ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে বিক্ষোভ, মহাসড়কে ২০ কিমি যানজট

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম
ছবি: আরটিভি

কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার তিনটি মৌজার নামে ইজারা নেওয়া বালুমহালের আড়ালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ অংশে মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে তারা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করলে উভয় পাশে প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন হাজারো যাত্রী।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আশুগঞ্জ গোলচত্বরে চরসোনারামপুর গ্রামের কয়েকশ নারী-পুরুষ এই কর্মসূচি পালন করেন। একপর্যায়ে আন্দোলনকারীরা মহাসড়কে শুয়ে পড়ে বিক্ষোভ করলে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এতে মহাসড়কের পশ্চিম পাশে মেঘনা সেতু পেরিয়ে ভৈরব পর্যন্ত এবং পূর্ব পাশে বেরতলা এলাকা পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার করে মোট প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার সাদেকপুর, লুন্দিয়া ও টুকচানপুর মৌজার নামে বালুমহালের ইজারা দেওয়া হলেও বাস্তবে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার চরসোনারামপুর সংলগ্ন মেঘনা নদী থেকে।

তাদের দাবি, নির্বিচারে ড্রেজিংয়ের ফলে চরসোনারামপুর গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা, আশুগঞ্জ বাজার, আশুগঞ্জ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, জাতীয় গ্রিডের ৩৩ হাজার কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের খুঁটি, কৃষিজমি ও নদীতীর ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এতে নদীভাঙনের আশঙ্কাও দিন দিন বাড়ছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, চরসোনারামপুরে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের বসবাস। অধিকাংশই মৎস্যজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষ। প্রতিবছর নদীভাঙনের কবলে পড়ে বসতভিটা হারানোর শঙ্কায় থাকতে হয় তাদের। বর্তমানে গ্রামের শ্মশান, মসজিদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা শিতল চন্দ্র দাস বলেন, নদী আমাদের জীবিকার উৎস। কিন্তু অবৈধ ড্রেজিংয়ের কারণে এখন সেই নদীই আমাদের ঘরবাড়ি কেড়ে নিচ্ছে। যেখানে ইজারা দেওয়া হয়নি, সেখানে দিন-রাত বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। আমরা এই অবৈধ ড্রেজিং বন্ধ চাই।

আরেক বাসিন্দা বিপ্লব কুমার সূত্রধর বলেন, ড্রেজারের কারণে নদীর গতিপথ বদলে যাচ্ছে। গ্রামের সামনে গভীর খাদ সৃষ্টি হয়েছে। শ্মশান, মসজিদ ও বসতঘর হুমকির মুখে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পুরো গ্রাম নদীগর্ভে চলে যাবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত বছরও ভৈরব উপজেলার নামে ইজারা নিয়ে আশুগঞ্জ অংশে সীমানা লঙ্ঘন করে বালু উত্তোলন করা হয়েছিল। প্রশাসনের অভিযানের পরও এবার একই কায়দায় পুনরায় ড্রেজিং শুরু হয়েছে। ফলে নিজেদের বসতভিটা, কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় বাধ্য হয়েই আন্দোলনে নেমেছেন চরসোনারামপুরের বাসিন্দারা।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, চলতি বছরের ৩০ মার্চ কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসন ভৈরব উপজেলার সাদেকপুর, লুন্দিয়া ও টুকচানপুর মৌজার মেঘনা নদীর বালুমহাল ইজারা দেয়। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে মেসার্স শফিক ট্রেডার্স-এর অনুকূলে ওয়ার্ক অর্ডারও জারি করা হয়।

আরও পড়ুন

তবে স্থানীয়দের দাবি, ইজারাভুক্ত এলাকায় পর্যাপ্ত বালু না থাকায় ইজারাদার প্রতিদিন ভোর থেকে প্রায় পাঁচটি ড্রেজার বসিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার চরসোনারামপুর তীর ঘেঁষে বালু উত্তোলন করছেন।

স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এই বালু উত্তোলন কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এ কারণে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই তারা মানববন্ধন ও মহাসড়ক অবরোধের মতো কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছেন।

এ বিষয়ে আশুগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু হেনা মোস্তফা রেজা বলেন, মহাসড়ক অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে পাঠানো হবে।

আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাফে মোহাম্মদ ছড়া বলেন, স্থানীয়দের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সীমানা লঙ্ঘন করে কোথাও বালু উত্তোলনের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু তাহের দেওয়ান বলেন, অবরোধের কারণে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল। পরে পুলিশ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

