ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় সার ও ধানের বাজারে অনিয়ম, ক্ষতির মুখে কৃষক 

কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৫ পিএম
ছবি: আরটিভি

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায় চলতি মৌসুমে ধানের ভালো ফলন হলেও কৃষকের মুখে হাসি নেই। বরং সার সংকট, অতিরিক্ত মূল্য আদায় এবং ধানের কম দামে বিক্রির কারণে প্রান্তিক কৃষকরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় কৃষক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সার সরবরাহে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করা হয়েছে। এতে প্রতি বিঘা জমিতে গড়ে প্রায় ৫ হাজার টাকা অতিরিক্ত খরচ গুনতে হয়েছে কৃষকদের। উপজেলার মোট আবাদি জমির হিসাব অনুযায়ী, এতে প্রায় ২৭ কোটি টাকার বেশি অতিরিক্ত অর্থ কৃষকদের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অন্যদিকে সরকার নির্ধারিত ধানের দাম কেজি প্রতি ৩৬ টাকা হলেও কৃষকরা বাধ্য হয়ে ২৫-২৬ টাকায় ধান বিক্রি করছেন। এতে আরও প্রায় ৪৮ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে হিসাব করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে উপজেলার কৃষি অর্থনীতিতে প্রায় ৭৫ কোটি টাকার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে ধারণা স্থানীয়দের।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর প্রায় ৭ হাজার ২৫৮ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়েছে, যা বিঘায় প্রায় ৫৪ হাজারের বেশি। প্রতি বিঘায় গড়ে প্রায় ৮৮০ কেজি ধান উৎপাদন হয়েছে। তবে উৎপাদন ভালো হলেও বাজার ব্যবস্থাপনায় অসামঞ্জস্যের কারণে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না।

উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের কৃষক ফরিদ তরফদার বলেন, বস্তাপ্রতি ৪০০-৪৫০ টাকা বেশি দিয়ে সার কিনতে হয়েছে। রসিদ চাইলে ডিলাররা নানা অজুহাত দেন।

ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের কৃষক আব্দুর রহিম অভিযোগ করে বলেন, আমরা মাঠে পরিশ্রম করি, কিন্তু দাম ঠিক করে অন্যরা।

কুশুলিয়া ইউনিয়নের কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, সার কিনতে বাড়তি টাকা দিতে হয়েছে, আবার ধান বিক্রির সময়ও কম দাম পাচ্ছি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে একাধিক ডিলার, সাব-ডিলার ও খুচরা বিক্রেতার মাধ্যমে একটি নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে, যার মাধ্যমে এই অনিয়মগুলো সংঘটিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে কৃষকদের অভিযোগ, মাঠ পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তাদের তদারকি কম থাকায় তারা সরকারি মূল্য, রোগবালাই প্রতিকারসহ প্রয়োজনীয় তথ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়ুন

বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সারের অতিরিক্ত দাম নিয়ে একাধিকবার আলোচনা করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা দেখা যায়নি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওয়াসিম উদ্দীন বলেন, বাজারে কোনো সংকট নেই। কৃষকরা অতিরঞ্জিতভাবে বিষয়টি তুলে ধরছেন।

এদিকে জেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জানান, সরকারি দামে সার বিক্রি ও ধান ক্রয়ের নির্দেশনা রয়েছে। কোনো অনিয়ম থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে।

