ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

তেল সংকটে দড়ি টেনে চলছে ইঞ্জিনচালিত নৌকা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার বেতবাড়ী-পূর্ব সাতবাড়ীয়ায় করতোয়া নদীতে থাকা খেয়া ঘাটে তেল সংকটের কারণে দুই পাড়ে দড়ি বেঁধে হাতে টেনে নৌকা চালাচ্ছেন ঘাটের মাঝিরা। দীর্ঘকাল ধরে এই ঘাটে শ্যালো ইঞ্জিন লাগিয়ে নৌকা চালানো হতো। তবে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে তেল না পেয়ে সেই ঘাটে দড়ি টেনে নৌকা চলাচল করতে দেখা গেছে।

জানা গেছে, উল্লাপাড়া উপজেলার পূর্বাঞ্চলের অন্তত ২০ হাজার লোক বেতবাড়ী-পূর্ব সাতবাড়ীয়া খেয়াঘাট পার হয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা সদরে যাতায়াত করে থাকেন। ভোর ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত চলে নৌকা চলাচল। ঘাটের নৌকায় শ্যালো ইঞ্জিন লাগিয়ে নদী পারাপার করেন মাঝিরা। প্রতিদিন নৌকা চালাতে তাদের তেলের প্রয়োজন হয় অন্তত ৩ লিটার। কিন্তু তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অফিসে আবেদন করার পর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়ের মাধ্যমে তাদের ঘাটের নৌকার জন্য প্রতিদিন এক লিটার করে তেল পাচ্ছেন। এতে অর্ধেক দিনও নৌকা চালানো সম্ভব হচ্ছে না।

ঘাটের মাঝি আব্দুল লতিফ, শহিদুল ইসলাম ও শাহাদত হোসেন সাংবাদিকদের জানান, তেল সংকটে নিরুপায় হয়ে খেয়া নৌকা চালু রাখতে ১ সপ্তাহ ধরে তারা নদীর দুই পারে বাঁশের খুঁটি পুঁতে তাতে এপার ওপার দড়ি বেঁধে হাতে টেনে নৌকা চালাচ্ছেন। হাতে দড়ি টেনে দীর্ঘ সময় নৌকা চালানো খুবই কষ্টকর। তারপরেও তাদেরকে দড়ি টেনেই নৌকা চালাতে হচ্ছে। এ সব মাঝি তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী তেল প্রদানের দাবি জানান।

আরও পড়ুন

স্থানীয় বাসিন্দা মামুন হোসেন ও সাকিব হোসেন জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে বেতবাড়ী-পূর্ব সাতবাড়ীয়া খেয়াঘাটে শ্যালো ইঞ্জিন চালিত নৌকায় পারাপার হয়ে আসছেন। কিন্তু বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে দেশে তেল সংকট দেখা দেওয়ায় এই ঘাট মাঝিরা তাদের নৌকার জন্য উপযুক্ত পরিমাণ তেল পাচ্ছেন না তা ছাড়া এতে নদী পারাপারে সময়ও বেশি লাগছে।

এ ব্যাপারে উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ. টি. এম. আরিফ গণমাধ্যমকে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে আমাদের দেশেও জ্বালানি তেলের প্রভাব পড়েছে। যে কারণে এখন তেল রেশনিং করা হচ্ছে। বেতবাড়ী-পূর্ব সাতবাড়ীয়া ঘাট দিয়ে প্রচুর লোকজন যাতায়াত করেন বলে জেনেছি। আপাতত ঘাট মাঝিদের কষ্ট হচ্ছে। আমরা তাদের কষ্ট লাঘবে সব ধরনের চেষ্টা করছি।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
ছেলের মরদেহ কবরস্থানে নেওয়ার সময় মায়ের মৃত্যু!
কলেজের ক্লাসরুমকে ‘বেডরুম’ বানিয়ে ঘুমান এই অধ্যক্ষ
তাড়াশে স্কুলে অভিভাবক ও মা সমাবেশ
বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর