পটুয়াখালীর বাউফলে লঞ্চ ও পন্টুনের চাপে আব্দুর রহমান গাজী (১২) নামের এক কিশোরের ডান পায়ের পাতা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেল প্রায় পাঁচটার দিকে উপজেলার নুরাইনপুর লঞ্চঘাটে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহত আব্দুর রহমান উপজেলার ইন্দ্রকুল গ্রামের বাসিন্দা মো. রাসেল গাজীর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে লঞ্চঘাটের পন্টুনে অবস্থান করছিল আব্দুর রহমান। বিকেল চারটার দিকে কালাইয়া লঞ্চঘাট থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী এমভি বন্ধন-৫ লঞ্চটি নুরাইনপুর ঘাটে ভিড়ে। এ সময় যাত্রীরা লঞ্চে উঠছিলেন। একপর্যায়ে লঞ্চটি ধীরে ধীরে পন্টুনের সঙ্গে ঘেঁষে এলে আব্দুর রহমান পন্টুন থেকে লঞ্চে ওঠার চেষ্টা করে। তখন লঞ্চ ও পন্টুনের মাঝখানে তার ডান পা আটকে যায়। এতে পায়ের পাতার মাংস ছিঁড়ে গিয়ে গুরুতর জখম হয় সে। পরে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে বরিশালে পাঠান।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুর রউফ বলেন, কিশোরটির ডান পায়ের অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর। উন্নত চিকিৎসা ছাড়া তাকে সুস্থ করা সম্ভব নয়, তাই দ্রুত বরিশালে রেফার করা হয়েছে।
কালাইয়া বন্দর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আল মামুন জানান, ঘটনার খবর পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরটিভি/এমএ



