ঢাকা সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩

প্রত্যয়নপত্রে আটকে গেছে সেচ কার্যক্রম, তেল নিতে কৃষি অফিসে ভিড়

কামাল হোসেন(টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ), আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
ছবি: আরটিভি

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সেচ কাজে ব্যবহৃত ডিজেল সংগ্রহে কৃষকদের জন্য নতুন করে ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে কৃষি অফিসের প্রত্যয়নপত্র। এ প্রত্যয়ন ছাড়া ফিলিং স্টেশন থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে না ডিজেল। ফলে প্রতিদিন সকাল থেকেই কৃষি অফিস ও ফিলিং স্টেশনগুলোতে দৌড়ঝাঁপ করতে হচ্ছে কৃষকদের। এতে একদিকে যেমন সময় নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে বেড়ে যাচ্ছে উৎপাদন খরচ। কষ্টের যেন শেষ নেই তাদের।

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি কামাল হোসেনের পাঠানো প্রতিবেদনে জানা গেছে, ঘাটাইলে বোরো আবাদে সেচ দিতে ডিজেল সংগ্রহ করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। প্রত্যয়নপত্র ছাড়া কোনো ফিলিং স্টেশনেই মিলছে না ডিজেল। ফলে জ্বালানি পেতে কৃষি অফিসকেন্দ্রিক চাপ বেড়ে গেছে কয়েকগুণ।

দিনের পর দিন ঘুরেও প্রয়োজনীয় ডিজেল না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরছেন অনেক কৃষক। এতে ব্যাহত হচ্ছে সেচ কার্যক্রম, অনিশ্চয়তার মুখে পড়ছে চলতি মৌসুমের ফসল উৎপাদন। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কৃষি অফিসের সামনে লেগেই থাকছে ভিড়। দূর-দূরান্ত থেকে আসা কৃষকরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন।

