ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী মনোজ কুমার লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর পরিদর্শন করেছেন।
শনিবার (২ মে) সকালে বুড়িমারী স্থলবন্দরে শুল্ক স্টেশন (কাস্টমস), বন্দর কর্তৃপক্ষ, সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন ও আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
বুড়িমারী স্থলবন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শুল্ক স্টেশন কাস্টমস কর্মকর্তা ও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও সীমান্ত বাণিজ্যের সার্বিক উন্নয়ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়।
আলোচনাকালে মনোজ কুমার বলেন, বুড়িমারী স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি ক্ষেত্রে যে জটিলতা রয়েছে, তা নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। যেসব পণ্য দেশের অন্যান্য স্থলবন্দরে চালু আছে, অথচ বুড়িমারী স্থলবন্দরে নিষিদ্ধ, সেগুলো নিয়ে কাজ করা হবে। তিনি আরও বলেন, বিজনেস ভিসাসহ সব ধরনের ভিসা-সংক্রান্ত জটিলতা দূর করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বাস দেন।
এ ছাড়া বৈঠকে দুই দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে সুবিধা-অসুবিধার বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
এরপর তিনি বুড়িমারী স্থলবন্দর চেকপোস্টের শূন্যরেখায় গিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে স্থলবন্দরের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
বুড়িমারী স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন ও আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা বলেন, ভারত ও ভুটান থেকে যেসব পণ্য অন্যান্য বন্দরে আমদানি-রপ্তানি হয়, কিন্তু বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে হয় না, সে বিষয়ে হাইকমিশনারকে অবগত করা হয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ আলোচনা ফলপ্রসূ হবে।
বুড়িমারী স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান বলেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার স্থলবন্দর পরিদর্শনে এসেছেন। বন্দরের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। পরে তিনি বুড়িমারী স্থলবন্দর থেকে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।
আরটিভি/টিআর




