ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ঘোড়ার মাংস ঢাকায় পাচারের চেষ্টা, দুইজনের কারাদণ্ড

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় ঢাকায় পাচারের উদ্দেশ্যে পরিবহনকালে প্রায় ৪০০ কেজি ঘোড়ার মাংসসহ দুইজনকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় আটক দুইজনকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে কাজিপুর উপজেলার মেঘাই ঘাট এলাকায় যমুনা নদীর তীরে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই ডাংগাপাড়া গ্রামের মো. কাওছার আলী পলাশ (৩৫) ও মো. শরিফুল ইসলাম (৪৫)।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে যমুনা নদীর চরে ঘোড়া জবাই করে সেই মাংস কাজিপুর হয়ে ঢাকায় পাঠানোর পরিকল্পনার তথ্য পায় প্রশাসন। তথ্য যাচাইয়ের পর কাজিপুর থানা পুলিশের একটি দল রাতভর নদীতীরবর্তী এলাকায় নজরদারি চালায়।

পরে ঢাকায় পাচারের সময় একটি পিকআপ ভ্যান থেকে ১১টি বস্তায় রাখা প্রায় ৪০০ কেজি হাড়বিহীন ঘোড়ার মাংসসহ দুইজনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা যমুনার চরে ৮টি ঘোড়া জবাই করে মাংস ঢাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন।

ইউএনও মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এর আগেও একই পথে ঘোড়ার মাংস পাচারের সময় দুইজনকে আটক করে শাস্তির আওতায় আনা হয়েছিল। এবার পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১ লঙ্ঘনের দায়ে দুইজনকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

অভিযানের সময় কাজিপুর থানা পুলিশের একটি দল এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল আহাদ উপস্থিত ছিলেন। পরে জব্দকৃত ঘোড়ার মাংস গর্ত করে মাটিচাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহার করে চিকিৎসা দিতেন সুমি, অতঃপর...
ম্যারাডোনার মৃত্যুর ঘটনায় ১২ বছরের কারাদণ্ড পেতে যাচ্ছেন চিকিৎসকরা!
পরকীয়া প্রেমের জেরে ভাবি-ভাতিজাকে হত্যা, দেবরের ১০ বছরের কারাদণ্ড
মিরসরাইয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ৮৩ জনের কারাদণ্ড-জরিমানা