ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরে সংঘর্ষ, আহত ১১

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুরের নগরকান্দায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের ১১ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেল পাঁচটার দিকে উপজেলার পুড়াপাড়া ইউনিয়নের গোয়ালদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নগরকান্দার পুড়াপাড়া ইউনিয়নের বনগ্রামের মোল্লা পক্ষ ও পাশের গোয়ালদী গ্রামের তালুকদার পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। মোল্লা পক্ষের নেতৃত্ব দেন মশিউর মোল্লা ও জিয়া মোল্লা এবং তালুকদার পক্ষের নেতৃত্ব দেন সলেমান তালুকদার ও রবি তালুকদার। গত ২৮ মার্চ তালুকদার পক্ষের ইসমাইল তালুকদার জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সন্ধ্যায় পুড়াপাড়া বাজারে ওষুধ কিনতে যান। সে সময় একটি চায়ের দোকানে মোল্লা পক্ষের সাইফুল মোল্লার সঙ্গে ইসমাইল তালুকদারের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ইসমাইলকে মারধর করেন সাইফুল। ওই ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে সাইফুল মোল্লা ইসমাইলের বাড়ির সামনে গিয়ে তাঁকে গালাগাল দিতে থাকেন। এ সময় তালুকদার পক্ষের কয়েকজন সাইফুলকে মারধর করেন।

আরও পড়ুন

এলাকাবাসী জানান, ওই ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সাতজন পুলিশ সদস্য ওই দিন থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত এলাকায় পাহারার দায়িত্বে ছিলেন। পুলিশি পাহারার মধ্যেই আজ সকাল থেকে দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। গোয়ালদী গ্রাম ও আশপাশ এলাকাজুড়ে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টার মধ্যে পাঁচ দফায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় দুই পক্ষের ১২টি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এ ছাড়া মোল্লা পক্ষের হেলাল মোল্লার রান্নাঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত মোল্লা পক্ষের চারজন ও তালুকদার পক্ষের ৭ জনসহ মোট ১১ জনকে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

গোয়ালদী গ্রামের বাসিন্দা ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম খান জানান, এলাকায় মোল্লা ও তালুকদার এই দুই পক্ষই প্রতাপশালী। মাঝেমধ্যেই তাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

নগরকান্দা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ সদস্য কম থাকায় প্রথম দিকে সংঘর্ষ ঠেকাতে বেগ পেতে হয়। পরে ফরিদপুর থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মেয়ের লাঠির আঘাতে আহত পিতা, অতঃপর...
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় পারিবারিক কলহের জেরে মেয়ের লাঠির আঘাতে আহত হওয়ার পর বিষাক্ত পদার্থ সেবনে গাজী খোরশেদ আলম (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। 
মেয়ের লাঠির আঘাতে আহত পিতা, অতঃপর...
মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে বাঁচতে চায় শিবগঞ্জের মানুষ
দীর্ঘদিনের জেঁকে বসা মাদকের আগ্রাসন যেন থামছেই না । অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার পদ্মা নদীর চরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের জীবন ।
মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে বাঁচতে চায় শিবগঞ্জের মানুষ
১১ বছরের শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ গ্রেপ্তার
পাবনার ঈশ্বরদীতে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী ষাটোর্ধ্ব এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আবু বক্কার (৬৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের বহরপুর আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে ওই শিশুকে বাড়িতে একা পেয়ে তার ঘরে ঢুকে বক্কার তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় শিশুটি চিৎকার করলে এক প্রতিবেশী ঘটনাস্থলে আসেন। তখন শিশুটিকে রেখে ঘর থেকে বেরিয়ে যান বক্কার। পরে রাতে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত বক্কারকে ধরে একটি ঘরে আটকে রাখেন। এ ঘটনার পর অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে কথা বলে স্থানীয় কয়েকজন বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। ওই দিন মধ্যরাত পর্যন্ত নানা নাটকীয়তা চললেও সমাধান না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত বিষয়টি মামলা পর্যন্ত গড়ায়। পরদিন শিশুটির পরিবার থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযুক্ত বক্কারকে গ্রেপ্তার করে। আশ্রয়ণ প্রকল্পের একাধিক বাসিন্দা বলেন, আবু বক্কারের আচরণ ভালো নয়। তাদের অভিযোগ, তিনি এর আগেও একাধিক নারীর সঙ্গে অশালীন আচরণ করেছেন এবং নারী ও শিশুর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছেন। এ ছাড়া, এর আগেও বক্কার ওই এলাকার ভুক্তভোগী শিশুসহ অন্য শিশুদের শরীরে আপত্তিকরভাবে স্পর্শ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান জানান, ভুক্তভোগী শিশুটির মা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় ধর্ষণচেষ্টার মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরটিভি/টিআর
১১ বছরের শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ: দগ্ধ চারজনেরই মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে গ্যাস লিকেজ থেকে সংঘটিত বিস্ফোরণের ঘটনায় শেষ পর্যন্ত কাউকেই বাঁচানো সম্ভব হয়নি। চার দিন ধরে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে একে একে মারা গেছেন দগ্ধ চারজনই। স্বজনদের কাঁদিয়ে তাঁরা সবাই পাড়ি জমিয়েছেন না ফেরার দেশে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোরের দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রথমে মারা যান স্বামী শরীফ ও স্ত্রী রোজিনা। একই দিন সকালে মৃত্যু হয় রোজিনার ভাই রিয়াজের। সবশেষে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন দুর্ঘটনাকবলিত বাড়িটির কেয়ারটেকার রনি। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন চিকিৎসক সুলতান মাহমুদ শিকদার চারজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। চিকিৎসকেরা জানান, অগ্নিকাণ্ডে চারজনের শরীরই মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছিল। বিস্ফোরণে রনির শরীরের সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ এবং রোজিনার শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। এ ছাড়া শরীফ ও রিয়াজের প্রত্যেকের শরীরের ৪০ শতাংশ করে দগ্ধ হয়েছিল। হাসপাতালে ভর্তির পর থেকেই তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। উল্লেখ্য, শনিবার (১০ অক্টোবর) দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরের সোনাপুর এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে জমে থাকা গ্যাস থেকে এ মর্মান্তিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে দুটি পরিবারের চার সদস্য গুরুতর দগ্ধ হন। এ ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আরটিভি/টিআর
নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ: দগ্ধ চারজনেরই মৃত্যু
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুকুরে ডুবে মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু 
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় পুকুরে গোসল করতে নেমে মোস্তাকিম (১২) নামে এক মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। 
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুকুরে ডুবে মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু 
আরও পড়ুন
সরকারি ভবনের ছাদে উৎপাদন ৬০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ, যুক্ত হলো জাতীয় গ্রিডে
প্রধানমন্ত্রীর ‍উদ্যোগে নতুন ঘর পেল অসহায় লকাই বিশ্বাসের পরিবার
মাদরাসাছাত্রীদের উত্ত্যক্তের জেরে দুই ইউনিয়নের সংঘর্ষ
হারিয়ে যাওয়ার ৫০ বছর পর পাকিস্তান থেকে ভাইদের কাছে ফিরলেন পরী বেগম