ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে পাঁচটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১২ জুন) গভীর রাত থেকে শনিবার (১৩ জুন) ভোর পর্যন্ত পৃথক অভিযান চালিয়ে মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন- শহরের নিমতলা বাজারের মোটরসাইকেল গ্যারেজ মালিক বিশ্বজিত কর্মকার, গাজীর বাজারের সোবহান ও ঝিনাইদহ সদরের নারিকেল বাড়িয়া বাজারের গ্যারেজ মালিক আব্দুল্লাহ আল মামুন।
এ ঘটনায় কালীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ৪ জনের নামে একটি মামলা করেছেন। পরে শনিবার বিকেলে আটকের বিষয়ে থানা চত্বরে সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিং করেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন।
এসআই রফিকুল ইসলাম জানান, গোপন সূত্রে চোরাই মোটরসাইকেল বিক্রির খবর পেয়ে থানার ওসিকে বিষয়টি জানানো হয়। এরপর পুলিশ অভিযানে বের হয়ে শুক্রবার রাত ১১টার দিকে শহরের নিমতলা রোডে বিশ্বজিত কর্মকারের মোটরসাইকেল গ্যারেজে অভিযান চালিয়ে একটি কালো রঙের ১৫০ সিসি পালসার ও লাল রঙের একটি প্লাটিনা ১০০ সিসি চোরাই মোটরসাইকেলসহ তাকে আটক করে। পরে তার স্বীকারোক্তিতে রাত তিনটার দিকে পুলিশ ঝিনাইদহ সদরের নলডাঙ্গা বাজারে আব্দুল্লাহ আল মামুনের গ্যারেজে অভিযান চালিয়ে কালো লাল রঙের একটি ডিসকভার ১২৫ সিসি মোটরসাইকেল ও একটি লাল রঙের হোন্ডা ১১০ সিসি মোটরসাইকেলসহ তাকে আটক করে। এরপর শনিবার ভোররাতে কালীগঞ্জ উপজেলার গাজীর বাজারে সোবহানের পুরাতন মোটরসাইকেল শো-রুমে অভিযান চালিয়ে কালো রঙের ডিসকভার ১২৫ সিসি মোটরসাইকেলসহ তাকে আটক করে।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জানান, পুলিশি অভিযানে ৫টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। আটকরা চোরাই মোটরসাইকেল বিক্রির সিন্ডিকেট। তারা উদ্ধার করা মোটরসাইকেলের কোনো বৈধ কাগজ বা মালিকানার কাগজ দেখাতে পারেনি। সন্ধ্যার আগে আটকদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
আরটিভি/এমএইচজে



