ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

বগুড়ায় জমি নিয়ে বিরোধে জামায়াত নেতা খুন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৭ পিএম
নিহত সম্রাট আকন্দ পাপ্পা (৩৮)। ফাইল ছবি

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় পৈতৃক জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন সম্রাট আকন্দ পাপ্পা (৩৮) নামে স্থানীয় এক জামায়াত নেতা। ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় গত ৪ জুলাই (শনিবার) রাতে মারা যান তিনি।

নিহত সম্রাট দুপচাঁচিয়া সদর ইউনিয়ন জামায়াতের যুব বিভাগের সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি ওই ইউনিয়নের ভেলুরচক গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।

জানা যায়, গত ২৫ জুন দুপুরে পৈতৃক জমির পরিমাপ নিয়ে চাচা আব্দুল করিমের সঙ্গে সম্রাটের বাগবিতণ্ডা হয়। এর একপর্যায়ে আব্দুল করিম ১৫ থেকে ২০ জন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত লোক নিয়ে সম্রাট ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। হামলায় সম্রাট, তার বাবা রফিকুল ইসলাম এবং মা জোসনা বেগম গুরুতর আহত হন।

আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সম্রাট ও তার বাবা-মায়ের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে সম্রাটের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আরও পড়ুন

এ ঘটনায় গত ২৮ জুন সম্রাটের আপন চাচা আব্দুল করিমসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে দুপচাঁচিয়া থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন তার মা। মামলা দায়েরের পর গত ১ জুলাই (বুধবার) দিবাগত রাতে জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার তিলকপুর গ্রাম থেকে প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল করিম ও তার স্ত্রী মিথিলা আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