উল্লেখ্য, গত বছরও আশুগঞ্জের চরসোনারামপুর এলাকায় সীমানা লঙ্ঘন করে বালু উত্তোলনের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে একাধিক ড্রেজার ও বাল্কহেড জব্দ করা হয়। ওই সময় দায়ীদের কারাদণ্ড দেওয়া ছাড়াও সরকারি কাজে বাধা, প্রশাসনের ওপর হামলা এবং জব্দ করা ড্রেজার ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনিক অভিযান সত্ত্বেও এবার আবারও একইভাবে আশুগঞ্জ অংশে বালু উত্তোলন শুরু হওয়ায় পুরো এলাকা নতুন করে নদীভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আশুলিয়ায় কাজে ফিরেছেন শ্রমিকরা
শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় পোশাক কারখানার কর্মপরিবেশ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আশুলিয়ার বিভিন্ন স্থানে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও বিজিবি সদস্য মোতায়েন রয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল থেকেই শ্রমিকরা কারখানায় কাজে যোগ দিয়েছেন এবং সিংহভাগ কারখানাতেই উৎপাদন কার্যক্রম চালু রয়েছে।  তবে আশুলিয়ায় স্বস্তি ফিরলেও পাশের সাভারের হেমায়েতপুরে শ্রমিক অসন্তোষকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। হেমায়েতপুর ও পদ্মার মোড় বাসস্ট্যান্ডসহ আশপাশের এলাকার বেশ কয়েকটি তৈরি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল থেকেই শ্রমিকরা তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ড ও পদ্মার মোড়সহ বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেন। সকাল ৯টার দিকে শ্রমিকরা ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করলে সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, দেখা দেয় দীর্ঘ যানজট। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মহাসড়ক থেকে শ্রমিকদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস (টিয়ারশেল) নিক্ষেপ করে। জবাবে শ্রমিকরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। সংঘর্ষের একপর্যায়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও পরবর্তীতে শ্রমিকদের একটি অংশ শান্ত হয়ে এলাকা ত্যাগ করেন। শিল্পাঞ্চলে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এদিকে সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক অসন্তোষের জেরে বিভিন্ন কারখানায় ভাঙচুর ও কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় তিনটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় অজ্ঞাতনামা ২ হাজার ৩০০ জনের বেশি ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, সোমবার রাতে দুটি পৃথক কারখানা কর্তৃপক্ষ ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা করে। এসব মামলায় অজ্ঞাতনামা ৮০০ থেকে ১ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সাভার মডেল থানার ওসি সাইফুল আলম বলেন, কারখানায় ভাঙচুর ও কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে। এতে অজ্ঞাতনামা ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরটিভি/এসআর  
আশুলিয়ায় কাজে ফিরেছেন শ্রমিকরা
প্রতিবেশীকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়ে সড়কে প্রাণ গেল আপনের 
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত ১২টার দিকে অভয়নগর উপজেলার প্রেমবাগ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রতিবেশীকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়ে সড়কে প্রাণ গেল আপনের 
শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও ইট-পাটকেলে রণক্ষেত্র নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনরত পোশাক শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের আবারও তীব্র ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে এবং শ্রমিকেরা পাল্টা ইট-পাটকেল ছুড়লে পুরো কাঠেরপুল এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে ফতুল্লার শিবু মার্কেট ও আশপাশের এলাকার বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা একজোট হয়ে এই বিক্ষোভ আন্দোলনে অংশ নেন। একপর্যায়ে কয়েক হাজার শ্রমিক কারখানা থেকে বেরিয়ে সড়কে অবস্থান নিয়ে আন্দোলনে যোগ দেন। এতে পুরো শিল্পাঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়।  দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও পাল্টাপাল্টি ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে শ্রমিকদের মধ্যেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এতে কাঠেরপুল ও আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। জানা গেছে, পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য ওই এলাকায় মোতায়েন রয়েছে। বিজিবির অন্তত চার প্লাটুন সদস্য মোতায়েন আছে। এর আগে গতকাল দ্বিতীয় দিনের মতো ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছিলেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। এ সময় বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য হিউম্যান চেইন করে ব্যারিকেড দিয়ে রাখার চেষ্টা করলেও তা ভেঙে শ্রমিকরা মূল সড়কে উঠে আসেন। আরটিভি/এসআর        
শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও ইট-পাটকেলে রণক্ষেত্র নারায়ণগঞ্জ
সাভার-আশুলিয়ায় কারখানা ভাঙচুরের ঘটনায় তিন মামলায় আসামি ২৩০০, গ্রেপ্তার ১১
সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক অসন্তোষের জেরে বিভিন্ন কারখানায় ভাঙচুর ও কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় তিনটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় অজ্ঞাতনামা ২ হাজার ৩০০ জনের বেশি ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাত সোয়া ১০টার দিকে এই তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) রাকিবুল হাসান ইশান। তিনি বলেন, আশুলিয়া থানায় দুটি এবং সাভার মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, সোমবার রাতে দুটি পৃথক কারখানা কর্তৃপক্ষ ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা করে। এসব মামলায় অজ্ঞাতনামা ৮০০ থেকে ১ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সাভার মডেল থানার ওসি সাইফুল আলম বলেন, কারখানায় ভাঙচুর ও কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে। এতে অজ্ঞাতনামা ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদিকে মঙ্গলবার ভোরে সাভারের তেঁতুলঝোড়া এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় সাভার মডেল থানায় আরও একটি মামলা হয়েছে।  এ মামলায় অজ্ঞাতনামা ৬০ থেকে ৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানান ওসি সাইফুল আলম। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে টানা চতুর্থ দিনের মতো মঙ্গলবারও পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ অব্যাহত ছিল। আরটিভি/এসআর
সাভার-আশুলিয়ায় কারখানা ভাঙচুরের ঘটনায় তিন মামলায় আসামি ২৩০০, গ্রেপ্তার ১১
নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ নিশ্চিতে চট্টগ্রাম ওয়াসার ‘বড় উদ্যোগ’
বন্দরনগরী চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যাপক অবকাঠামো উন্নয়ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। এ কর্মসূচির আওতায় নতুন করে ৮৫টি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হচ্ছে।
নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ নিশ্চিতে চট্টগ্রাম ওয়াসার ‘বড় উদ্যোগ’
আরও পড়ুন
সিনেমাটিক স্টাইলে ছদ্মবেশে মাহফিলে অংশ নিলেন তাহেরী, ঘটনা কী
গার্মেন্টস শিল্পে অস্থিরতা তৈরির পিছনে পাশের দেশ জড়িত: আবু হানিফ 
আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ, একাধিক কারখানায় ছুটি ঘোষণা
বেতনভাতা বৃদ্ধির দাবিতে মিরপুরে আজও পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