নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার দাসেরগাঁও এলাকার ‘এস এস ক্যাটেল ফার্মে’ দেখা মিলছে অ্যালবিনো জাতের এক মহিষের। যার রাখা হয়েছে ‘নেতানিয়াহু’।
মহিষটির কিছুটা চঞ্চল, রাগী ও আক্রমণাত্মক ভঙ্গিই এই নাম রাখার কারণ বলে জানিয়েছেন খামারসংশ্লিস্টরা।
খামারি ও দর্শনার্থীরা জানান, কোরবানির ঈদ সামনে রেখে এই মহিষকে দেখতে জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে হইচই। প্রতিদিন ভিড় করছে শত শত মানুষ।
এর আগে সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জে একটি খামারে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পের’ সঙ্গে চেহারা ও চুলের মিল থাকায় ভাইরাল হয় একটি একই জাতের একটি মহিষ। এরই ধারাবাহিকতায় এবার আলোচনায় এসেছে ‘নেতানিয়াহু’।
অ্যালবিনো জাতের এই মহিষের ওজন ৭৫০ কেজির বেশি। আচরণেও দেখা যায় যুদ্ধ মনোভাব। শুধু আচরণ নয়; এই মহিষের চুল ও চোখে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সঙ্গে মিল রয়েছে বলে জানিয়েছেন দর্শনার্থী ও খামারিরা।
ঘুরতে আসা এক দর্শনার্থী গণমাধ্যমকে বলেন, মহিষটি এখানে আছে এমন খবর শুনে দেখতে এসেছি। শুনেছি নেতানিয়াহু যেভাবে বিশ্ব নিয়ে খেলা করে, মহিষটিও সেইরকম দুষ্টু প্রকৃতির। খামারি ভাইরা যখন খাবার দিতে যায়, পানি দিতে যায় সেটি খেলা করে, গুঁতো দিতে চায়। শিং নাড়িয়ে সবসময় আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে থাকে। তাকে কেউ আদর করতে চাইলে তাদের দিকেও তেড়ে আসে।
খামার কর্তৃপক্ষ জানায়, ‘নেতানিয়াহু’র খাবারের তালিকাও রাজকীয়। ঘাস-ভুসির পাশাপাশি তাকে খেতে দেওয়া হয় পুষ্টিকর খাবার। দিনে দুই বেলা গোসল করিয়ে তাকে রাখা হয় ফিটফাট। তবে তার মেজাজটা সবসময় গরম থাকার কারণে রাখালরা একটু দূরত্ব বজায় রেখে তার খেয়াল রাখেন।
এস এস ক্যাটেল ফার্মের এক রাখাল গণমাধ্যমকে বলেন, ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর চুল ও চোখের আকৃতি যেমন আমাদের মহিষটাও দেখতে তেমন। মহিষটি খুব দুষ্টামি করে এবং তার খুব দুষ্টু বুদ্ধি। ওকে আমরা খাবার দিতে গেলেও সে গুঁতো দেয়; ফোঁস ফোঁস করে।
এস এস ক্যাটেল ফার্মের ব্যবস্থাপক মেহেদি গণমাধ্যমকে বলেন, এটি মূলত অ্যালবিনো জাতের একটি মহিষ। এরকম ৬টি মহিষ আছে আমাদের খামারে। যারা সবাই দুষ্টু প্রকৃতির। তাই তাদের নাম ‘নেতানিয়াহু- ওয়ান’, ‘টু’ এভাবে করে ‘নেতানিয়াহু-সিক্স’ পর্যন্ত রাখা হয়েছে। মহিষগুলো দেখতে প্রতিদিন অনেক লোকজন আসছেন।
আরটিভি/এমএইচজে