আরও পড়ুন

তীব্র গরমে দিনের পর দিন ঘুরেও কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে খালি হাতে ফিরছেন তারা। এতে একদিকে যেমন সময় নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে কৃষকদের খরচ ও শারীরিক কষ্ট। সময়মতো জমিতে সেচ দিতে না পারায় ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তা জানান, যাচাই-বাছাই শেষে প্রত্যয়নপত্রের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের কাছেই জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রত্যয়নপত্রের প্রক্রিয়া সহজীকরণ, অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ এবং পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে চলতি সেচ মৌসুম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাধুসঙ্গে নিজেকে ও অজানাকে জানছেন লালন ভক্তরা
‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’ আধ্যাত্মিক এই বাণীকে সামনে নিয়ে একতারা, দোতারা আর ঢোল বাশির সুরে প্রকম্পিত হয়ে উঠেছে লালন ফকিরের ভবের হাট। 
সাধুসঙ্গে নিজেকে ও অজানাকে জানছেন লালন ভক্তরা
নজর কাড়ছে ৪০ কেজি শস্যদানার দুর্গাপ্রতিমা
দূর থেকে মনে হচ্ছে যেন সোনালি চাদরে মোড়ানো দেবী দুর্গা। কিন্তু একি কাছে যেতেই পুরো ভিন্ন চিত্র। এ কোনো আবরণ নয় প্রতিমার পুরো শরীরজুড়ে রয়েছে ছোট ছোট শস্যদানা, তাও আবার সেটি নাকি মানুষের নয় পরিচিত পাখির খাবার হিসেবেই। যা আবার ফলে বিদেশের মাটিতে। ব্যতিক্রমী এই প্রতিমা তৈরি করে নজির গড়েছেন নাটোরের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। 
নজর কাড়ছে ৪০ কেজি শস্যদানার দুর্গাপ্রতিমা
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
বাবা, এক বটবৃক্ষের নাম। সন্তানের সবরকম ভাল থাকার উৎস, সেটিই যেন আবারও প্রমাণিত এই বাচ্চাদের কণ্ঠে। চারদিকে যখন বিরাজ করছে পূজার আমেজ তখন এই কোমলমতি শিশুদের চোখে পানি, আর কণ্ঠে আক্ষেপ। এ বছর যেন উৎসবের দিনগুলোতে নতুন জামার চেয়েও বড় অভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের বাবা। তাই আনন্দের সময়ও যেন থামছেই না তাদের কান্না।
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
ভিডিওর এই শিশুরা সবাই প্রাথমিকের শিক্ষার্থী। যাদের এখন সহপাঠীদের সাথে ছুটোছুটি করার কথা বিদ্যালয়ের মাঠে। অথচ পানি জমে থাকায় তারা পারছে না খেলতে, কেউ আবার যেতে পারে না টয়লেটেও। আবার পানি পেরিয়ে ক্লাসে যেতে গিয়ে ভিজে যায় কারও পোশাক। বই-খাতায় লেগে যায় কাদা। অভিযোগের যেন শেষ নেই কোমলমতি এই শিশুদের। 
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
হরমুজ সংকটে সৌদি আরবের তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে উঠেছিল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর। কিন্তু সেই পথও এখন রয়েছে হামলার ঝুঁকিতে। হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই তেলবন্দর রক্ষায় এবার সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। শুধু সেনা নয়, সঙ্গে যাচ্ছে রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ঘোষণা দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য।  মাখোঁ জানান, ইয়ানবু রক্ষায় সৌদি আরবের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করেছে ফ্রান্স। সেই চুক্তির আওতায় সেখানে পাঠানো হবে ফরাসি সেনাসদস্য, রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। তবে মাখোঁ একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন। ফরাসি সেনাদের পাঠানো হচ্ছে ইয়ানবু রক্ষার জন্য, চলমান সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার জন্য নয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সৌদি আরবের একটি বন্দর রক্ষায়  কেন সেনা পাঠাতে হচ্ছে ফ্রান্সকে? এর পেছনে বড় কারণ হরমুজ প্রণালির চলমান সংকট। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে হরমুজ দিয়ে জ্বালানি পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পর বিকল্প পথ হিসেবে ইয়ানবুর গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল নিয়ে যাওয়া হয় লোহিত সাগরের এই বন্দরে। সেখান থেকে হরমুজ এড়িয়ে সরাসরি তেল পাঠানো সম্ভব আন্তর্জাতিক বাজারে। কিন্তু সম্প্রতি সেই ব্যবস্থাও খেয়েছে বড় ধাক্কা। ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি ইয়ানবুতে আরামকোর স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষও ইয়ানবুসহ বিভিন্ন এলাকার দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে। এর আগে ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের তিনটি পাম্পিং স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এতে ইয়ানবু দিয়ে তেল রপ্তানিও বন্ধ হয়ে যায়। পরে পাইপলাইনটি আবার চালু করা হয়েছে সীমিত পরিসরে।  ফলে ইয়ানবুর নিরাপত্তা এখন শুধু সৌদি আরবের বিষয় নয়। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রেও বন্দরটির গুরুত্ব বেড়েছে বন্দরটির। আর ফ্রান্সও অনুভব করছে জ্বালানি সংকটের চাপ। মাখোঁ বলেন, আগামী শীতের জন্য ফ্রান্সে পর্যাপ্ত তেল ও গ্যাসের মজুত রয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে তাঁর সরকার। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার কথা বিবেচনা করছে। এমন খবর সত্য হলে তার ফল বিশ্ব ও মার্কিন অর্থনীতির জন্য বিপর্যয়কর হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। যদিও হোয়াইট হাউস অস্বীকার করেছে এমন কোনো পরিকল্পনার কথা। আরটিভি/এআর 
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
আরও পড়ুন
আরটিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধির বাবার মৃত্যুতে প্রতিমন্ত্রী টুকুর শোক
শিশুকে একা পেয়ে ফাঁকা ঘরে নেওয়ার পাঁয়তারা, বৃদ্ধের দাবি রসিকতা
সিঁড়ি বাইতে হিমশিম ৮০ বছরের বৃদ্ধা, চেয়ার ছেড়ে নিচে নামলেন ইউএনও
৯ বছরের শিশুকে পেয়ে ‘নিজেকে থামাতে পারলেন না’ বৃদ্ধ