ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় ১১ টি ইউনিয়নে তীব্র গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিং, ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় সাড়ে ৫ লাখ মানুষ। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন চলমান এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা।

কয়েক সপ্তাহ ধরে পিরোজপুর জেলার তাপমাত্রা ৩৩ থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। এর সঙ্গে বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় গরমের তীব্রতা আরও বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট জনজীবনকে করে তুলেছে অসহনীয়। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে তীব্র সমালোচনা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দিনে গড়ে ৭ থেকে ৮ বার এবং রাতে ৬ থেকে ৭ বার লোডশেডিং হচ্ছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় বিদ্যুৎ না থাকায় স্বস্তিতে ঘুমাতে পারছেন না কেউই। শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থদের দুর্ভোগ আরও বেশি বেড়েছে। এদিকে উপজেলার কয়েক হাজার এসএসসি পরীক্ষার্থী এই পরিস্থিতিতে পড়াশোনায় মারাত্মক সমস্যার মুখে পড়েছে।

এসএসসি শিক্ষার্থী চুমকি আক্তার জানায়, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না থাকায় রাতে ঠিকমতো পড়াশোনা করা সম্ভব হচ্ছে না, যা তাদের পরীক্ষার প্রস্তুতিকে ব্যাহত করছে। রাতে অনেকবার বিদ্যুৎ চলে যায়। এতে পড়াশোনায় খুব ক্ষতি হচ্ছে। দ্রুত এর সমাধান দরকার।

অন্যদিকে, দিনভর কঠোর পরিশ্রমের পর বিদ্যুৎ না থাকায় স্বস্তি পাচ্ছেন না নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ। গরমে ক্লান্ত শরীর নিয়ে বাড়ি ফিরেও তারা পাচ্ছেন না বিশ্রামের সুযোগ।

আরও পড়ুন

এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. আমিনুল ইসলাম সুমন আরটিভি নিউজকে জানান, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় লোডশেডিং দিতে হয়। যেখানে ১৬ মেগাওয়াট ডিমান্ড, সেখানে বিদ্যুৎ পাই কখনও ১২ মেগাওয়াট কখনও ৬ মেগাওয়াট। এটা ভান্ডারিয়া গ্রিট থেকে কন্ট্রোল করে। ফ্রিকুয়েন্সি ডাউন হলে লোড কমিয়ে দেয় তারা। গ্রিট থেকে যখন বলে তখনই সাথে সাথে লোডশেডিং দিতে হয়। কতবার লোডশেডিং দিতে হয় তার হিসাব আমাদের কাছেও নেই। তবে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া চেষ্টা চলছে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
আজ টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
বাড়ির জন্য সোলার প্যানেল কেনার আগে যেসব বিষয় জানা জরুরি
টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
রাশেদ খাঁনের বক্তব্যের মাঝে হঠাৎ হাজির লোডশেডিং, অতঃপর...