ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

ভারতের নাগরিক হয়েও বহাল তবিয়তে খুলনার ‘দুর্নীতিবাজ’ এই শিক্ষক

পাইকগাছা প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৬, ০৩:০৬ পিএম
দীপক চন্দ্র সরকার। ছবি: সংগৃহীত

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার নবারুণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের ভারতীয় নাগরিকত্ব থাকার প্রমাণ মিলেছে। শুধু তিনি একা নন তার স্ত্রী-কন্যা, ভাই-ভাবিসহ স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন পশ্চিমবঙ্গে আবার এদেশেও রয়েছে তাদের নাগরিকত্ব। এদিকে স্কুল চালাতে গিয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

নানা সময়ে একাধিক তদন্ত প্রতিবেদনে দ্বৈত নাগরিকত্বসহ অন্যান্য অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলেও চাকরিতে বহাল থাকায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে, পাইকগাছার লস্কর উপজেলার খড়িয়া নবারুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র সরকারের ভারতীয় নাগরিকত্ব রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন নিবন্ধন আধিকারিকের দপ্তর থেকে প্রকাশিত ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে তার। উত্তর বর্ধমানের শক্তিগড় থানার ২নং বরশুল গ্রামের ১নং মনমোহন দে রোডের পশ্চিমাংশের বাসিন্দা তিনি। একই ব্যক্তি পাইকগাছা উপজেলার লস্কর ইউনিয়নের খড়িয়া ঢেমশাখালী গ্রামের ভোটার।

এদিকে দীপকের স্ত্রী অপর্ণা সরকার, মেয়ে জয়শ্রী সরকার, বড় ভাই দুলাল চন্দ্র সরকার, ভাবী সুশীলা সরকার, ছোট ভাই তাপস সরকার ও তার স্ত্রী বর্ণালী সরকার সবাই স্থায়ীভাবে ভারতের নাগরিক ও ভোটার।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, পরিবার ভারতে পাঠিয়ে দিলেও দেশে বসে স্কুলকে পুঁজি করে তিনি অর্থবিত্ত তৈরি করছেন। স্বেচ্ছাচারিতা, স্বজনপ্রীতি ও মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে ২০২৪ সালে স্কুলে পরিচ্ছন্নতা কর্মী, নিরাপত্তা কর্মী ও আয়া নিয়োগ দেওয়া হয়। গোপনীয়তা বজায় রেখে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালানো হলেও ঘটনা জানাজানি হলে গ্রামবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে মিছিল, সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করেন। প্রতিবাদের মুখে তিন পদে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিলেও দীর্ঘদিন পরেও চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে তাদেরকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। এই নিয়োগে অন্তত ৩০ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ ওঠে।

আরও পড়ুন

এদিকে ২০২২-২৩ অর্থ বছরে স্কুলে প্রণোদনা অনুদান বাবদ বরাদ্দ পাঁচ লক্ষ টাকা খরচের ক্ষেত্রে দুর্নীতি হয়েছে। শিক্ষক, সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থী এবং প্রতিবন্ধী/বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রণোদনার দুই লাখ ২৫ হাজার টাকা যথাযথভাবে ব্যয় হলেও বাকি টাকায় কাজের নামে চলেছে নয়ছয়। যার বিল ভাউচার যথাযথ নয় বলে তদন্তে প্রমাণিত হয়।

স্থানীয় প্রকাশ চন্দ্র সরকার বলেন, হেড স্যারের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। তিনি দ্বৈত নাগরিক। অন্য দেশের নাগরিকের বাংলাদেশ সরকারের বেতন ভাতা নেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ। নিয়োগের নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে তিনি ওপারে পাচার করেন। স্কুলের নামে বরাদ্দ এলে ভুয়া বিল ভাউচার করে তহবিল তছরূপ করেন। এ নিয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে অভিযোগ দিলেও ফলাফল শূন্য।

নথিপত্র ঘেঁটে দেখা গেছে, প্রাপ্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নির্দেশে উপজেলা রিসোর্স কর্মকর্তা মো. ঈমান উদ্দিন ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এরপর ইউএনওর নির্দেশে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহজাহান আলীর নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত টিম ২০২৫ সালের ৩০ জানুয়ারি আরেকটি প্রতিবেদন জমা দেয়। একই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম ছায়েদুর রহমান আরও একটি তদন্ত করেন।

এছাড়া চলতি ২০২৬ সালের পহেলা ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসক বরাবর প্রেরিত প্রতিবেদনে ইউএনও ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বলেন, প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র সরকারের ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নাগরিকত্ব রয়েছে বলে ভোটার তালিকা থেকে জানা যায়। এমপিও সংক্রান্ত নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষক-কর্মচারীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হয়। বিদেশি নাগরিক এমপিওভুক্ত পদে থাকার বিষয়টি প্রশ্নসাপেক্ষ ও বিতর্কিত।

এদিকে ইউএনওর প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) কানিজ ফাতেমা লিজা গত ২৬ ফেব্রুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার মহাপরিচালককে প্রেরিত এক প্রতিবেদনে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর ও স্পর্শকাতর হওয়ায় সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান। তবে চার মাস পরেও এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি নেই বলে জানা গেছে।

দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে দীপক চন্দ্র সরকার বলেন, আমি এ দেশের নাগরিক। ভারতের ভোটার না। স্কুলের অনুদান আত্মসাৎ কিংবা নিয়োগ নিয়ে বাণিজ্যের অভিযোগও সত্য নয়।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শনিবার ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য শনিবার (১৭ অক্টোবর) পর্যায়ক্রমে সাড়ে ৫ ঘণ্টা রাজশাহীর বেশকিছু এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না। 
শনিবার ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
ধর্ষণ মামলায় জেল খেটে বেরিয়ে স্ত্রীকে কুপিয়ে কবজি বিচ্ছিন্ন
ময়মনসিংহের তারাকান্দায় সৎমেয়েকে ধর্ষণের মামলায় জেল খাটার চার বছর পর স্ত্রীকে কুপিয়ে তার হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করেছেন স্বামী ওবায়দুল্লাহ সরকার (৪৫)। ধর্ষণ মামলার প্রতিশোধ নিতে মীমাংসার কথা বলে ডেকে এনে ওই নারীকে কুপিয়ে আহত করেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার তারাকান্দা ইউনিয়নের এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ওবায়দুল্লাহ সরকার ওই গ্রামের তহুর উদ্দিন সরকারের ছেলে। তারাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশিদ ওই নারীকে কুপিয়ে তার হাত বিচ্ছিন্ন করার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ওই এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, ওবায়দুল্লাহ আনুমানিক ২০ বছর আগে বাড়ি ছেড়ে ঢাকায় চলে যান। ঈদের সময় বাড়িতে আসতেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনার পর খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, ওবায়দুল্লাহ তিনটি বিয়ে করেছেন। তার তৃতীয় স্ত্রীর বাড়ি গাজীপুরের শ্রীপুরে। ওই নারীর প্রথম স্বামী মারা গেলে ওবায়দুল্লাহ তাকে বিয়ে করেন। বিয়ের সময় ওই নারীর আগের স্বামীর ঘরে এক কিশোরী মেয়ে ছিল। ওবায়দুল্লাহ ওই নারীর কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ওই নারী স্বামী ওবায়দুল্লাহর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ ওবায়দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে। পরে ওই নারী তার কিশোরী মেয়েকে বাবার বাড়িতে রেখে বিদেশে চলে যান। বিদেশে যাওয়ার চার বছর পর সম্প্রতি ওই নারী দেশে ফেরেন। এদিকে, ওবায়দুল্লাহ জেল খেটে বের হন। জেল থেকে বের হয়ে প্রতিশোধ নিতে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) মীমাংসার কথা বলে ওই নারীকে তার গ্রামের বাড়ি তারাকান্দা উপজেলার ওই এলাকায় নিয়ে আসেন ওবায়দুল্লাহ। সন্ধ্যার পর মামলা-সংক্রান্ত বিষয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে ওই নারীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন তিনি। এ সময় দার কোপে ওই নারীর এক হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে নারীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে ওবায়দুল্লাহ পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন ওই নারীকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। বর্তমানে ওই নারী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ওসি আব্দুর রশিদ বলেন, আহত নারীর স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে। স্বজনেরা থানায় এলে মামলা নেওয়া হবে। অভিযুক্ত ওবায়দুল্লাহকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল মাঠে কাজ করছে বলেও জানান তিনি। আরটিভি/টিআর
ধর্ষণ মামলায় জেল খেটে বেরিয়ে স্ত্রীকে কুপিয়ে কবজি বিচ্ছিন্ন
‘টাকার লোভ দেখিয়ে’ শিশুকে বাড়ি নিয়ে যান বৃদ্ধ, অতঃপর...
গাজীপুরে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে রুহুল আমিন বাবু (৫৭) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। পরে তাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে জেলার কালিয়াকৈরে এ ঘটনা ঘটে। আটক রুহুল আমিন বাবু একই গ্রামের মৃত তাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি পেশায় একজন দিনমজুর। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে শিশুটি বাড়ির পাশে একটি পূজামণ্ডপের কাছে আয়োজিত মেলায় সহপাঠীদের সঙ্গে ঘুরতে যায়। এ সময় তাকে ১০০ টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাড়িতে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় স্থানীয়রা তাকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়। শিশুটির চিকিৎসা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম জানান, শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। শিশুটিকে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। আরটিভি/টিআর
‘টাকার লোভ দেখিয়ে’ শিশুকে বাড়িতে নিয়ে যান বৃদ্ধ, অতঃপর...
মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়তে মানিকগঞ্জে মাদকবিরোধী সমাবেশ
মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা, মাদক ব্যবসা ও আসক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং ঘিওরকে মাদকমুক্ত করতে গ্রামবাসীকে ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন করার লক্ষ্যে মানিকগঞ্জের ঘিওরে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়তে মানিকগঞ্জে মাদকবিরোধী সমাবেশ
কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ। একই সঙ্গে মহানগরী সংগঠন এখন থেকে কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া গত ১৪ অক্টোবর মহানগরী জামায়াতের কার্যালয়ে সংঘটিত ঘটনা তদন্তে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৪ অক্টোবর কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের কার্যালয়ে সংঘটিত ঘটনা ও উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এতে নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জামায়াতের গঠনতন্ত্রের ১৬ নম্বর ধারার ৩ নম্বর উপধারার ‘চ’ অনুচ্ছেদ অনুসরণ করে ৬৩ নম্বর ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সংগঠন ও ইমারত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে মহানগরী সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ দায়িত্ব পালন করবেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম। এদিকে, ১৪ অক্টোবরের ঘটনা তদন্তে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান। তদন্ত কমিটিকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জামায়াতের আমিরের কাছে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। আরটিভি/টিআর
কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
আরও পড়ুন
ভারত থেকে ১৮ নতুন রেলকোচ পৌঁছাল বাংলাদেশে
বিরোধীরা ‘বাংলাদেশের আদলে’ শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা করছে: রাজনাথ সিং
১৫ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন পুনম রাউত
ভারতে অসুস্থ মেয়েকে হ্রদে ফেলে পালাল মা, অতঃপর...