আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষের ভোটের কালির দাগ মুছে যাওয়ার আগেই প্রধানমন্ত্রী তার দেওয়া কথা রেখেছেন। প্রথম ক্যাবিনেট মিটিংয়েই আমরা প্রায় ১১ লাখ কৃষকের দেড় হাজার কোটি টাকা কৃষি ঋণ মওকুফ করেছি। ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রজেক্ট চালু করে প্রথম দিনেই ৩৮ হাজার ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করেছি। ইতিমধ্যে কৃষি কার্ড উদ্বোধন করেছি। ঈদের আগেই ইমামদের জন্য মাসিক ভাতার পাইলট প্রজেক্ট চালু করেছি।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘উন্নয়ন সংলাপ: কেমন দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল চাই’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। এই সংলাপ আয়োজন করে বৃহত্তর কুষ্টিয়া অফিসার্স ফোরাম। এ সময় সংগঠনটির সভাপতি ও সিনিয়র সচিব (পিআরএল) ড. খ ম কবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে গেস্ট অব অনার ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলার সংসদ সদস্যরা।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘মাননীয় সংসদ সদস্যদের বলব, আসেন না গলা ছেড়ে কথা বলি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড সমাজ পরিবর্তনের জন্য একটি বিপ্লবী অঙ্গীকার। খাল খনন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে একদিকে যেমন ডিপ ওয়াটার উত্তোলন বন্ধ হবে, অন্যদিকে সারফেস লেভেলের পানিতে মাছ চাষ হবে।

দুই পাশে যদি আমরা গাছ চাষ করি তাহলে আমরা একটি উন্নত বাংলাদেশের দিকে নিয়ে যেতে পারব।
তিনি আরও বলেন, আমরা দোষারোপের রাজনীতি থেকে বের হতে চাই। আপনারা দেখেছেন- ইতিমধ্যেই পার্লামেন্টে বিদ্যুৎ সংকট, মধ্যপ্রাচ্য সংকট কিভাবে নিরসন করা যায় সেটার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধী দলের নেতার উদ্যোগে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে পাঁচজন এবং আমাদের পক্ষ থেকে পাঁচজনকে রাখা হয়েছে। আমরা সঠিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছি সে উদ্যোগের পথ ধরে হেঁটে যেতে চাই।
হানাহানি, রক্তপাত থাকবেই। রাজনৈতিক বিরোধ আদর্শিকভাবে থাকবেই। কিন্তু আমাদের চিন্তার ঐক্য, ভাবনা, এই অঞ্চলের মানুষের উন্নয়ন নিয়ে। এই উন্নয়নের ঐক্যকে ধারণ করেই আমরা একে অন্যের সঙ্গে হাত মিলিয়ে এগিয়ে যাব। আমরা চেষ্টা করব এই অঞ্চলের ন্যায্য হিস্যা ফিরিয়ে আনার জন্য।
আরটিভি/এমএ




