ইউনিয়নের দক্ষিণ রাজীবপুর গ্রামের উত্তরপাড়ার আলম মিয়ার বাড়িসংলগ্ন একটি সেতু ছিল। পুরাতন হলেও ওই সেতু দিয়ে মানুষ ও যানবাহন চলাচল করত। কিন্তু মাসখানেক আগে টেন্ডার ছাড়াই ওই সেতুর অর্ধেকের বেশি অংশ ভেঙে ইট ও লোহাগুলো চেয়ারম্যান মোকলেছুর রহমান তার বাড়িতে নিয়ে আসেন। বর্তমানে সেতুটি শূন্যে ঝুলে থাকায় মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। করা হয়নি কোনো সংযোগ সড়কও। সে কারণে চার গ্রামের প্রায় ২০ হাজার লোকের যাতায়াতে দুর্ভোগ হয়েছে।
আরটিভি/এমএ





