টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে দোকানে বাকি টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ভাঙচুর করা হয়েছে অর্ধশতাধিক বাড়ি-ঘর। লুটপাট করা হয়েছে দোকানপাট। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল থেকে কয়েক দফা সংঘর্ষে অর্জুনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নিয়ামত আলী খানসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে।
এদিকে এ ঘটনায় বর্তমানে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে, মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
সরেজমিনে দেখা যায়, টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার জগতপুড়া গ্রামের শাকিলের দোকানে বাকি চাইতে যায় গোপালপুর উপজেলার গোল পেঁচা গ্রামের টগর। দোকানটি নলিন বাজারে অবস্থিত। এ সময় উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে তা সালিশের মাধ্যমে মিমাংসা হলেও আক্রোশ থেকে যায়। এরই জের ধরে বুধবার সকালে মসজিদের মাইকে ঘোষনা দিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহকারে ব্যাপক সংঘর্ষে জড়ায় জগতপুড়া-নলিন এবং গোল পেঁচা গ্রামবাসী। দফায় দফায় চলে তাদের সংঘর্ষ। এতে উভয়পক্ষের ২০জন আহত হয়। ভাঙচুর করা হয় গোল পেঁচা গ্রামের অর্ধশতাধিক বাড়ি-ঘর ও দোকানপাট৷ লুটপাট করা হয় জিনিসপত্র। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে, মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।
ভুক্তভোগীরা জানান, দেশীয় অস্ত্রসহকারে বাড়ি-ঘর ও দোকানপাটে হামলা চালানো হয়। লুটপাট করা হয় জিনিসপত্র নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার। যারা এ ঘটনার সাথে জড়িত তাদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেন তারা।
এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.জিল্লুর রহমান জানান, ৩০-৩৫টির মতো বাড়ি-ঘর ও দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলেও জানান তিনি।
আরটিভি/এমএম




