মানিকগঞ্জের দৌলতপুর ও সদর উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় ভাবি-ভাতিজাসহ তিনজন নিহত এবং একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনাগুলোতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রথম ঘটনায়, দৌলতপুর উপজেলার বাঁচামারা ইউনিয়নের কাচারিপাড়া গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাবি ও ভাতিজাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে দেবর ইউসুফ আলীর (৪০) বিরুদ্ধে।
শনিবার (৩০ মে) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— ব্যবসায়ী ছালামের স্ত্রী আমিনা (৩০) ও তাদের দুই বছরের ছেলে আসলাম। একই ঘটনায় ছালাম গুরুতর আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত ৯টা ১০ মিনিটের দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পর ছালামকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন তার ছোট ভাই ইউসুফ আলী। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এর আগেই আমিনা ও তার শিশুপুত্রকে হত্যা করা হয় বলে জানা গেছে। ঘটনাস্থলে রক্তাক্ত অবস্থায় দা ও হাতুড়ি পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইউসুফ আলীকে তড়িঘড়ি করে এলাকা ছেড়ে যেতে দেখা যায়।
দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) স্বপন কুমার সরকার জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্ত ইউসুফ আলী পলাতক রয়েছেন।
অপরদিকে, একই রাতে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পুটাইল ইউনিয়নের উত্তর পুটাইল গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে মো. সজিব নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার গভীর রাতে সজিব লুৎফর রহমানের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। রাত দেড়টার দিকে ১০০ থেকে ১৫০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল ওই বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সজিবকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইকরাম হোসেন বলেন, জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য তদন্ত চলছে।
দুইটি পৃথক ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ জনে। পুলিশ উভয় ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।
আরটিভি/এসএস