স্থানীয় কৃষক ও সচেতন মহল বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে কৃষি খাতের ওপর এর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘প্রধানমন্ত্রী দেশে কর্মচাঞ্চল্যতা সৃষ্টি করেছেন, মানুষের মধ্যে গতিশীলতা এনেছেন’ 
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) চেয়ারম্যান বেনজির আহমেদ টিটো বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী দেশে কর্মচাঞ্চল্যতা সৃষ্টি করেছেন, মানুষের মধ্যে গতিশীলতা এনেছেন। উনার যে চলার গতি, কর্মের গতি, সেটার সঙ্গে আমরা কতটুকু তাল মিলাতে পারবো সেটা নিয়ে সবসময় ভয়ে থাকি।  তিনি বলেন, বিসিকের উদ্যোগে প্রথমবারের চাকুরীমেলার আয়োজন করা হয়েছে। বিসিক চাকরীপ্রার্থী ও চাকরিদাতার মধ্যে সেতুবন্ধন করেছে। চাকরী পাওয়ার প্রক্রিয়াটি সহজ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।  মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জে বিসিক চাকরি মেলা ২০২৬ এর শুভ উদ্ধোধন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চাকরী প্রত্যাশীদের উদ্দেশ্যে বেনজির আহমেদ টিটো বলেন, ‘সবাই চাকরি করলে হবে না ভবিষ্যতে আপনি চাকরি দিতে পারবেন সেটারও জন্য প্রস্তুত হতে হবে। বিসিক উদ্যোক্তা তৈরী করছে। নিজস্ব মেকানিজমে অতি ক্ষুদ্র ঋন প্রদান করছে। দেশের অনেক বড় জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানের শুরু বিসিক থেকে। উদ্যোক্তা তৈরী করে গ্রামীন অর্থনীতিকে কিভাবে জাতীয় অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করতে পারে বিসিক সেই চেষ্টা করছে। উদ্যোক্তাদের জন্য বিসিকে দ্বার সবসময়ই খোলা।’ অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, নাসিকের প্রশাসক এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাসুকুল ইসলাম রাজিব, বিকেএমইএর সহ-সভাপতি মোরশেদ সারোয়ার সোহেলসহ প্রমুখ। বিকেএমইএ'র সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘আজকে বিসিক চাকরী মেলার যে উদ্যোগ সেটা প্রধানমন্ত্রীর ১ কোটি বেকার যুবককে চাকরী প্রদানের যে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবে।’ বিসিক নারায়ণগঞ্জের এজিএম জসিমউদ্দিন জানান, ১৩টি ফার্মাসিউটিক্যালস, ৭টি গার্মেন্টসসহ নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ ও নরসিংদী এই তিন জেলা থেকে ৪৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে ৬৫০ জন চাকরী পাবেন। চাকরী প্রত্যাশীরা বলছেন, এই ধরনের আয়োজনে তাদের জন্য নতুন এক অভিজ্ঞতা। এখানে কোন ধরনের সুপারিশ ছাড়াই চাকুরী পাওয়ার সুযোগ পেয়ে তারা আনন্দিত। এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে আরও করার দাবি জানান। পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতেও সরকার উদ্যোগ নিবে এই প্রত্যাশা করেন। আরটিভি/ এসকেডি
‘প্রধানমন্ত্রী দেশে কর্মচাঞ্চল্যতা সৃষ্টি করেছেন, মানুষের মধ্যে গতিশীলতা এনেছেন’ 
অদৃশ্য কারণে দুর্নীতিতে সাজাপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন স্বপদে বহাল
এক কোটি টাকার ওষুধ কিনে পার্বত্য জেলা পরিষদ থেকে চার কোটি টাকার বিল উত্তোলন করার দায়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলার সিভিল সার্জন ড. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরীকে বিগত একমাস আগে ওএসডি করা হয়েছিল। কিন্তু কোন এক অদৃশ্য কারনে এই সিভিল সার্জনকে আবারো স্বপদে বহাল করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। ২৭ সেপ্টেম্বর জারি করা এক প্রজ্ঞাপন থেকে এই তথ্য জানা গেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ওএসডি হিসেবে থাকা ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরীকে পুনরায় বান্দরবান পার্বত্য জেলার সিভিল সার্জন চলতি দায়িত্ব পদে পদায়ন করা হয়েছে এবং ২৯ সেপ্টেম্বর তারিখের মধ্যে কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত: এক কোটি টাকার ওষুধ কিনে চার কোটি টাকা উত্তোলন, টেন্ডারে অনিয়ম এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে একটি নিউজ প্রকাশিত হয়। নিউজের সূত্র ধরে ২০ আগস্ট জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে বান্দরবানের সিভিল সার্জন চলতি দায়িত্ব পদ থেকে ঢাকার মহাখালীস্থ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে বদলি করা হয়েছিল। এদিকে, বদলির আদেশ প্রত্যাহারের মতো এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বান্দরবানের বেশ কয়েকজন ​স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা জানান, ১ কোটি টাকার ওষুধ ৪ কোটি টাকায় কেনাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে সিভিল সার্জন শাহীনের বিরুদ্ধে। এমন পরিস্থিতিতে তাকে ওএসডি করায় সাধারণ মানুষ আশার আলো দেখলেও, এক মাসের মাথায় আবারও একই পদে ফিরিয়ে আনাটা রহস্যজনক। আরটিভি/ এসকেডি
