নড়াইলের কলাবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য, জাতীয় কাবাডি খেলোয়াড় ও আওয়ামী লীগ নেতা কাইয়ুম সিকদার খুনের ঘটনায় মামলা করা হয়েছে।
ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান কয়েসসহ ৪৫জনের নাম এজাহারে উল্লেখ্য করা হয়েছে।
নিহতের কাইয়ুম সিকদারের ছেলে মাইনুল ইসলাম মিল্টন বাদী হয়ে ২৯ মে শুক্রবার রাতে নড়াগাতী থানায় এ মামলা দায়ের করেন।
এ মামলার কাউকে এখনও পুলিশ আটক করতে পারেনি। পুলিশ জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে চেয়ারম্যান কয়েস ও কাইয়ুম সিকদারের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ ছিল।
এরই জেরে ২৬মে রাতে কাইয়ুম খুন হন। কালিয়া উপজেলা শহর থেকে দলীয় কাজ শেষে পাঁচ সহযোগীসহ দুই মোটরসাইকেল বাড়ি ফেরার পথে পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাদের গতিরোধে করে কুপিয়ে যখম করে ফেলে যায়।
সেখান থেকে গুরুতর আহত কাইয়ুমকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। গুরুতর আহত তিনজনকে খুলনা মেডিকেলে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
জেবি