ভাঙ্গায় টর্চ জ্বালিয়ে সংঘর্ষে জড়াল চার গ্রামবাসী, আহত ৪০

আরটিভি নিউজ

শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬ , ১০:৫৮ পিএম


ভাঙ্গায় টর্চ জ্বালিয়ে সংঘর্ষে জড়াল চার গ্রামবাসী, আহত ৪০
ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ফুটবল খেলার প্রচারণাকে কেন্দ্র করে চার গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মুনসুরাবাদ এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুই দিন আগে মুনসুরাবাদ গ্রামের রাহাত নামের এক কিশোর ফুটবল খেলার প্রচারে মাইকিং করছিল। এ সময় তার সঙ্গে খাপুরা গ্রামের জাহিদ ও আজিমের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা মারামারিতে রূপ নেয়। ওই ঘটনার পর থেকেই সংশ্লিষ্ট গ্রামগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

বিজ্ঞাপন

এরই জেরে শুক্রবার সন্ধ্যায় মুনসুরাবাদ বাজার বণিক সমিতির সভাপতি জিন্নাত মিয়াকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ ওঠে খাপুরা গ্রামের কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে মুনসুরাবাদ গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মুনসুরাবাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান নেয়। অপরদিকে খাপুরা গ্রামের সঙ্গে সিংগারডাক ও মাঝিকান্দা গ্রামের লোকজনও যোগ দেয়। তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামিরদী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে জড়ো হয়।

বিজ্ঞাপন

একপর্যায়ে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় একাধিক দোকানপাটে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

ভাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মামুন জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মহাসড়কের দুই পাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission