কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে পুশ ইনের চেষ্টাকালে বাধার মুখে ৩ পরিবারের শিশুসহ ১২ জন রোববার (১৪ জুন) তৃতীয় দিনেও ভারতের ভেতরে সীমান্তের শূন্যরেখার পাটক্ষেতে অবস্থান করছেন।
শুক্রবার (১২ জুন) ভোর ৫টা থেকে তারা খোলা আকাশের নিচে মাঠে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। মূলত তারা কোন দিকেই যেতে পারছেন না। বাংলাদেশী সীমান্ত এলাকার লোকজন কৌশলে তাদের কাছে খাবার ও ওষুধসহ প্রয়োজনীয় জিনিস পাঠাচ্ছেন।
শনিবার (১৩ জুন) সকাল সাড়ে ৯ টায় হওয়া বিজিবি ও বিএসএফ এর পতাকা বৈঠকের পর এখনও কোন সিদ্ধান্ত জানায়নি বিএসএফ। বৈঠকে তারা জানায়, নাগরিকত্ব যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
স্থানীয় প্রাগপুর বিজিবির কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আসাদুজ্জামান জানান, শুক্রবার ভোর পাঁচটায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে ১২ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার (পুশ ইন) চেষ্টা করে বিএসএফ। বিজিবি ও স্থানীয় লোকজন তাতে বাধা দেয়। এরপর থেকে ওই তিন পরিবার ১৪৮/৩ এস পিলার থেকে ভারতীয় ৫০ গজের মধ্যে পাটক্ষেতের আইলে একটি শিমুলগাছের তলায় বসে আছেন। সেখানেই তাদের দুটো রাত কেটেছে। এদের মধ্যে ১০ মাস থেকে ৪ বছর বয়সী চারজন শিশু আছে। এক নারী অন্তঃসত্ত্বা।
বিএসএফ দাবি করছে- ওই তিন পরিবারের বাড়ি চাপাইনবাবগঞ্জ, সাতক্ষীরা ও খুলনা অঞ্চলে। তবে তাৎক্ষনিকভাবে এর কোন প্রমাণ মেলেনি।
এদিকে, এ নিয়ে বিজিবি সদস্যরা সীমান্তে সতর্ক পাহারায় রয়েছে। স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে তাদের সহায়তা করছে।
আরটিভি/এসএস




