বিয়ের মাত্র এক মাস, হাতের মেহেদির রঙও পুরোপুরি ওঠেনি। এর মধ্যেই সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল মজনু (২৭) নামের এক যুবকের।
সোমবার (২৯ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার আনন্দধাম ফায়ার সার্ভিস কার্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মজনু আলমডাঙ্গা উপজেলার ডাউকি ইউনিয়নের নিজাম উদ্দীনের ছেলে ও পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছোট ভাই পলাশকে ঢাকাগামী বাসে তুলে দিতে সোমবার রাতে আলমডাঙ্গা বাস টার্মিনালে যান মজনু। ভাইকে বাসে তুলে দিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে আনন্দধাম ফায়ার সার্ভিস কার্যালয়ের সামনে পৌঁছালে সড়কে পড়ে থাকা পাথরের ওপর মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিছলে যায়। এতে তিনি সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বাবা নিজাম উদ্দীন বলেন, প্রায় এক মাস আগে কুষ্টিয়া জেলার ইবি থানার ধুলি শ্রীপুর গ্রামে পারিবারিকভাবে মজনুর বিয়ে হয়। ওই বিয়েতে ছোট ছেলে পলাশ ঢাকা থেকে বাড়িতে এসেছিলেন। সোমবার রাতে পলাশকে ঢাকাগামী বাসে তুলে দিয়ে বাড়ি ফেরার পথেই দুর্ঘটনার শিকার হন মজনু।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভার ড্রেন নির্মাণকাজের জন্য সড়কে ফেলে রাখা পাথরের কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। তারা এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (ওসি) বানী ইসরাইল জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সুরতহাল রিপোর্ট শেষে মরদেহটি পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে।
আরটিভি/আইএম