অদৃশ্য কারণে দুর্নীতিতে সাজাপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন স্বপদে বহাল
স্বামী মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে রেললাইনে স্ত্রী, একসঙ্গে সৎকার
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার রাধানগড় ইউনিয়নের মালিগাঁও গ্রামে স্বামীর মৃত্যুর পর শোক সইতে না পেরে বাড়ির পাশে রেললাইনে গিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক নারী। 
স্বামী মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে রেললাইনে স্ত্রী, একসঙ্গে সৎকার
আবাসিক হোটেলের টয়লেটে চিনি জ্বাল দিয়ে তৈরি হচ্ছিল ‘খাঁটি মধু’
টয়লেটে গ্যাস সিলিন্ডার ও চুলা বসিয়ে আসল মধুর সঙ্গে ১০ কেজি চিনি জ্বাল দিয়ে তৈরি হচ্ছিল ‘খাঁটি মধু’। খবর পেয়ে ফেনী শহরের বড় মসজিদ রোডের ‘হোটেল ট্যুরিস্ট আবাসিক’-এ অভিযান চালিয়ে ভেজাল মধু প্রস্তুতকারী চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— মোহাম্মদ মহসিন (৪৫), মেহেদী হাসান (৪০), মোহাম্মদ রাসেল (৩৮) ও জসিম উদ্দিন (৪০)। তাদের সবার বাড়ি কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার উপজেলায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হোটেলের ছয়তলার একটি কক্ষের টয়লেটে দীর্ঘদিন ধরে গ্যাসের চুলা বসিয়ে চিনি জ্বাল দিয়ে ভেজাল মধু তৈরির কাজ চালিয়ে আসছিল চক্রটি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাতে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে চক্রের মূল হোতা মোহাম্মদ মহসিন জানান, বাজারে ভালো মানের প্রতি কেজি খাঁটি মধুর দাম ১ হাজার ২০০ টাকার ওপরে। সাধারণ ক্রেতাদের কমদামে মধু কেনার আগ্রহ থাকে। এই ধারণাকে পুঁজি করেই তারা প্রতিদিন দুই কেজি আসল মধুর সঙ্গে ১০ কেজি চিনি মিশিয়ে ১২ কেজি ভেজাল মধু তৈরি করত।  দুই কেজি আসল মধু ও চিনি জ্বালাতে তাদের খরচ হতো প্রায় সাড়ে তিন হাজার টাকা। এরপর সেগুলো বোতলে ভরে ‘খাঁটি মধু’ নামে প্রায় ছয় হাজার টাকায় বাজারে বিক্রি করা হতো। জিজ্ঞাসাবাদে মহসিন আরও জানান, তাদের চক্রে মোট ৩৮ জন সদস্য রয়েছেন। এর মধ্যে ২৪ জন সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া এলাকায় এবং অপর ১৪ জন এই আবাসিক হোটেলে অবস্থান করে তৈরি করা ভেজাল মধু বিভিন্ন এলাকায় প্রতিনিয়ত বিক্রি করতেন। হোটেল ট্যুরিস্ট আবাসিকের ব্যবস্থাপক রুস্তম আলী বলেন, পুলিশ যাদের হোটেল থেকে আটক করেছে, তারা দীর্ঘ আট বছর ধরে আমাদের হোটেলে নিয়মিত যাতায়াত ও অবস্থান করতেন। আমরা তাদের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বলে জানতাম। তবে তাদের ব্যবসা কী, কখনো জানার চেষ্টা করিনি। তাদের আচরণেও কখনো সন্দেহ হয়নি। টয়লেটের ভেতরে এমন অপকর্ম চলছিল, তা হোটেলের কেউ কখনো টের পাননি। স্থানীয় বাসিন্দা নুর নবী জীবন বলেন, একে তো অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চিনি জ্বাল দিয়ে ভেজাল মধু উৎপাদন করা হচ্ছে, তার ওপর খাঁটি মধুর নাম দিয়ে বাজারে বিক্রি করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে চক্রটি। সহজ-সরল মানুষেরা এসব মধু কিনে যেমন প্রতারণার শিকার হচ্ছেন, তেমনই তাদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি হচ্ছে। খাদ্যে ভেজাল মিশ্রণের সঙ্গে জড়িত এমন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। অভিযান পরিচালনাকারী ফেনী মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোহাম্মদ সবুজ বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিরা চিনি মিশিয়ে ভেজাল মধু তৈরির কথা স্বীকার করেছেন। গ্রেফতার চারজনকে সোমবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আরটিভি/এসআর
আবাসিক হোটেলের টয়লেটে চিনি জ্বাল দিয়ে তৈরি হচ্ছিল ‘খাঁটি মধু’
‘আব্বা’ ডেকেও রেহাই পেলেন না ছাত্রদল নেতা
পটুয়াখালীর মহিপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মহিপুর থানা সদর ইউনিয়নের ছাত্রদলের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান ফারুক।
‘আব্বা’ ডেকেও রেহাই পেলেন না ছাত্রদল নেতা
আরও পড়ুন
কৃষকলীগ নেতাকে ছাড়াতে থানায় হাজির জামায়াত নেতা, অতঃপর...
দুই শতাধিক কৃষকের জমি দখলের চেষ্টা, প্রতিবাদে মানববন্ধন
ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে বড় সহায়তা চায় বাংলাদেশ
সার সংকট মোকাবিলায় পবা উপজেলা প্রশাসনের অভিনব উদ্যোগ