দুপচাঁচিয়া সদর ইউনিয়ন জামায়াতের যুব বিভাগের সহ-সভাপতি সম্রাট আকন্দ পাপ্পার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে দুপচাঁচিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তাজমিলুর রহমান জানান, আহত জামায়াত নেতা সম্রাটের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হত্যাচেষ্টা মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘লোকলজ্জার ভয়ে’ সীমান্ত পাড়ি কিশোরীর, ফিরল এক বছরের সন্তান নিয়ে
দালালের মাধ্যমে এক বছর আগে ভারতে পাড়ি জমিয়েছিল ১৩ বছরের বাংলাদেশি এক কিশোরী। ভারতে গিয়ে এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেয় সে।  সেখানে পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর এক বছরের কারাবাস শেষে সন্তানসহ দেশে ফিরেছে ওই কিশোরী। তার মতোই ভারতে পাচার ও অবৈধ অনুপ্রবেশের শিকার আরও ১৫ কিশোর–কিশোরীসহ মোট ১৮ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে যশোর বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ১৮ বাংলাদেশি দেশে ফেরে।  ভারত সরকারের দেওয়া বিশেষ ‘রাষ্ট্রীয় ট্রাভেল পারমিট’–এর মাধ্যমে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করা হয়। সবাইকে পুনর্বাসনের জন্য বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’–এর জিম্মায় হস্তান্তর করেছে। জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের ডেপুটি কান্ট্রি ম্যানেজার এ বি এম মুহিত হোসেন বলেন, ‘ভারত থেকে ফেরত আসা নারী ও শিশুদের বেনাপোলে আমাদের সংস্থার একটি নিজস্ব শেল্টার হোমে (নিরাপদ আশ্রয়) রাখা হয়েছে। তাদের প্রাথমিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে সুবিধাজনক সময়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’ ইমিগ্রেশন পুলিশ ও মানবাধিকার সংগঠন সূত্রে জানা যায়, ফেরত আসা এক বছরের সন্তানসহ এক কিশোরীর জীবনকাহিনি অত্যন্ত করুণ। মাত্র ১৩ বছর বয়সে খুলনার নিজ এলাকায় এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে সে। পরে সামাজিক লজ্জা ও লোকলজ্জার ভয়ে দালালের মাধ্যমে সীমান্ত পার হয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে পাড়ি জমাতে বাধ্য হয়।  সেখানে পৌঁছানোর কিছুদিনের মধ্যেই সে এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেয়। তবে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতের পুলিশ তাকে আটক করে কারাগারে পাঠায়। পরে ভারতের একটি স্থানীয় এনজিওর সহায়তায় সন্তানসহ ওই কিশোরীকে নিরাপদ আশ্রয়ে রাখা হয়। দুই দেশের কূটনৈতিক আলোচনার পর রাষ্ট্রীয় পারমিটের ভিত্তিতে বুধবার তাকে অন্যদের সঙ্গে দেশে ফিরিয়ে আনা হলো। বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, ভারতের বন্দিদশা থেকে ফেরত আসা ১৮ জনের মধ্যে মাত্র দুজন প্রাপ্তবয়স্ক। বাকি ১৬ জনই শিশু–কিশোর।  তিনি বলেন, ফেরত আসা শিশুদের অনেকেরই মা–বাবা বর্তমানে ভারতের বিভিন্ন কারাগারে আটক রয়েছেন। আবার কারও কারও মা–বাবা আগে ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরে এলেও সন্তানেরা ভারতের কলকাতার বিভিন্ন শেল্টার হোমে আটকা পড়েছিল। বুধবার সমন্বিত যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের দেশে ফেরানো সম্ভব হয়েছে। মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের মাধ্যমে তাদের স্বজনদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আরটিভি/এসএস
‘লোকলজ্জার ভয়ে’ সীমান্ত পাড়ি কিশোরীর, ফিরল এক বছরের সন্তান নিয়ে
ছেলেকে কোলে নেওয়া হলো না মতিউরের
দেশে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে রেখে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মোহাম্মদ মতিউর রহমান (২৫)। প্রবাসে যাওয়ার তিন মাসের মাথায় তার একটি ছেলেসন্তান হয়। সেই ছেলেকে কোলে নেওয়ার আগে সৌদিতে ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন তিনি।
ছেলেকে কোলে নেওয়া হলো না মতিউরের
বিদ্যুতের খুঁটিতে ধীরগতিতে চলছে মহাসড়কের কাজ, ভোগান্তিতে জনতা
বিদ্যুতের খুঁটি সময়মতো সরানো না হওয়ায় ধীরগতিতে চলছে সাতক্ষীরা সদর থেকে শ্যামনগরের ভেটখালী পর্যন্ত ৬২ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণকাজ। এতে একদিকে সড়ক সম্প্রসারণ ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে খুঁটি সরানোর সময় বিদ্যুৎ বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয়রা।
বিদ্যুতের খুঁটিতে ধীরগতিতে চলছে মহাসড়কের কাজ, ভোগান্তিতে জনতা
২ বছর ধরে সরকারি গাছ ‘গিলছে’ দুর্বৃত্তরা, নাম বলতে সাহস পায় না কেউ
বগুড়ার ধুনটে গত দুই বছর ধরে রাতের আঁধারে সড়কের বিভিন্ন স্থান থেকে সরকারি গাছ কেটে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে। পুলিশ কয়েক দফা অভিযান চালিয়ে কাটা গাছের গুঁড়ি উদ্ধার করলেও এখন পর্যন্ত জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি।
২ বছর ধরে সরকারি গাছ ‘গিলছে’ দুর্বৃত্তরা, নাম বলতে সাহস পায় না কেউ
ঘুমন্ত শাশুড়িকে কোপালেন নববধূ, দায় গেল ‘জিনের ঘাড়ে’
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে বিয়ের মাত্র আড়াই মাসের মাথায় শাশুড়িকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে প্রবাসী যুবকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত পুত্রবধূ আকলিমা আক্তারকে (১৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ঘুমন্ত শাশুড়িকে কোপালেন নববধূ, দায় গেল ‘জিনের ঘাড়ে’
আরও পড়ুন
বগুড়ায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
রংপুরে চার খুন: হত্যার আগে-পরে ৮০ বার ফোনালাপ, নতুন তথ্য দিল পুলিশ
জামিনে বেরিয়ে খুন হলেন ‘পিচ্চি জাহেদ’
বগুড়ায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জানাজা হলো ছিনতাইকারীর টানে নিহত শিক্ষিকার